সবাই বলে আগেকার দিন ভালো ছিল এখনটা খারাপ। ঘেঁচু ভালো ছিল মশাই! কোনওদিন দেখেছেন হেমন্ত আর মান্না দে একইসঙ্গে বসে গান গাইছেন। দেখেছেন কখনও সতীনাথ আর শ্যামল মিত্তির পাশাপাশি বসে জলসায় গল্প করতে করতে গাইছেন? এখন সেটা দেখছেন!
সবাই বলে আগেকার দিন ভালো ছিল এখনটা খারাপ। ঘেঁচু ভালো ছিল মশাই! কোনওদিন দেখেছেন হেমন্ত আর মান্না দে একইসঙ্গে বসে গান গাইছেন। দেখেছেন কখনও সতীনাথ আর শ্যামল মিত্তির পাশাপাশি বসে জলসায় গল্প করতে করতে গাইছেন? এখন সেটা দেখছেন!
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা বেশি থাকবে। তার পরে কমতে পারে তাপমাত্রার পারদ। তবে অস্বস্তি জারি থাকবে। আপাতত উত্তরবঙ্গে আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বদল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার দার্জিলিঙে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মৌটুসি পাখিরা মধু খেতে ভালোবাসে বলে হিন্দিতে এদের বলে সক্করখোরা। তবে ইংরেজিতে এদের নাম পার্পল রামপ্ড সান বার্ড (Purple Rumped Sun Bird)। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Nectarinia zeylonica’। লম্বায় এরা হয় দুর্গা টুনটুনিদের মতোই প্রায় চার ইঞ্চি। আর দুর্গা টুনটুনির মতো মৌটুসি পুরুষদের রূপলাবণ্য অতুলনীয়। মাথার চাঁদির রঙ ঝকঝকে বটলগ্রীন। সূর্যের আলো পড়ে যেন প্রতিফলিত হচ্ছে মনে হয়।
উন্মেষা একটু আনমনা হল অঞ্জনের কথা শুনে। তারপর মৃদু স্বরে বলল, “তুমি ওয়াশরুমে যাও। উত্তেজনা শান্ত করে এসো। না হলে সারারাত ঘুমাতে পারবে না! আমি একটু বারান্দায় যাবো। খোলা হাওয়ায় গিয়ে দাঁড়াতে ইচ্ছে করছে!”
সবে চৈত্র মাসের ১৫ তারিখ হয়েছে। এখনই জানান দিচ্ছে গরম। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা চড়ছড়িয়ে বাড়ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সাতটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে। বেশ কিছু জায়গায় তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছে।গতকাল শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের কমবেশি আটটি জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি! ওই তালিকায় দমদমও জায়গা করে নিয়েছে। শুক্রবার দমদমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ তাপমাত্রার পারদ ঝাড়গ্রাম বা পুরুলিয়ার থেকেও বেশি। দমদম...
একটা সময় ছিল, অভিনয়ে “নামতে” হতো। সিনেমা কিংবা থ্যাটার দেখা খুবই গর্হিত কাজ ছিল। আবার, নাটকে লোকশিক্ষা হয়। মানুষ একটা ছদ্মের ঘেরাটোপে সত্যের উদ্ভাসন দেখে। দেখেন সহৃদয় সামাজিকরা। গতকাল ছিল বিশ্ব নাট্যদিবস। সংস্কৃত নাটক অভিজ্ঞানশকুন্তলমের নাম বিশ্ববন্দিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের সিলেবাস যে পাঠ্যটি ছাড়া ভাবা যায় না, সেটি ওই দুষ্যন্ত শকুন্তলার নাটক।
এখানে লোক জনের কাছে একটা ছোট নিজস্ব বিমান থাকা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যেহেতু রাস্তাঘাট এখনও অনেক জায়গাতেই ভালো ভাবে তৈরি হয়নি সেহেতু অনেক ক্ষেত্রেই ওই বিমানই ভরসা কোথাও যাওয়ার জন্য। সে সব গল্পে পরে আসছি।
কফি খেতে ভালোবাসেন? প্রায়ই কাজের ফাঁকে কফির কাপে চুমুক দেন? এতে অবশ্য কাজের একঘেয়েমি কাটে। আবার কফিতে চুমুক দিলে মেজাজটাও চনমনে হয়ে ওঠে। আবার কফি খাওয়ার মাঝে সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের কথাও সেরে নেওয়া যায়।এদিকে গবেষণা বলছে, ক্যাফিনের পরিমাণের নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতির ঝুঁকিই বেশি থাকে। এ প্রসঙ্গে বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, তবে সব কফিতেই এমন সম্ভাবনা আছে, তেমন আবার নয়। তবে গবেষণায় এও দেখা গিয়েছে, নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ ‘আনফিল্টার্ড’ কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে রক্তে ‘এলডিএল’ বা ‘খারাপ’ কোলেস্টেরলের মাত্রা...
‘অবসেশন’ কথাটার শুদ্ধ বাংলা হল আবেশ! কেউ কারও প্রতি আবিষ্ট থাকতে পারে। এই যেমন বুবু আমার একমাত্র সহবাসী প্রাণী। মানে আমার কাকাতুয়া যে আমায় শুধু বিশ্বাস করে, পছন্দ করে, ভালোবাসে তেমনটা নয়, বুবু আমার প্রতি একটা অধিকারবোধ অনুভব করে। মোটামুটি বাড়িতে আমি একা থাকলে বুবু খাঁচার বাইরে থাকে।
মা সারদা তাঁর ইহজীবনের শেষের দিকে প্রায়ই অসুস্থ হতেন। তবে তাঁর ঠাকুরের মতোই শরীরের অসুস্থতা মনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। ঠাকুরের স্নেহধন্য ভক্ত বলরাম বসুর পুত্র রামকৃষ্ণ বসু তাঁর দেহত্যাগের দু’চারদিন আগে একটি উইল করে যান। তখন শ্রীমা অসুস্থ হয়ে উদ্বোধনে ছিলেন। ওই উইল তৈরির পরদিন বিকেলেই শ্রীমার সেবিকা সরলাদেবী তাঁর কাছে উইলের কথা জানিয়ে বলেন যে, রামবাবু তাঁর উইলে ঠাকুরসেবা আর সাধুসেবার জন্য প্রচুর টাকার ব্যবস্থা করেছেন।
কৃষ্ণের অনুমান, অন্য বিবাহরীতিতে এত সব দোষ পর্যালোচনা করে অর্জুন, ক্ষত্রিয়ধর্মানুসারে কন্যাকে বলপূর্বক হরণ করেছেন। অর্জুন বীর এবং সুভদ্রাও যশস্বিনী। এই সম্বন্ধ যথাযোগ্য। তাই অর্জুনের এই বলপূর্বক অপহরণ। ভরতবংশজাত, শান্তনু রাজার উত্তরসূরী, রাজা কুন্তীভোজের কন্যার পুত্র, অর্জুন কার প্রার্থিত নয়? অর্জুনের প্রবাদপ্রতিম বীরত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন কৃষ্ণ।
অনেক কাল পূর্বে যখন গান্ধারদেশের রাজগণ তক্ষশিলায় বাস করছেন তখন বোধিসত্ত্ব গোজন্ম লাভ করেছিলেন। তিনি যখন নিতান্তই শিশু, তখন গোবৎসটিকে এক ব্রাহ্মণ জনৈক দাতার থেকে দক্ষিণারূপে লাভ করেছিলেন। সেই ব্রাহ্মণের আলয়ে অতি যত্নে পুষ্টিকর আহার্যে তিনি পুত্রনির্বিশেষে প্রতিপালিত হতে থাকলেন, তাঁর নাম হল নন্দিবিলাস।
অসমীয়া লোক-সাহিত্যে দেবী দুর্গার প্রসঙ্গ এসেছে বহু বার। কামাখ্যা মন্দির ছাড়াও অসমে বিভিন্ন সময় দেবী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পূজিতও হয়েছে। কোঁচ রাজত্বকাল থেকেই অসমে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। তবে সেই সময় রাজ পরিবারের মধ্যেই সেই পুজো সীমিত ছিল বলে জানা যায়। শোনা যায়, কোঁচ রাজা ধর্ম নারায়ণ দেবী মনসা এবং দেবী দুর্গার পুজোর প্রচার করেছিলেন।