সেরা পাঁচ

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব ৩৯: ঋণ নেবেন রাজা, কিন্তু এ জন্য কবির দুশ্চিন্তা কম নয়!

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব ৩৯: ঋণ নেবেন রাজা, কিন্তু এ জন্য কবির দুশ্চিন্তা কম নয়!

১৩১২ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে রাধাকিশোরের আহ্বানে রবীন্দ্রনাথ তৃতীয়বারের মতো আগরতলায় আসেন। সে সময় রাজ্যের ঋণ সংগ্রহের ব্যাপারে রাধাকিশোর নানা চিন্তাভাবনা করছিলেন। ভাবছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী নিয়োগের ব্যাপারেও। রবীন্দ্রনাথ আগরতলায় আসার আগেই মহারাজকে এসব বিষয়ে পত্র দিয়ে তাঁর দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন।

read more
পর্ব-১০১: খামখেয়ালির গিরীন্দ্রনাথ

পর্ব-১০১: খামখেয়ালির গিরীন্দ্রনাথ

গিরীন্দ্রনাথ ছিলেন খেয়ালি-মনের মানুষ। আনন্দে-আমোদে দিন কাটাতে ভালোবাসতেন। জীবনকে উপভোগ করতে জানতেন। চার পুত্র-কন্যা ও স্ত্রী যোগমায়াকে রেখে মাত্র চৌত্রিশ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন তিনি। খোশমেজাজে থাকতেন। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখায় আছে, তিনি কতখানি ‘সুরসিক অমায়িক সৌখিন পুরুষ ছিলেন। যেন বিলাসিতা মূর্তিমান।’

read more
বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪৫: প্রভাবশালী প্রণয়

বসুন্ধরা এবং…, ৩য় খণ্ড, পর্ব-৪৫: প্রভাবশালী প্রণয়

স্টুডিয়ো থেকে কলকাতার একটু বাইরে কোলাঘাটের কাছে একটা কালীপুজোর উদ্বোধনে যাওয়ার কথা ছিল অরুণাভর। আগরওয়াল বুদ্ধি করে এই টোপটা অরুণাভর কাছে তারই লোক দিয়ে পাঠিয়েছিল। মোটা টাকা অ্যাপিয়ারেন্স মানি। স্টুডিয়ো থেকে গাড়ি করে নিয়ে যাবে রাতে কলকাতা পৌঁছে দেবে।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-৭৬: সুন্দরবনের পাখি—কুরচি বক

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-৭৬: সুন্দরবনের পাখি—কুরচি বক

টিকিওয়ালা বক সুন্দরবন অঞ্চলে খুব পরিচিত পাখি। এই জাতির বকগুলো তাই শৈশব থেকেই আমার খুব চেনা। শুধু আমার নয়, হয়তো সুন্দরবন এলাকার অধিকাংশ মানুষেরই চেনা। আমরা ঠাকুমা বা বাবা-মায়ের কাছে এই বকগুলোকে “বোষ্টম বক” বলে ডাকতে শুনেছি। বলাবাহুল্য টিকির জন্যই এদের এমন নামে ডাকা হয়। তবে এ নাম হল স্থানীয় নাম। বাংলায় এই বক কুরচি বক নামে পরিচিত।

read more
মুভি রিভিউ: আবেগের টক-ঝাল-মিষ্টিতে ভরপুর ‘শাদি মে জরুর আনা’

মুভি রিভিউ: আবেগের টক-ঝাল-মিষ্টিতে ভরপুর ‘শাদি মে জরুর আনা’

মনোজ বাজপেয়ীকে দেখে অভিনয় করার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন হরিয়ানা গুরগাঁও-এর প্রেম নগরের রাজকুমার যাদব। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে বাবা সত্যপ্রকাশ যাদব হরিয়ানার রাজস্ব বিভাগের সরকারি কর্মী-মা কমলেশ যাদব গৃহবধূ। মা কমলেশ নিউরোলজির করতেন তাঁর পরামর্শে নাম বদল হয়ে রাজকুমার রাও হলেন। মা জুড়েছেন অতিরিক্ত ‘এম’ নিজের অদম্য চেষ্টা জেদ নিজেকে প্রমাণ করার খিদে নাকি নিউমরোলজি কিসের জাদুতে আজ রাজকুমার রাও খ্যাতির শিখরে? সংখ্যাতত্ত্ব যাই বলুক শরীরের ঘাম আর অপমান সহ্য করা নিঃশব্দ কান্নার কোন বিকল্প নেই।

read more
পর্ব-৯১: নুনিয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা

পর্ব-৯১: নুনিয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা

নুনিয়ার ঘুম আসছিল না। প্রায়ই আসে না। সারাদিন এত দৌড়ঝাঁপ করে, ঘুরে বেড়ায়, শরীর ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ার কথা। কিন্তু পড়ে না। আগে যেমন বিছানায় শুলেই ঘুম দু’-চোখ ভরে ঝেঁপে আসত, এমনকি সন্ধে থেকেই ঘুমে ঢুলে পড়ত বলে মা বকাবকি করত, আজকাল আর তেমন হয় না। মা-ও নেই, ঘুমও যেন চলে গিয়েছে সেই থেকে। তার উপর ফাদারের সঙ্গে আজকাল আর দেখা করতে দেওয়া হয় না তাঁকে। তিনি না-কি আরও অসুস্থ।

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৭: বিনাশায় দুষ্কৃতম্

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৭: বিনাশায় দুষ্কৃতম্

বোধিসত্ত্ব সেবার এক গৃহস্থের ঘরে জন্ম নিয়েছেন। যথাকালে প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাঁর বিবাহ হল সুজাতার সঙ্গে। না, এই সুজাতা তাঁকে পায়সভক্ষণ করাননি। কিন্তু তিনি সুজাতা, সুকুলোদ্ভবা। রূপ-লাবণ্যে ও চরিত্রবলে তিনি শ্বশুরালয়ে সকলের মন জয় করেছিলেন। বোধিসত্ত্ব তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে আনন্দে কালযাপন করছিলেন।

read more
হাঁটু ও কোমরে ব্যথার কোন কোন  খাবার বেশি খেলে স্বস্তি মিলবে দ্রুত

হাঁটু ও কোমরে ব্যথার কোন কোন খাবার বেশি খেলে স্বস্তি মিলবে দ্রুত

এখন হাঁটু এবং কোমরের ব্যথা ঘরে ঘরে। মানবদেহের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল হাড়। তাই হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং জয়েন্টের পেশিকে শক্তিশালী করার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাদ্য তালিকা রাখা প্রয়োজন।

read more
বিখ্যাতদের বিবাহ-বিচিত্রা, পর্ব-১১: ক্যাথেরিন ম্যান্সফিল্ড ও মিডলটন মারে: এক আশ্চর্য বিবাহিত সম্পর্ক

বিখ্যাতদের বিবাহ-বিচিত্রা, পর্ব-১১: ক্যাথেরিন ম্যান্সফিল্ড ও মিডলটন মারে: এক আশ্চর্য বিবাহিত সম্পর্ক

নিউজিল্যান্ডের এক পুঁজিপতির মেয়ে ক্যাথরিন। বাবা শুধু সম্পত্তি বাড়ানোর পিছনে ছুটেছেন সারাজীবন। ক্যাথেরিনের মতে তার বাবা “the richest man in New zealand and the meanest”. বাবার ভালোবাসার অভাব ছোট থেকে তাকে নিঃস্ব করেছে। শুধু ভালোবাসা নয়, আর্থিক কোনও সহায়তা এবং জোটেনি অতি দুর্দিনে।

read more
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪০: বরাকভূমির গল্প

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪০: বরাকভূমির গল্প

বরাক উপত্যকায় চারি দিকে যেমন রয়েছে সবুজের মেলা তেমনি রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থান। আর সেই সব স্থানের গল্পও বেশ মজাদার। এই জায়গাগুলিকে একটু যত্ন নিলে হয়ে উঠতে পারে ইতিহাস প্রেমী পর্যটকদের আকর্ষণ কেন্দ্র।

read more
পর্ব-৫৭: বাথটাব/৯

পর্ব-৫৭: বাথটাব/৯

এখন পুলিশ ডিপার্টমেন্টে খবরের কাগজ, নিউজ চ্যানেল আর সেই সঙ্গে ইউটিউবার তিনে মিলে ত্র্যহস্পর্শ যোগ! একটা না একটা সূত্রে গুরুত্বপূর্ণ খবর লিক হয়ে যায়। পরীক্ষার খাতা চুরি হয়, ব্যাঙ্কের ক্যাশ টাকা চুরি হয়, সোনার দোকানে সোনা চুরি হয়, আর খবরের খনি থেকে খবর চুরি হবে না সেটা কি হয়?

read more
পর্ব-৯o: পিতামাতার অনৈতিক আচরণ কি সন্তানের সমালোচনার ঊর্দ্ধে?

পর্ব-৯o: পিতামাতার অনৈতিক আচরণ কি সন্তানের সমালোচনার ঊর্দ্ধে?

মা, রানি কৈকেয়ীর প্রতি, কুমার ভরতের, ভর্ৎসনা ও অভিযোগের যেন শেষ নেই। তিনি, জননীকে তিরস্কারের পর তিরস্কার করে চললেন। ক্রোধান্বিত ভরত, তিক্ত ভাষায় বললেন, এ রাজ্য থেকে দূর হও রে, নির্মম, দুরাচারিণী কৈকেয়ি, ধর্ম তোমার সাহচর্য ত্যাগ করেছে, ওই মিথ্যে চোখের জল আর ফেল না।

read more
পর্ব-৭৩: ভক্তদের সমস্যার সমাধান দিতেন শ্রীমা

পর্ব-৭৩: ভক্তদের সমস্যার সমাধান দিতেন শ্রীমা

সময়টা ছিল স্বাধীনতাসংগ্রামের যুগ। বিট্রিশ সরকার বিপ্লবীদের দমনের জন্য অকথ্য অত্যাচার শুরু করে যাতে লোকের মনে ভীতির সঞ্চার হয়। তখন চারদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এমনকি, রামকৃষ্ণমঠ মিশনের সন্ন্যাসীদেরও সন্দেহভাজন বলে মনে করা হচ্ছে। আর যুবক বিপ্লবীরা অনেকেই শ্রীমার কাছে দীক্ষিত। তাই জয়রামবাটি, কোয়ালপাড়ায় পুলিশের সদা সতর্ক দৃষ্টি ছিল। এই অঞ্চল তখন ম্যালেরিয়াপ্রবণ এবং অশিক্ষিত গরীব মানুষের বাসভূমি ছিল। সেই কারণে সুস্থসবল বিপ্লবী যুবকদের এখানে এনে আটকে রেখে সরকার তাদের শায়েস্তা করার ব্যবস্থা করে। তাই এই জায়গার...

read more
ত্বকের জেল্লা ফেরাতে চান? চিনিতে আছে ম্যাজিক, বাড়িতেই করে ফেলুন সুগার ট্রিটমেন্ট

ত্বকের জেল্লা ফেরাতে চান? চিনিতে আছে ম্যাজিক, বাড়িতেই করে ফেলুন সুগার ট্রিটমেন্ট

আপনাকে কি প্রতিদিন রোদে বেরতে হয়? রোদে পুড়ে ত্বকে কালো ছোপ পড়ে গিয়েছে? চোখের নীচে বলিরেখা? চামড়া যেন দিন দিন জেল্লা হারাচ্ছে? তাই আপনি ছুটলেন বিউটি পার্লারে। কিন্তু প্রচুর টাকা খরচ করেও, লাভ হল না কিছু। বরং কেমিকেলের কারণে ত্বকের আরও দফারফা।

read more

 

 

Skip to content