রেস্তরাঁতে পেটপুজোর পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি হজমে সাহায্য করে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই মৌরি শুধু মুখশুদ্ধি হিসাবেই নয়, রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। শুধু মৌরি চিবিয়ে খেলেই যে এর উপকার পাওয়া যায় তা নয়, মৌরি-জলও সমান উপকারী।
রেস্তরাঁতে পেটপুজোর পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি হজমে সাহায্য করে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই মৌরি শুধু মুখশুদ্ধি হিসাবেই নয়, রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। শুধু মৌরি চিবিয়ে খেলেই যে এর উপকার পাওয়া যায় তা নয়, মৌরি-জলও সমান উপকারী।
হুচরি অসমের একটি জনপ্রিয় লোক উৎসব। বৈশাখ মাসের বিহু অর্থাৎ রঙ্গালি বিহুতে পালিত হয়। এই অনুষ্ঠান সংক্রান্তির দিন থেকে টানা সাতদিন ধরে চলে। এই অনুষ্ঠানে শুধু পুরুষরাই অংশ নিতে পারে। হরিনামের গুনগান দিয়েই এই উৎসবের শুরু এবং শেষ হয়।
ধৃতিমানের আশঙ্কা সত্যি হল। ভোররাতে গ্রেফতার করা হল ডাক্তার সুরজিৎ ব্যানার্জিকে। পরদিন কলকাতার প্রায় সমস্ত প্রথমসারির দৈনিক শেষরাতে পাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ খবর ছোট করে হলেও প্রথমপাতায় ছেপে দিলেন। তবে কোনও এক অজানা কারণে খবরওয়ালারা, কৌশিকী ও ডাক্তার সুরজিৎ ব্যানার্জির মধ্যের রগরগে রসায়নের খোঁজ এখনও পাননি।
যশোরের সারদাসুন্দরী যখন ঠাকুরবাড়িতে বধূ হয়ে এলেন, দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন, তখন তাঁর বয়স ছয়। কেউ বলে আট। ছয়-আট যাই হোক না কেন, তখন তিনি যে নিতান্তই বালিকা, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ক্রমে তাঁদের পনেরোটি পুত্র-কন্যার জন্ম হয়। একটি পুত্র ও একটি কন্যা অকালে মারা যায়। অল্পায়ু কন্যাটি সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না। নামকরণ হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।
মা সারদার নতুন বাড়ি হওয়ায় সেখানে দুধের অভাব দূর করার জন্য জ্ঞানানন্দ মহারাজ দুটি ভালো গরু কিনে আনেন। সুরেন্দ্রনাথ গুপ্ত এই গরু কেনার খরচ বহন করেন। তবে শ্রীমা সংসারী হয়েও সন্ন্যাসিনী ছিলেন, নিজের জন্য কোনো ঝঞ্ঝাট বাড়াতে চাইতেন না। নিজের জন্য আলাদা বাড়ির ইচ্ছাও তাঁর ছিল না। যখন তাঁর ভাইরা আলাদা হয়ে নিজেদের বাড়ি করে তখন কালীকুমার তাঁর দিদি শ্রীমার সাহায্যে ভালো বাড়ি, বৈঠকখানা করেন।
দুর্যোধনের পরিকল্পিত চক্রান্ত ও বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে পাণ্ডবদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে তাঁদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার পন্থায় কর্ণের মোটেই আস্থা নেই। কর্ণের প্রস্তাব ছিল—চতুরঙ্গ সেনা নিয়ে সোজাসুজি দ্রুপদরাজ্য আক্রমণ এবং পাণ্ডবদের দ্রুত নিজেদের রাজ্যে এনে তাঁদের বশে আনা। সন্তুষ্ট প্রৌঢ় রাজা ধৃতরাষ্ট্র প্রাজ্ঞ,বিজ্ঞ স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শগ্রহণে আগ্রহী।
শ্যামসুন্দর বেনেগলের নির্মিত ছবিগুলির মধ্যে অঙ্কুর, নিশান্ত, মন্থন, ভূমিকা, জুনুন, কলযুগ, মন্ডি, সুরজ কা সাতয়াঁ ঘোড়া, মাম্মো এবং সরদারি বেগম ‘ক্ল্যাসিকস’ পর্যায়ে উন্নীত। দেখানোর স্বাভাবিকতা ও ক্যামেরার অসাধারণ কাজ সহজেই দর্শককে বিষয়ের গভীরে নিয়ে যায়। পিতা শ্রীধর বি বেনেগল একজন আলোকচিত্রী হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই শ্যামের ক্যামেরার সঙ্গে পরিচয় ঘটে।
ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা ছিলেন রূপে লক্ষ্মী গুণে সরস্বতী। ঠিক এমনটাই ছিলেন প্রতিভা দেবী, রবীন্দ্রনাথের সেজদাদা হেমেন্দ্রনাথ আর নীপময়ীর বড় মেয়ে। বেথুন স্কুলে পড়াশুনা, গুণী সঙ্গীতজ্ঞদের কাছে গান এবং সেতার শিখেছিলেন প্রতিভা। ভাই হিতেন্দ্রনাথের সঙ্গে ‘বিদ্বজ্জন সভা’য় সেতারও বাজিয়েছেন। কিন্তু প্রতিভার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ‘বাল্মীকি প্রতিভা’র সংযোগটাই অমরতা পেল।
বায়স লঘুপতনকের আচরণে খুবই প্রসন্ন হয়েছিলেন মন্থরক। সে যেমন করে মূষিক হিরণ্যককে আশ্বস্ত করে আরও বললে, এছাড়া পরদেশে বাস করতে হচ্ছে বলে দুঃখ করবারও কোনও কারণ নেই। ধৈর্যবান মননশীল মানুষজনের কাছে বিদেশই বা কি আর স্বদেশই বা কি? তিনি তো যে দেশেই থাকেন সে দেশকেই আপন বাহুবলে নিজের অধীন করে নেন।যেমন সিংহ যে বনেই যায় সেখানেই নিজ দাঁত, নখ আর লেজকে অস্ত্র করে হাতিকে পর্যন্ত হত্যা করে তার রক্তলেখায় নিজের পিপাসা নিবারণ করে।
বীরবিক্রম তাঁর রাজত্বকালে ত্রিপুরায় শিক্ষা সম্প্রসারণেও বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছিলেন। নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠা, প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের উদ্যোগ, শিক্ষায় উৎসাহদানের জন্য নানা রকম স্কলারশিপ-স্টাইপেন্ড ইত্যাদির প্রবর্তনে রকম বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিলেন রাজা। শিক্ষাকে আরও ব্যাপক ও অর্থবহ করার জন্যও সচেষ্ট ছিলেন তিনি।
চলচ্চিত্র জগতে নক্ষত্রপতন। প্রয়াত হয়েছেন পরিচালক শ্যাম বেনেগাল। মৃত্যুকালে পরিচালকের বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ২৩ ডিসেম্বর সন্ধে ৬টা বেজে ৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সুজাতা চিৎকার করে উঠলেন। তাড়াহুড়ো করে প্রণয়কে বাধা দিতে গিয়ে হুইলচেয়ারের চাকায় পা জড়িয়ে গিয়ে মুখ থুবড়ে পুরো শরীরের ভার নিয়ে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন। নাক-মুখ থেকে গলগল করে রক্ত বের হতে লাগলো। সুরঙ্গমা আর বাবলি ছুটে গিয়ে সুজাতাকে সোজা করে শোয়াতে গিয়ে দেখলেন সুজাতার জ্ঞান নেই।
শীত যাই-যাই করতে শুরু করলেই শুরু হয়ে যায় দোয়েলের বিচিত্র সুরমূর্ছনা। গায়ক পাখি হিসেবে দোয়েলের খ্যাতি তো দুনিয়াজোড়া। তবে হ্যাঁ, দোয়েলদের বংশে শুধু গায়কই হয়, গায়িকা হয় না! আর রূপেও স্ত্রী দোয়েলদের টেক্কা দেয় পুরুষ দোয়েল। পুরুষ দোয়েলকে রূপ আর গুণের জন্য পাখি-সাম্রাজ্যের ‘কার্তিক’ বললে মনে হয় অত্যুক্তি হয় না।
সত্যব্রতর কাছ থেকে ফেরার সময় গাড়িতে শাক্য বা সুদীপ্ত কেস নিয়ে কোন কথা বলছিল না। শাক্যই বারণ করেছিল। এখন সে কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। যাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগ লড়াই শুরু করেছে, তারা যে যথেষ্ট শক্রিশালী কোন গ্যাং, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে, পিশাচপাহাড় রিসর্টের মার্ডার। কালাদেও কেন যে পিশাচপাহাড় রিসর্টে ঢুকে মার্ডার করতে যাবে, এটা শাক্য বা সুদীপ্ত কারওই মাথায় আসেনি।
শীতকালের একটি পুষ্টিকর সব্জি হল মুলোশাক। দামও কম। মুলোশাক ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলেট এবং ক্যালশিয়ামে পরিপূর্ণ। এই সব্জিকে শীতকালীন স্বাস্থ্যের সুপার হিরো বলা যেতে পারে। সস্তার এই শাকের পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাই একে খাদ্য তালিকায় রাখা যেতে পারে।