আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত একই পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবারের পর থেকে বৃষ্টি আরও বাড়বে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত একই পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবারের পর থেকে বৃষ্টি আরও বাড়বে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
বাঁশদ্রোণীতে ছোট্ট বাড়ি! নীলিমার মাসি এবং মেসো দুজনেই চাকরি করেন। মাসি ক্যালকাটা কর্পোরেশনে আর মেসো রয়েছেন হাওড়ার একটি কারখানায় সকালবেলায় বাবা-মা ছেলে তিনজনেই খেয়ে টিফিন নিয়ে বেরিয়ে যান। ভোরবেলায় রান্নার লোক চলে আসে। সকালবেলাটা খুব হুড়োহুড়ি, সবাই খুব ভোরে উঠে পড়েন, তাড়াতাড়ি শুতে যান! শুধু শনিবারটা বেনিয়ম।
আমাদের গ্রামের বাড়ির সামনে যে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা খেলা একটা খাল ছিল তা আগে বহু লেখায় বলেছি। আর সেই খালের দু’পারে ছিল নানা ধরনের ম্যানগ্রোভ বা ম্যানগ্রোভ সহযোগী উদ্ভিদের ঝোপ। ওই খালের সাথে সংলগ্ন আমাদের দুটো নোনা জলের পুকুরও ছিল। সেই পুকুরের পাড়েও ছিল নানা গাছের ঝোপ। আবার আমাদের বাড়ির পুবদিকে প্রায় ২০০ ফুট দূরে ওই খালের সাথে সংলগ্ন ছিল একটা নালা। গ্রামের ভাষায় আমরা বলি পয়না।
চেয়ারটির রং এককালে কী ছিল তা বলা মুশকিল, তবে সেটা যে কখনই এখনকার মতো ফ্যাকাশে রঙের ছিল না, তা বলাই যায়। স্টিলের ট্র্যাঙ্কগুলি যেদিকে রাখা তার প্রায় বিপরীতদিকে একখানা ছোট তক্তোপোষে বিছানা-বালিশ টানটান করে পাতা। দেখেই মনে হচ্ছে কেউ শোয় না। এমনকি এই মঙ্গল ওঝাও নয়। তক্তোপোষের নিচে কিছু বাতিল জিনিসের সঙ্গে কিছু কার্ডবোর্ডের বাক্স রাখা, সম্ভবত জুতোর বাক্স।
বিবাহ বার্ষিকীর দিন যাত্রা শুরু করলাম। স্ত্রীকে বলেছি আলাস্কার দক্ষিণ দিকে রয়েছে মনোরম গ্লেন হাইওয়ে। সে দিকটায় যাওয়া হবে। আর ঘর থেকেই বিবাহবার্ষিকীর কেক ও তুলে নেওয়া হয়েছে। স্ত্রীকে বলেছি যে রাস্তায় যে জায়গাটা মনে হবে খুব সুন্দর সেখানেই আমরা বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করবো। গ্রীষ্মকালে এই জিনিসটা আমরা মাঝে মাঝেই করে থাকি।
শান্তিনিকেতনের নৃত্য ধারায় প্রত্যন্ত রাজ্য ত্রিপুরার সামান্য ভূমিকা আজ অসামান্য গর্বের সঙ্গেই এক স্মরণযোগ্য ঘটনা বলা যায়। সে এক ইতিহাস। এক রাজবংশের চারজন রাজার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যোগাযোগ কিম্বা প্রাসাদ রাজনীতির ডামাডোলই শেষ কথা নয়। ছিল আরও অনেক কিছু। নীরবে যেন খুলে গিয়েছিল এক বিরাট সম্ভাবনার দুয়ার।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝড়ের পূর্বাভাস। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুক্রবারই দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় কালবৈশাখী হতে পারে। কলকাতায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে । তবে এর জন্য তাপমাত্রায় তেমন বদলের সম্ভাবনা নেই।
শুনেছি বায়োকেমিক ওষুধ ঠিক মতো ডায়াগনেসিস হলে রোগীর ম্যাজিকের মতো কাজ হয়। ধৃতিমানের মেসেজটাতেও ঠিক সেরকম কাজ হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে না হলেও ঘণ্টা চারেক পরে একটা মেসেজ এসেছিল ইংরেজিতে। ‘Out of Town will call back soon’. তারপর কল আর আসে না… দিন ছয়েক বাদে হঠাৎ ভরসন্ধে বেলায় একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন।
রামকে তাঁর প্রাপ্য রাজ্যাধিকার ফিরিয়ে দিতে ভরত এসেছেন চিত্রকূট পর্বতে। ভরতের উদ্দেশ্যে রামকে সঙ্গে নিয়ে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে বিপুল সৈন্যবল। অনেক অনুসন্ধানের পরে শ্বাপদসঙ্কুল নিবিড় অরণ্যে রামের আশ্রম হতে নির্গত ধূমশিখা দেখে, ভরত, রামের আশ্রয় সম্বন্ধে নিশ্চিত হলেন। রামের দর্শনলাভের জন্য উৎসুক ভরত, শত্রুঘ্নকে রামের বাসস্থানটি দেখালেন।
আজ দুর্গাষ্টমী। শ্রীমায়ের চরণপুজোর জন্য তাঁর পায়ে ভক্তদের দেওয়া ফুলবেলপাতার স্তূপাকার হয়েছে। এমন সময়ে বহুদূর থেকে তাঁর কাছে তিনজন গরীব পুরুষ আর মহিলারা দর্শন করতে এসেছেন। তারা একবস্ত্রে ভিক্ষা করে টাকা জোগাড় করে পথের খরচ চালিয়ে এসেছেন। এদের মধ্যে একজন পুরুষভক্ত শ্রীমার সঙ্গে গোপনে কথা বলেই চলেছেন।
এপ্রিল মাস শুরু হল। “এপ্রিল ফুল” কেন আর কীভাবে এই জগতে নেমে এসেছিল তা নিয়ে ইতিহাস ধন্দে আছে, তাই দ্বন্দ্ব-ও আছে বৈকী। তবে শোনা যায়, পোপ গ্রেগরি জর্জিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করলে পয়লা জানুয়ারি থেকে নববর্ষের সূচনা হয়। তখনও যারা জুলিয়ান ক্যালেন্ডার মেনে পয়লা এপ্রিল থেকেই নববর্ষ গুণতে চেয়েছিল তাদের জন্য এই বোকা-দিবসের আয়োজন। চসারের “ক্যান্টারবারি টেলস” বত্রিশে মার্চ বা পয়লা এপ্রিলের কথা বলে, এককথায় অসম্ভবের সম্ভাবনা।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার এবং রবিবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে। সেই সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। রবিবার মালদহে বৃষ্টি হতে পারে। আগামী উত্তরবঙ্গের আট জেলাতেই সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিবেশ বা নারীর প্রতি পিতৃতান্ত্রিক সমাজের শোষণ মূলক ধারণার আদল বদলালেও নারীদের আন্দোলন কিন্তু থেমে যায়নি। ২০১৮ সালের ষোল বছরের ছাত্রী গ্রেটা থানবারগ এর আন্দোলনের কথা ভুলে গেলে হবে না। ভারতের লিসি প্রিয়া কাঙ্গুজামের কথাও ভুলে গেলে চলবে না। সেও গ্রেটা থুনবার্গ-এর আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ ভাষার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
খ্রিস্টান মিশনারিরা খ্রিস্টধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে ১৮৩৬ সালে শদিয়াতে ছাপাখানা নিয়ে আসে। তবে ‘অরুণোদয়’কে সেই অর্থে খবরের কাগজ বলা যায় না। কারণ এই কাগজের মূল উদ্দেশ্য ছিল খ্রিস্টধর্ম প্রচার। প্রথমদিকে ‘অরুণোদয়’-এর সম্পাদক ছিলেন নাথান ব্রাউন। নিত্য দিনের বিভিন্ন ঘটনা সমূহ এখানে ছাপা হতো না। দেশ-বিদেশের গল্প, বিজ্ঞানের কিছু কথা ইত্যাদিই থাকত তাতে। তারপর ১৮৭১ সালে এল ‘আসাম বিলাসিনী’।
দুসংবাদ। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে এপ্রিল-জুন মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি দিন তাপপ্রবাহ চলতে পারে! তুলনামূলক ভাবে গরমের অস্বস্তিও বেশি থাকতে পারে।