একটি নাটকের দল চালাচ্ছেন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেড় দশক ধরে। দলের নাম বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমি এবং চিকিৎসকের নাম অমিতাভ ভট্টাচার্য। ইএনটি বিশেষজ্ঞ। ১৫ বছরে এরা ১২টি প্রযোজনা করেছেন।
একটি নাটকের দল চালাচ্ছেন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেড় দশক ধরে। দলের নাম বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমি এবং চিকিৎসকের নাম অমিতাভ ভট্টাচার্য। ইএনটি বিশেষজ্ঞ। ১৫ বছরে এরা ১২টি প্রযোজনা করেছেন।
সেই পুরনো সময়ে পাড়ায় পাড়ায় ছোটখাটো পত্রিকা বের হতো হাতে লিখে স্টেশনে বা বাসস্ট্যান্ডে দেয়াল পত্রিকার খুব চল ছিল। বাড়িতে বাড়িতে নিয়মিত গানবাজনার চর্চা ছিল। অনেক নাটকের দল নিয়মিত অভিনয় করত। পাড়ায় পাড়ায় একাঙ্ক নাটকের প্রতিযোগিতা হতো। দুর্গাপুজোর পরে লক্ষীপুজো থেকে কালীপুজোর মধ্যে বেশ কিছু জায়গায় নানা বয়সের সকলে মিলেমিশে সাড়ম্বরে নাট্য উদযাপন করতেন।
গত শতকে সাতের দশকের সুন্দরবন অঞ্চলে হাতে গোনা দু’একটি বাড়িতে হয়তো শৌচাগার ছিল। গ্রামের মানুষ খোলা মাঠেই প্রাতঃকৃত্য সারত। যেসব জমির আশেপাশে ঝোপঝাড়ের সংখ্যা বেশি তার আড়ালেই মানুষ প্রাতঃকৃত্য সারত। ভোরের আলো ফোটার আগে গ্রামের মহিলারা প্রাতঃকৃত্য সারতে সেইসব জমিতে চলে যেত।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা একজন জীবনযোদ্ধাকে যখন জীবনের পাঠ দিচ্ছেন, নির্দেশ করে দিচ্ছেন সত্যপথ, উদ্বোধিত করতে চাইছেন অন্তরের সুষুপ্ত বোধকে, তখন সেখানেও জ্ঞান ও অজ্ঞানের স্বরূপ উন্মোচন ও উপলব্ধির মধ্য দিয়েই সাধক, বীর কিংবা সংসারী গৃহস্থ অথবা মূঢ়চেতা হীনবল মানুষ আত্মশক্তি অর্জন করতে করতে উত্তরণের পথ পেতে চায়।
পিশাচপাহাড় নামক টিলাপাহাড়ের পিছনদিকেই পিঁধারহাটি গ্রাম। পিছনদিক এই কারণে বলা হচ্ছে, পিশাচপাহাড় নামক টিলার উপরের দিকে যেখানে কালাদেওর গুহা আছে, তার মুখটি যেদিকে, তার বিপরীত দিকে এই পিঁধারহাটি। পিশাচপাহাড়ের পূবদিকে পিশাচপাহাড় গ্রাম, পশ্চিমদিকে ধুঁন্ধুডাঙা, আর দক্ষিণে পিঁধারহাটি। উত্তরদিক অর্থাৎ যেদিকে গুহার মুখ, সেইদিকে কেবল কয়েক ক্রোশের মধ্যে কোনও গ্রাম নেই।
বাঙালি মানেই মিষ্টি। এমনিতে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। পুজো মানেই মিষ্টিমুখ করা। আর বাঙালি মানেই কম বেশি মিষ্টি খেতে ভালোবাসে। তবে মিষ্টি খাওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। একটা বিষয় খেয়াল করে দেখেছেন কি, মিষ্টি খাওয়ার পরে আমাদের খুব জল খেতে ইচ্ছে করে। যদিও মিষ্টি খাওয়ার পরে জল খাওয়ায় কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মিষ্টি খাওয়া পরে জলপান কি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? কী বলছেন পুষ্টিবিদ? মিষ্টি খাওয়ার পরে জল খেলে কী কী উপকার মিলবে? শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থেকে ● মিষ্টি...
একমাস আগেই যে জায়গাগুলোকে দেখলে মনে হতো অন্ধকারের শহর, মৃতের শহর, সাদা বরফের চাদরের ভিতরে যার হারিয়ে গেছে সব কিছু; আজ সেখানে শুধুই আলোর উদযাপন, জীবন যাপন, শুধুই রঙের খেলা, উৎসবের মেলা। তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরও সব অন্য রকমের অ্যাডভেঞ্চার সেই সমস্ত কথাই এ বার বলবো এই অধ্যায়ে।
‘রাজর্ষি’ পুস্তকাকারে প্রকাশের কয়েক বছর পর রবীন্দ্রনাথ ‘বিসর্জন’ নাটক লেখেন। ঠাকুর পরিবারের মাসিক পত্রিকা ‘বালক’-এর চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই একদিন ‘রাজর্ষি’ ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হতে শুরু হয়েছিল। ব্যতিক্রম নয় বিসর্জনও। ঠাকুর পরিবারের বালকদের অভিনয়ের সূত্রেই সৃষ্টি হয়েছিল ‘বিসর্জন’।
শীত বিদায় নিয়েছে। বাতাসে শুষ্ক ভাবও আর ততটা নেই। তবু ত্বক থেকে খোসা উঠছে। নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখে ক্রিম ও ময়েশ্চারাইজারও মাখছেন। এতেও ত্বকের সমস্যা মিটছে না। মনে রাখতে হবে, ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে কেবল বাইরে থেকে যত্ন নিলে চলবে না, পুষ্টির জোগানও চাই।
প্রতিমা দত্ত থেকে প্রফেসর বিশ্বদীপ চৌধুরীকে বিয়ে করে প্রতিমা চৌধুরী। দু’জনের কোনও সন্তানাদি ছিল না। বিশ্বদীপ চৌধুরী পড়াশোনার জগতের মানুষ। বিদেশের নানান বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব ভালো যোগাযোগ ছিল। মোটামুটি প্রতিমার সঙ্গে একটা রফা করে বিশ্বদীপ বছরের বেশির ভাগ সময়টা বিদেশেই থাকতেন।
সরযূদেবী রাধাষ্টমীর দিন মা সারদার সঙ্গে দেখা করতে এসে দেখেন যে, তিনি স্নানে যাবেন বলে তেল মাখছেন। এই সময়ে প্রণাম করতে নেই বলে তিনিও করেননি। লৌকিক জীবনে জগজ্জননীও লৌকিক মর্যাদা রক্ষা করে চলেন। মা সারদা গঙ্গাস্নান করে আসার পর তিনি তাঁর শ্রীচরণের পুজো করেন ফুলচন্দনাদি দিয়ে। শ্রীমা তাঁর পায়ে তুলসীপাতা দিতে নিষেধ করেন।
রাম, চিত্রকূটে দীর্ঘদিন বাস করছিলেন। কারণ সীতার কাছে স্থানটি প্রিয় মনে হবে, এই কামনায় এবং নিজের সন্তুষ্টির জন্যও এই পাহাড় বন তাঁর প্রিয় হয়েছিল। রাম, সীতাকে চিত্রকূটের বিচিত্র সৌন্দর্য দেখাতে লাগলেন ঠিক যেমন ইন্দ্র, স্ত্রী শচীকে শোভা দর্শন করান তেমন। তিনি অকপটে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে লাগলেন।
শীতকাল চলে গিয়ে প্রায় বসন্তের স্পর্শ লাগতে শুরু করেছে প্রকৃতিতে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তন আমাদের মনের সঙ্গে সঙ্গে শরীরেও নানান রকম পরিবর্তন আনে। ফলস্বরূপ এই সময় চুল আঁচড়ালেই অনেকের গোছা গোছা উঠে আসছে। মাথায় নানান রকম সংক্রমণ বা খুশকি দেখা দিচ্ছে। নানা রকম হেয়ার-প্যাক মেখেই কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।
বারাণসীর নগরে ঘুরতে ঘুরতে বনচর দন্তকারবীথীতে প্রবেশ করল। সেখানে গজদন্তের বিবিধ দ্রব্য নির্মিত হয়। সে কথা বলে জানলো যে মৃতহস্তীর তুলনায় জীবিত হস্তীর দন্তের মূল্য অধিক, চাহিদাও বেশি। তখন সে একটি সুতীক্ষ্ণ করাত ও কিছু পাথেয় নিয়ে বেরিয়ে পড়ল।