সকালের রুটিনের উপর নির্ভর করে ওজন আদৌ বশে থাকবে কি না। বিপাকহার বাড়িয়ে তোলাও ওজন কমানোর একটি অন্যতম উপায়। আজ এমন কিছু খাবারের খোঁজ দেবো, যা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে বাড়বে বিপাকহার, ঝরবে ওজন।
সকালের রুটিনের উপর নির্ভর করে ওজন আদৌ বশে থাকবে কি না। বিপাকহার বাড়িয়ে তোলাও ওজন কমানোর একটি অন্যতম উপায়। আজ এমন কিছু খাবারের খোঁজ দেবো, যা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে বাড়বে বিপাকহার, ঝরবে ওজন।
বইমেলায় খুদের জন্য কী বই কিনবেন? শুনুন কী বলছেন বানান ঠাকুমা?
শব্দ-ব্রহ্ম: ঘট
সরস্বতী পুজো ও কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা নিয়ে কী বলছেন বানান ঠাকুমা? শুনুন।
মিস্টার চৌধুরীর সেই ঠাকুমা ভাবতেও পারবেন না যে সেখানে দোষটা ড্যাকরা পোলাপানের ছিল। আজও মৌমাছিরা তো স্বভাব দোষে ফুল বদলায়। তবে ফুলেরাও কিন্তু এখন সময়ে সময়ে মৌমাছি বদলে নেয় । এসব ভাবতে ভাবতেই ধৃতিমানের মনে হল সম্পর্কের ক্ষেত্রেও আমরা এখন যথেষ্ট “উদার এবং উন্নত” রিলেশনশিপ-এর মতোই আজকাল খুব চালু শব্দ হল সিচুয়েশনশিপ। মানে সম্পর্কে আছি কিন্তু দুজনেরই সম্পর্কের কোনও দায় নেই!
এক ভক্তের বালিগঞ্জের বাসায় শ্রীমা আজ যাবেন। আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁর জন্য আলাদা আসন, শ্বেতপাথরের বাসন কেনা হয়েছে। মা সারদার আগমনের আনন্দে রাতে তাদের ঘুমই হল না। ঠিক ছিল যে তিনি বিকেলে আসবেন। কোনও কারণে যদি তাঁর অন্য ইচ্ছা হয়, তাই সকালেই শ্রীমান শোকহরণ বাগবাজারে শ্রীমার বাড়িতে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল। আর বাকি ভক্তেরা সংসারের কাজ সকালবেলাতেই সেরে নিয়ে প্রস্তুত হয়ে রইল।
পঞ্চ পাণ্ডবের দাম্পত্যজীবনে একমাত্র ধর্মপত্নী দ্রৌপদী। পত্নীকে কেন্দ্র করে ভাইদের মধ্যে যাতে বিরোধ না হয় তাই, মহর্ষি নারদের নির্দেশে, তাঁরা স্থির করলেন, দ্রৌপদী এক বৎসর কাল এক একজন ভাইয়ের সঙ্গে বসবাস করবেন। সেই সময়ে অন্য কোন ভাই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন না। এ নিয়মের অন্যথা হলে, শাস্তি, বার বৎসরের ব্রহ্মচর্য ও বনবাস।
বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার জন্যই কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। এ ধারণা যে একেবারেই ভুল তা ঠিক নয়। মনে রাখতে হবে, আমাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয় আমাদের বিপাক হারের উপর। আবার ডায়াবিটিস থাকলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
তথ্যও কখনও কখনও জ্ঞান। “উইসডম” বলতে যা বোঝায় তার থেকেও অধিক প্রয়োজন সার্বিক নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা, ম্যানেজমেন্ট। এর সঙ্গেই পৃথিবীতে পণ্য-ই একমাত্র সত্যে পরিণত। সকল জ্ঞানবুদ্ধি পণ্যকে কেন্দ্র করে পাক খাচ্ছে, বিশ্বের হাটে দেবী সরস্বতীর দপ্তর, লক্ষ্মীদেবীর দপ্তর অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়েছে বহুদিন।
সেদিনের ক্লাসরুমে মালাবদল এবং সিঁদুরদানের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ায় যথেষ্ট সম্মানহানি হচ্ছে। ওই ভিডিয়ো না ছড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন সেই অধ্যাপিকা। তিনি নদিয়ার হরিণঘাটার মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি (ম্যাকাউট)-র মনস্তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপিকা। এ বার সেই অধ্যাপিকা ম্যাকাউটের রেজিস্ট্রারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওই ইস্তফাপত্রে অধ্যাপিকা কলেজ ছাড়ার কথা জানিয়েছেন।
আজকের সরস্বতীর বাস ঠিক কোথায় তা নিশ্চিত নয়। তিনি কণ্ঠে, কলমে, বুদ্ধিতে, বোধে, চেতনায় নাকি চোয়ালে তা নির্ধারণ করে কে? কলম থেকে কি-প্যাডে তিনি এসেছেন, বাক্ থেকে বাচালতায় তিনি উঠেছেন, বাণী থেকে খিল্লি হয়ে তিনি বহুব্যাপিনী হয়েছেন। বীণাপাণির বীণার স্পেলিং আজ অবাধে “বিনা” হয়ে বীণাকে মুক্তি দিয়েছে।
শীতের সময়ে শুষ্ক চোখের সমস্যায় অনেক মানুষই জর্জরিত হয়ে পড়েন। তার উপরে বিভিন্ন কারণে চোখের ক্লান্তি বাড়লে তা আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে। কী ভাবে এই সমস্যা দূর করবেন? আমাদের দৈনন্দিন কাজের চাপে চোখ দু’টিই অবহেলিত হয় সবচেয়ে বেশি। বৈদ্যুতিন যন্ত্রের নীল আলো রেটিনার উপর এমন প্রভাব ফেলে, যে চোখ সহজেই যেন ক্লান্ত হয়ে পরে। তার ফলে চোখ দিয়ে অনবরত জল পড়া, চোখে ব্যথা এমনকি মাথাযন্ত্রণার মত সমস্যা দেখা দেয়।
‘ইন্দ্রাণী’ ছবি উত্তম-সুচিত্রার আরও একটি ম্যাগনাম ওপাস। যে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই ছবিতে তা যেন ফুলে ফলে ভরে উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই বছরে তাদের সাফল্যের হার যে মান স্পর্শ করেছিল ‘ইন্দ্রাণী’ ছিল তার জিয়নকাঠি। অনেক ভেবেচিন্তে ছবির কর্তৃপক্ষ, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের একটি কাহিনি উপজীব্য করেছিলেন এ ছবির জন্য।
যে বীরহৃদয় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছিল, মোহভার ও বৈকল্যের চোরা স্রোতে হতোদ্যম হয়েছিল, সেই বীরহৃদয়েই অনুরণিত হচ্ছে এক সঙ্গীত। সে সঙ্গীতের মূর্চ্ছনা যেন তার শোণিতধারায় বহমান হয়ে তাকে উজ্জীবিত করছে, অন্তর্লোকে সঞ্চিত অজ্ঞানতমিস্রা দূর হয়ে যাচ্ছে শ্লোকে শ্লোকে। শোকোত্তীর্ণ, মোহোত্তীর্ণ জীবনের বাঁকে বাঁকে ঘনায়মান অন্ধকারে স্নিগ্ধ সন্ধ্যাদীপের আলো জ্বলে উঠছে অজস্র, অগণ্য।
মানুষের বিপন্নতা বরাবরই সৌম্যেন্দ্রনাথকে বিব্রত করত। সমস্ত বাধা প্রতিবন্ধকতা অগ্রাহ্য করে বেরিয়ে পড়তেন, বিপন্ন মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। সাহায্য করতেন। উত্তরবঙ্গের এই বন্যাপীড়িত মানুষজনকে সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠনের ডাক দিয়েছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র। সেই ডাকে সৌম্যেন্দ্রনাথ ও তাঁর পিসেমশায় নগেন্দ্রনাথ দু’জনে বেরিয়ে পড়েছিলেন উত্তরবঙ্গের পথে।