অনেকেই মনে করেন, মোটা হলেই বুঝি ফ্যাটি লিভার বাসা বাঁধে শরীরে। তবে এই ধারণাও ভুল, রোগারাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রোজের নানা অভ্যাসের জেরে অনেক অল্পবয়সিও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
অনেকেই মনে করেন, মোটা হলেই বুঝি ফ্যাটি লিভার বাসা বাঁধে শরীরে। তবে এই ধারণাও ভুল, রোগারাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রোজের নানা অভ্যাসের জেরে অনেক অল্পবয়সিও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ঠাকুরের সঙ্গে পরিচিত হবার পর কিছুদিন পরে যোগেন মা একদিন দক্ষিণেশ্বরে আসেন। তিনি তাড়াতাড়িতে খেয়ে আসতে পারেননি জেনে ঠাকুর বলেন, ‘আহা, তুমি খাওনি, নহবতে যাও, সেখানে ভাত, তরকারি আছে, খাও গে’। সেই প্রথম দেখা হয় মা সারদার সঙ্গে যোগেনমার।
শিশুর জন্ম স্বাভাবিকভাবে হোক কিংবা সিজার করেই হোক, জন্মের এক থেকে দু’ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। জন্মের পরে যত তাড়াতাড়ি মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করা যাবে, তত তাড়াতাড়ি মায়ের দুধও পর্যাপ্ত পরিমাণে নিঃসরণ হতে শুরু করবে।
আমরা মুখের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কত কি মুখে মেখে থাকে কখনও ব্যবহার করি দই কেউ কেউ বা ব্যবহার করে থাকি হলুদ মুলতানি মাটি মধু আরো কত কি? কিন্তু আমরা কখনওই আমাদের মুখেরই অংশ ঠোটের পরিচর্যায় ততটা নজর দিয়ে থাকি না। কিন্তু যদি আমরা একটু খেয়াল করি মুখের মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ত্বক হল ঠোঁটের। তাই ঠোটেরও অবশ্যই যত্নের প্রয়োজন
আমাদের পরিবেশে এতো দূষণ যে শুধু নিজের দোষেই ত্বক বুড়িয়ে যায় না। তার পেছনে রয়েছে অনেকগুলি কারণ। তবে অকালে ত্বকের বয়স বেড়ে যাওয়া রুখতে একদিন চর্চা করলে হবে না। নিয়মিত মেনে চলতে হবে নিয়মগুলি। কোন কোন নিয়ম মেনে চললে বয়স ধরে রাখতে পারবেন?
উপভুক্তধন সোমিলককে দেখে এবং তাঁর পরিচয় পেয়ে একেবারে উঠে এসে অভ্যর্থনা করে ঘরের মধ্যে নিয়ে গেল। উপভুক্তধন তাঁকে যথেষ্ট সমাদর করে অনেক ভোজ্যদ্রব্য দিলেন। রাত্রে বিশ্রামের জন্য কিছু বস্ত্র এবং মনোরম একটা বিছানাও দিলেন। সোমিলক সেই ভব্যশয্যায় বেশ আরামে নিদ্রা গেল। স্বপ্নে আবার সে ওই দু’জন পুরুষকে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে শুনল।
১২৮৯ বঙ্গাব্দ। মহারাজা বীরচন্দ্র তাঁর প্রিয়তমা রানি ভানুমতীর অকাল মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান। শোকাকুল হৃদয়ে রাজা কবিতা লিখে শোকভার লাগবে সচেষ্ট। ঠিক এমনই একটা সময়ে মহারাজা বীরচন্দ্রের হাতে আসে তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথের ‘ভগ্ন হৃদয়’।
বোধিসত্ত্ব সে জন্মে রাজা ব্রহ্মদত্তের এক প্রধান অমাত্য হয়ে রাজসন্নিধানে রাজসেবা করছেন। বারাণসীরাজ ব্রহ্মদত্ত অত্যন্ত বাচাল ছিলেন। রাজপদে আসীন থেকে এমন বাচালতা কাম্য নয়, উল্টে তা বিপদ ডেকে আনতে পারে। অমাত্য সুযোগের অপেক্ষা করতে লাগলেন, অপেক্ষা করতে লাগলেন একটা যথাযথ দৃষ্টান্তের, যার সাহায্যে তিনি রাজাকে সচেতন করতে পারবেন।
প্রিন্স দ্বারকানাথের কর্মকাণ্ডের ভুল ব্যাখ্যা হয়ে চলেছে। সঠিক মূল্যায়নে কারও কারও কুণ্ঠা আছে। বুঝে না বুঝে তাঁর কর্মকাণ্ডের অপব্যাখ্যা হচ্ছে। ইংরেজ সরকারের সঙ্গে দ্বারকানাথের আপাত সখ্যকে কেউ ভেবেছেন প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। সখ্য যদি কিছু থেকেও থাকে, ভিতরের নয়, বাইরের। একেবারেই প্রয়োজনভিত্তিক। ব্যবসা-বাণিজ্য চালানোর জন্য তার প্রয়োজন ছিল। কত রকমের, কত ধরনের ব্যবসা। ব্যাঙ্ক-ব্যবসা থেকে কয়লাখনি, এমনকি চা-বাগানও। অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছেন ব্যবসায়।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মাহাত্ম্য শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাকে ঘিরে রেখেছে। তবে বাহ্য প্রদর্শনে, ধর্মীয় আচারের পালনেই তার সার্থকতা নয়। তার সাফল্য অন্তর্গত গীতিময় বাণীর ধারণে, যাপনে, উপলব্ধিতে।
গৃহপালিত সারমেয়রা সাধারণত যে কোনও খাবারে চট করে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না। এখন অবশ্য সর্বত্র কুকুরের জন্য শুকনো খাবার পাওয়া যায় ঠিকই, তবে বাড়িতে বানিয়ে কুকুরের খাবার সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।
মেয়েটির উত্তর শেষ হতে না দিয়েই মাঝবয়েসী লোকটিকে কথাটা বলে ঘরের দিকে হাঁটা দিলেন টেক সলিউশন কলকাতার ফাউন্ডার সিইও অতনু সেন! বড় বড় পা ফেলে দূরের খোলা জানালার আলোর দিকে অপসৃয়মান ঝকঝকে অতনু সেনকে দেখতে দেখতে দিয়া ভাবছিল, ঠিক সিনেমায় যেমন হয়।
আমাদের জেনে রাখা দরকার যে, বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে সংশ্লেষের মাধ্যমে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। কারিপাতা মাথার ত্বকে সেবাম উৎপাদন এবং ক্ষরণের সমতা বজায় রাখতেও খুবই উপকারী।
যেহেতু এটি সুন্দরবন এলাকার মধ্যে এবং একসময় নোনা জলের জোয়ার-ভাটা খেলত তাই এখন মিষ্টি জলের জলাশয়ে রূপান্তরিত হলেও অতীতের গেঁওয়া ও হরগোজা গাছ প্রচুর জন্মে রয়েছে এই ঝিলের ধারে। এই ঝিলের মালিকানা এখন আমাদের স্কুলের হাতে। স্বচ্ছ জল। মাঝে মাঝে দ্বীপের মতো কচুরিপানার দল। জলে নানা ধরনের যথেষ্ট মাছ আছে। মাঝে মাঝে বেশ লাফায়। পানকৌড়িকে দল বেঁধে ডুব দিতে দেখি।
রাতে ডিনারের পর সামান্য পড়াশোনা করেন সত্যব্রত। এ-তাঁর অনেককালের অভ্যাস। এর আগে যে-ব্লকে ছিলেন, সেখানে পেশেন্টের চাপ খুব বেশি ছিল। দিনরাত বলে আলাদা কিছু ছিল না। লেবার রুমের বেড খালি থাকত না কখনই। তার উপর রাতবিরেতে কেউ মদ খেয়ে মাথা ফাটিয়ে এসে হাজির হতো, কেউ আবার সন্দেহজনক আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে হাজির হত। পেশেন্টপার্টির ছিল মাথা গরম। ডাক্তার যেন ভগবান।