পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মাহাত্ম্য শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাকে ঘিরে রেখেছে। তবে বাহ্য প্রদর্শনে, ধর্মীয় আচারের পালনেই তার সার্থকতা নয়। তার সাফল্য অন্তর্গত গীতিময় বাণীর ধারণে, যাপনে, উপলব্ধিতে।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মাহাত্ম্য শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাকে ঘিরে রেখেছে। তবে বাহ্য প্রদর্শনে, ধর্মীয় আচারের পালনেই তার সার্থকতা নয়। তার সাফল্য অন্তর্গত গীতিময় বাণীর ধারণে, যাপনে, উপলব্ধিতে।
গৃহপালিত সারমেয়রা সাধারণত যে কোনও খাবারে চট করে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না। এখন অবশ্য সর্বত্র কুকুরের জন্য শুকনো খাবার পাওয়া যায় ঠিকই, তবে বাড়িতে বানিয়ে কুকুরের খাবার সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।
মেয়েটির উত্তর শেষ হতে না দিয়েই মাঝবয়েসী লোকটিকে কথাটা বলে ঘরের দিকে হাঁটা দিলেন টেক সলিউশন কলকাতার ফাউন্ডার সিইও অতনু সেন! বড় বড় পা ফেলে দূরের খোলা জানালার আলোর দিকে অপসৃয়মান ঝকঝকে অতনু সেনকে দেখতে দেখতে দিয়া ভাবছিল, ঠিক সিনেমায় যেমন হয়।
আমাদের জেনে রাখা দরকার যে, বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে সংশ্লেষের মাধ্যমে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। কারিপাতা মাথার ত্বকে সেবাম উৎপাদন এবং ক্ষরণের সমতা বজায় রাখতেও খুবই উপকারী।
যেহেতু এটি সুন্দরবন এলাকার মধ্যে এবং একসময় নোনা জলের জোয়ার-ভাটা খেলত তাই এখন মিষ্টি জলের জলাশয়ে রূপান্তরিত হলেও অতীতের গেঁওয়া ও হরগোজা গাছ প্রচুর জন্মে রয়েছে এই ঝিলের ধারে। এই ঝিলের মালিকানা এখন আমাদের স্কুলের হাতে। স্বচ্ছ জল। মাঝে মাঝে দ্বীপের মতো কচুরিপানার দল। জলে নানা ধরনের যথেষ্ট মাছ আছে। মাঝে মাঝে বেশ লাফায়। পানকৌড়িকে দল বেঁধে ডুব দিতে দেখি।
রাতে ডিনারের পর সামান্য পড়াশোনা করেন সত্যব্রত। এ-তাঁর অনেককালের অভ্যাস। এর আগে যে-ব্লকে ছিলেন, সেখানে পেশেন্টের চাপ খুব বেশি ছিল। দিনরাত বলে আলাদা কিছু ছিল না। লেবার রুমের বেড খালি থাকত না কখনই। তার উপর রাতবিরেতে কেউ মদ খেয়ে মাথা ফাটিয়ে এসে হাজির হতো, কেউ আবার সন্দেহজনক আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে হাজির হত। পেশেন্টপার্টির ছিল মাথা গরম। ডাক্তার যেন ভগবান।
সুন্দর ফুল নামী-দামি ঘর সাজানোর জিনিসকেও নিমেষে টেক্কা দিতে পারে। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না তো লতানে কোন গাছে সাজিয়ে তুলবেন শখের বারান্দা কিংবা বাড়িতে ঢোকার গেট? তিন ফুলের গাছের রইল হদিশ।
ধনেপাতা স্বাদে যেমন খাসা, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের রোগীরাও নিশ্চিন্তে রান্নায় ধনেপাতা খেতে পারেন। রান্নার সময় রোজ যে একমুঠো ধনেপাতা কুচি ডালে, মাছের ঝোলে, তরকারিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, তার উপকারিতা কত জেনে রাখুন।
আমরা সবাই ওজন ঝরাতে কত কী ই না করে থাকি! অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠে দৌড়তে যান। কেউ কেউ আবার পছন্দের খাবারের দিকে ভুলেও তাকান না। ভ্যাপসা গরমেও জিমে গিয়ে কসরত করেন।
বনবাসী জ্যেষ্ঠ রামকে ফিরিয়ে আনতে চলেছেন কুমার ভরত। পথে রামের সখা নিষাদরাজ গুহর সঙ্গে সাক্ষাৎ। নিষাদপতির মনে সন্দেহের জটিলতা। এই সশস্ত্র ভরত, হয়তো রামের কারণে, নিষাদরাজের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলবেন। নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করে, তিনি ভরতের সাক্ষাতে নিজের আশঙ্কা প্রকাশ করলেন। গুহর সমস্ত আশঙ্কা দূর করলেন ভরত।
শ্রেয়া গাড়ি নিয়ে অফিস চলে আসার পর একা একা রাস্তা হাঁটতে হাঁটতে ধৃতিমানের মাথায় এইসব ঘুরছিল। তাই প্রাথমিক প্রশ্নগুলোর পরে এই প্রশ্নটাই তার মাথায় প্রথম এসেছিল। আর এটাই যে লক্ষ্যভেদ করবে সেটা ধৃতিমান আঁচ করতে পারেনি।
বোধিসত্ত্ব নানাজন্মে নানারূপ ধারণ করেছিলেন। আজকের কাহিনিটি একটু বিচিত্র, সেবার ব্রহ্মদত্তের শাসনকালে বারাণসী নগরে বোধিসত্ত্ব এক শূকরীর গর্ভে জন্ম নিয়েছিলেন। একদিন শূকরী তার দুটি পুত্রকে নিয়ে গর্তে শুয়ে ছিল। তখন এক বৃদ্ধা কার্পাসক্ষেত্র থেকে কার্পাসপূর্ণ ঝুড়ি নিয়ে হাতের লাঠিটিতে ঠকঠক আওয়াজ করতে করতে পথ দিয়ে যাচ্ছিল। শূকরী সেই শব্দ শুনে প্রাণভয়ে ভীত হয়ে পুত্রদুটিকে ফেলে পালিয়ে গেল।
জাগতিক ব্যবহারে মা সারদা কারও মনে যাতে আঘাত না লাগে, তাই সকলের মন বুঝে চলতেন। অপরদিকে জগতের কোনও বস্তুরই তাঁর অপেক্ষা নেই। সর্বদা তাঁর আত্মস্থ অবস্থা। শ্রীমার এই অদ্ভুত ভাবাতীত অবস্থা যোগীনমা ও গোলাপমাই বেশিরভাগ সময় প্রত্যক্ষ করতেন। তাই তাঁদের মন সর্বদা যেন শ্রীমার কাছে রয়েছে। আর তাঁদের দৈনন্দিন ব্যবহারে একদিকে যেমন শ্রীমাকে ইষ্টদেবীজ্ঞানে শ্রদ্ধা ও ভক্তির অন্ত ছিল না।
পুজোআপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আবার বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে। এমনকি, সুস্বাদু খাবার খেলে মনও ভালো থাকে। তাই নৈশভোজে বানিয়ে নিন মুরগির মোতি পোলাও।
আজ মকরসংক্রান্তি। ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানে সংক্রান্তি সূর্যের রাশি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মকর সংক্রান্তিতে সূর্য প্রবেশ করে মকররাশিতে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, এই সময় থেকে সূর্যের উত্তরায়ণের সূচনা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক-ভৌগোলিক গণনায় উত্তরায়ণের সূচনা ঘটে গিয়েছে দিনপনেরো আগে থেকেই। সে যাই হোক, ভারতবর্ষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়জীবনে, পরম্পরাগত বিশ্বাসে ও যুগবাহিত সমাজদর্শনে মকরসংক্রান্তি এক বিশেষ দিন।