সুন্দর ফুল নামী-দামি ঘর সাজানোর জিনিসকেও নিমেষে টেক্কা দিতে পারে। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না তো লতানে কোন গাছে সাজিয়ে তুলবেন শখের বারান্দা কিংবা বাড়িতে ঢোকার গেট? তিন ফুলের গাছের রইল হদিশ।
সুন্দর ফুল নামী-দামি ঘর সাজানোর জিনিসকেও নিমেষে টেক্কা দিতে পারে। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না তো লতানে কোন গাছে সাজিয়ে তুলবেন শখের বারান্দা কিংবা বাড়িতে ঢোকার গেট? তিন ফুলের গাছের রইল হদিশ।
ধনেপাতা স্বাদে যেমন খাসা, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের রোগীরাও নিশ্চিন্তে রান্নায় ধনেপাতা খেতে পারেন। রান্নার সময় রোজ যে একমুঠো ধনেপাতা কুচি ডালে, মাছের ঝোলে, তরকারিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, তার উপকারিতা কত জেনে রাখুন।
আমরা সবাই ওজন ঝরাতে কত কী ই না করে থাকি! অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠে দৌড়তে যান। কেউ কেউ আবার পছন্দের খাবারের দিকে ভুলেও তাকান না। ভ্যাপসা গরমেও জিমে গিয়ে কসরত করেন।
বনবাসী জ্যেষ্ঠ রামকে ফিরিয়ে আনতে চলেছেন কুমার ভরত। পথে রামের সখা নিষাদরাজ গুহর সঙ্গে সাক্ষাৎ। নিষাদপতির মনে সন্দেহের জটিলতা। এই সশস্ত্র ভরত, হয়তো রামের কারণে, নিষাদরাজের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলবেন। নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করে, তিনি ভরতের সাক্ষাতে নিজের আশঙ্কা প্রকাশ করলেন। গুহর সমস্ত আশঙ্কা দূর করলেন ভরত।
শ্রেয়া গাড়ি নিয়ে অফিস চলে আসার পর একা একা রাস্তা হাঁটতে হাঁটতে ধৃতিমানের মাথায় এইসব ঘুরছিল। তাই প্রাথমিক প্রশ্নগুলোর পরে এই প্রশ্নটাই তার মাথায় প্রথম এসেছিল। আর এটাই যে লক্ষ্যভেদ করবে সেটা ধৃতিমান আঁচ করতে পারেনি।
বোধিসত্ত্ব নানাজন্মে নানারূপ ধারণ করেছিলেন। আজকের কাহিনিটি একটু বিচিত্র, সেবার ব্রহ্মদত্তের শাসনকালে বারাণসী নগরে বোধিসত্ত্ব এক শূকরীর গর্ভে জন্ম নিয়েছিলেন। একদিন শূকরী তার দুটি পুত্রকে নিয়ে গর্তে শুয়ে ছিল। তখন এক বৃদ্ধা কার্পাসক্ষেত্র থেকে কার্পাসপূর্ণ ঝুড়ি নিয়ে হাতের লাঠিটিতে ঠকঠক আওয়াজ করতে করতে পথ দিয়ে যাচ্ছিল। শূকরী সেই শব্দ শুনে প্রাণভয়ে ভীত হয়ে পুত্রদুটিকে ফেলে পালিয়ে গেল।
জাগতিক ব্যবহারে মা সারদা কারও মনে যাতে আঘাত না লাগে, তাই সকলের মন বুঝে চলতেন। অপরদিকে জগতের কোনও বস্তুরই তাঁর অপেক্ষা নেই। সর্বদা তাঁর আত্মস্থ অবস্থা। শ্রীমার এই অদ্ভুত ভাবাতীত অবস্থা যোগীনমা ও গোলাপমাই বেশিরভাগ সময় প্রত্যক্ষ করতেন। তাই তাঁদের মন সর্বদা যেন শ্রীমার কাছে রয়েছে। আর তাঁদের দৈনন্দিন ব্যবহারে একদিকে যেমন শ্রীমাকে ইষ্টদেবীজ্ঞানে শ্রদ্ধা ও ভক্তির অন্ত ছিল না।
পুজোআপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আবার বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে। এমনকি, সুস্বাদু খাবার খেলে মনও ভালো থাকে। তাই নৈশভোজে বানিয়ে নিন মুরগির মোতি পোলাও।
আজ মকরসংক্রান্তি। ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানে সংক্রান্তি সূর্যের রাশি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মকর সংক্রান্তিতে সূর্য প্রবেশ করে মকররাশিতে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, এই সময় থেকে সূর্যের উত্তরায়ণের সূচনা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক-ভৌগোলিক গণনায় উত্তরায়ণের সূচনা ঘটে গিয়েছে দিনপনেরো আগে থেকেই। সে যাই হোক, ভারতবর্ষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়জীবনে, পরম্পরাগত বিশ্বাসে ও যুগবাহিত সমাজদর্শনে মকরসংক্রান্তি এক বিশেষ দিন।
স্পর্শকাতর ত্বকে স্ক্রাব নৈব নৈব চ! তবে এমন অনেক উপাদানই রয়েছে যা স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তার মধ্যে খেজুর অন্যতম। খেজুর মাখলে ত্বকে কেমন প্রভাব পড়ে?
মানবিক মূল্যবোধের উপন্যাস ‘রাজর্ষি’কে ত্রিপুরার ঐতিহাসিক উপাদানে পুষ্ট করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তিনি সে জন্য মহারাজা বীরচন্দ্রের কাছে গোবিন্দ মাণিক্যের রাজত্বকালীন ইতিহাস চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে শেষপর্যন্ত কতটুকু ইতিহাস রক্ষিত হয়েছে? ‘রাজর্ষি’ অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ রচনা করেছেন ‘বিসর্জন’ নাটক।
টানা চার দিন বাতিল থাকবে শিয়ালদহ-ডানকুনি লোকাল। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণেশ্বরে বালি ব্রিজ (বিবেকানন্দ সেতু)-এর গার্ডার পরিবর্তন এবং ব্যালাস্ট লাইন বসানোর কাজ শুরু হবে। সেই কারণে চার দিন শিয়ালদহ-ডানকুনি লোকাল বাতিল থাকবে। এও বলা হয়েছে এই শাখায় আপ-ডাউন লাইনে কোনও ট্রেনই চলবে না।
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ছিলেন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। সব সময় যে দূরে কোথাও চলে যেতেন, তা নয়, কাছেপিঠেও যেতেন। হিমালয়ের নির্জনবাসের প্রশান্তি হয়তো পেতেন চুঁচুড়োতেও। নদীর প্রতি ছিল অমোঘ আকর্ষণ। যেতেন প্রায়শই জলপথে। জীবনের বেলা শেষে, মহর্ষি তখন রুগ্ন শরীরে সবে ফিরেছেন চৌরঙ্গীর বাড়িতে। অসুস্থতা তখনও রয়ে গিয়েছিল।
আপনাদের সকলের কাছে আমার একটা সবিনয় প্রশ্ন আছে। আমার এই ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা কি আমি আর বলব? আপনারা না বললে আমি কোনও দুঃখ পাবো না। তাহলে আমার পরবর্তী বক্তারা বলবার সুযোগ পাবেন, আপনাদের মতো আমিও তাদের কথাও শুনতে পারব।
চড়াই পাখি বিভিন্ন রকমের শস্য তো খায় অবশ্যই, তা ছাড়াও বিভিন্ন পোকামাকড়, ফুলের মধু, ছোটখাট পাকা ফল, এমনকি রান্নাঘরের ফেলে দেওয়া আবর্জনা থেকেও এটা-সেটা বেছে খায়। হ্যাঁ, একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি, ছোটোবেলা দেখতাম রেশন আর মুদি দোকানে চড়াই পাখিদের সংখ্যা সব সময় বেশি দেখা যায়। এই দুই দোকানের আশপাশ চড়াই পাখির কিচিমিচিতে সবসময় সরগরম হয়ে থাকত। অবশ্য এখন আর এদের দেখতে পাই না।