হোয়াট্সঅ্যাপ একের পর এক চমক দিতেই থাকে। খুব তাড়াতাড়ি চ্যাটজিপিটির সুবিধা আনতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম। সেই সঙ্গে আরও নতুন ফিচার আসছে। এ বার কাস্টমার কেয়ারের মতো সুবিধা পাওয়া যাবে হোয়াট্সঅ্যাপেও
হোয়াট্সঅ্যাপ একের পর এক চমক দিতেই থাকে। খুব তাড়াতাড়ি চ্যাটজিপিটির সুবিধা আনতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম। সেই সঙ্গে আরও নতুন ফিচার আসছে। এ বার কাস্টমার কেয়ারের মতো সুবিধা পাওয়া যাবে হোয়াট্সঅ্যাপেও
ভারতের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন’-এর তথ্য বলছে, কফি বা চা-তে পলিফেনলিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান থাকে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে। তবে তা সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না-ও হতে পারে। গবেষকেরা জানিয়েছেন, কফি বা চা পরিমিত মাত্রায় খেলে ক্ষতি নেই। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি খেলেই মুশকিল।
বীরচন্দ্র থেকে বীরবিক্রম-ত্রিপুরার চার মাণিক্য রাজার সঙ্গেই ছিল কবির সম্পর্ক। এক রাজবংশের চারজন রাজার সঙ্গে কবির এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা নিঃসন্দেহে এক আশ্চর্য ঘটনা। প্রথম যোগাযোগের সময় বীরচন্দ্র প্রৌঢ়, কবি তরুণ বয়স্ক। আর শেষ বেলায় বীরবিক্রম যখন যুবক রাজা কবি তখন প্রৌঢ়। বীরবিক্রমের সঙ্গে কবির বার কয়েক সাক্ষাৎ ঘটেছে। ত্রিপুরার পুরাতাত্ত্বিক সম্পদ সংরক্ষণে কবি রাজাকে পরামর্শ দিয়েছেন।
উন্নতিকামী যে কোনও পুরুষের মধ্যে উত্সাহ গুণ থাকাটা সর্বদা আবশ্যক। যেক্ষেত্রে আলস্য ত্যাগ করে উত্সাহের সঙ্গে কোনও কার্য করা হয় এবং ন্যায়নীতির সঙ্গে মানুষের পৌরুষও যেখানে মিলে থাকে, লক্ষ্মীশ্রী সেখানেই অচঞ্চল হয়ে অবস্থান করে। ব্যবসায় উন্নতি করতে গেলে যেকোনও ব্যবসায়ীর মানসিকতাটা ঠিক এইরকমই হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। সব কিছুই হল ভাগ্যের খেলা।
পেয়ারা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয় ফল। সারা বছরই বাজারে হাজির থাকে। নিত্যদিন বাজারে যে পেয়ারা পাওয়া যায়, সেটির বাইরের অংশ সবুজ, ভিতরে সাদা। কিন্তু ‘গোয়াভা জুস’ বললে যে পানীয়টি পাওয়া যায়য় তার রং আবার গোলাপি! তাহলে কি ওই ‘গোয়াভা জুস’-এর মেশানো হয়?
ঈশ্বর পৃথিবীর সবকিছুতে সময়ের নিয়ম বেঁধে দিয়েছেন। বাড়ির দলিলের এই আইন মোতাবেক পরিবর্তনটা জরুরি ছিল। তাই বিনয়কান্তি দত্ত শারীরিকভাবে সজ্ঞানে ছিলেন। বসুন্ধরা ভিলায় এখন আর ছন্দ নেই সুর নেই। সর্বত্র যেন সুরতাল ছন্দহীন সময়ের ক্রমাগত ক্ষয়। বাড়িতে দু-দুজন অত্যন্ত সংকটজনক রোগী। ব্যবসায়ের আগের সময়কার রমরমা কমে আসছে। বসুন্ধরার স্বপ্নে দেখা সেই সকলকে নিয়ে ভরা সংসারের শিকড়ের মাটি আলগা হয়ে গিয়েছে।
বাবা টিয়াপাখিটার নাম দিয়েছে পিটু। কী সুন্দর মখমলের মতো নরম সবুজ পালক। ঠোঁটটা টুকটুকে লাল। আমাদের মাটির বাড়ির দালানে পিটুর স্থান হয়েছে। আমাদের সুন্দরবন এলাকায় টিয়াপাখি ছোট থেকেই আমি দেখে আসছি। ঝাঁক ঝাঁক টিয়া ধান পাকলে মাঠে এসে ধান খায়। গাছে পেয়ারা পাকলে ঠুকরে ঠুকরে পাকা পেয়ারা খায়।
নুনিয়া দৌড়াচ্ছিল। অন্ধকারে যত জোরে দৌড়ানো যায়, সম্ভবত তার চেয়েও বেশি জোরে। এর আগে সে পালিয়েছে হোস্টেল থেকে, স্কুল থেকে, চার্চের ঘেরাটোপ থেকে, কিন্তু এত রাতে কখনও নয়। যে-পথ দিয়ে সে এর আগে বহুবার পালিয়েছে, এমনকি শাস্তি পাওয়ার পরেও পালিয়েছে, সেই পথই এত রাতে তার কাছে অজানা-অচেনা বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু উপায় নেই তাকে পালাতেই হবে।
কাজুবাদাম ছাড়া পায়েসের কথা ভাবা যায় না। তেমনই পোলাওয়ে কাজুবাদাম দিলে স্বাদ বদলে যায়। তবে কাজুবাদাম খেলে ওজন বাড়ে, অনেকের তেমনটাই ধারণা।
আমি এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। হঠাৎ একটা জায়গায় গিয়ে রাস্তার ধারেই থরে থরে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করানো আছে ছোট থেকে মাঝারি মাপের অনেক বিমান। আমি আর কালক্ষেপ না করে সেখানেই গাড়ি ঢোকাতে গেলাম। ওমা, গাড়িটা দাঁড় করতে গিয়ে দেখি সে আরও মজার ব্যাপার। সেখানে গাড়ি আর বিমান পাশাপাশিই দাঁড় করানো আছে।
শ্রেয়াকে যাদবপুর বা প্রেসিডেন্সির ছাত্রী বলে চালিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু চোখের দিকে তাকিয়ে সামনের মানুষটির শরীরের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দিতে জানে সে। কথা বলার এমন একটা দাপুটে ভঙ্গি, হার্ডকোর ক্রিমিনালের কথা আলাদা, কিন্তু সাধারণ আমজনতাকে ভয় পাইয়ে দেবার জন্য যথেষ্ঠ।
মা সারদা আহার হয়ে যাওয়ার পর বিশ্রাম করছেন। তখন শীতের বিকেল। বাইরের বাটিতে ডিসপেনসারিতে সেসময় স্বামী সারদেশানন্দ কাজ করছিলেন। হঠাৎ তিনি খবর পেলেন যে ‘মায়ের পেটে ব্যথা, খুব কষ্ট হচ্ছে’। তিনি ছুটে গিয়ে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে জানতে চাইলেন, ‘কেমন ব্যথা, কখন হয়েছে, কেন হয়েছে, কোথায় কামড়াচ্ছে’ ইত্যাদি।
বনবাসী রামের সন্ধানে ভরতের যাত্রাপ্রস্তুতি সম্পূর্ণ হল। ভোরবেলায় শয্যা ত্যাগ করেই ভরত, উত্তম রথে আরোহণ করে, রামের দর্শনলাভের ইচ্ছায় যাত্রা শুরু করলেন। তাঁর সম্মুখবর্তী অশ্বযুক্ত সূর্যতুল্য রথে, চললেন মন্ত্রী ও পুরোহিতগণ। নয় সহস্র সুসজ্জিত হাতি ইক্ষ্বাকুকুলনন্দন ভরতের অনুগমন করল। ষাট সহস্র রথে,ধনুক ও নানা অস্ত্রধারী যোদ্ধারা যশস্বী সত্যসন্ধ ভরতের সহযাত্রী হলেন। শত সহস্র অশ্বারোহী সেনা, সত্যপ্রতিজ্ঞ জিতেন্দ্রিয় ভরতকে অনুসরণ করলেন।
আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের মূল বিষয় বা নিয়মগুলির যে কয়েকটি আমাদের সাধারণ জীবনযাপনকে নিয়ন্ত্রিত করে তার মধ্যে একটি হল—সত্যের ধারণা ও পালন। যা কিছুকেই মানুষ সত্য বলে গ্রহণ করে। তাই তার সমগ্র সত্তা, চিন্তারাশি, অনুভূতি এবং তার আকাঙ্ক্ষাকে আকর্ষণ করে।
জীবনে বহুকৌণিক ও আপাতবিরুদ্ধ বিবিধ ধর্মের নির্ণয় ও পালনেই আসে সার্থকতা। মহাদর্দর সেই কর্তব্যের পালনে চ্যুত হননি বলেই তাঁর সেই ক্ষুদ্র তুচ্ছ জীবন একদা মিশবে মহাসাগরে, মহাজীবনের ছন্দোময় মন্দমধুর মহাধ্বনির অমলিন ঝঙ্কারে সার্থক হবে একদিন।