তড়িঘড়ি গিয়ে ফোনটা তুললাম। ফোন তোলা মাত্রই সে বলতে শুরু করলো। কোনও রকম সম্ভাষণ কিছু না করেই সটান আমাকে আর আমার সহধর্মিণীকে তক্ষুনি তৈরি হয়ে নিতে বললো। তারা নাকি ইতিমধ্যেই রাস্তায়। এখনই আসছে গাড়ি নিয়ে আমাদের তুলতে।
তড়িঘড়ি গিয়ে ফোনটা তুললাম। ফোন তোলা মাত্রই সে বলতে শুরু করলো। কোনও রকম সম্ভাষণ কিছু না করেই সটান আমাকে আর আমার সহধর্মিণীকে তক্ষুনি তৈরি হয়ে নিতে বললো। তারা নাকি ইতিমধ্যেই রাস্তায়। এখনই আসছে গাড়ি নিয়ে আমাদের তুলতে।
রামের বনগমনে মানসিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। তিনি এই ভোগসর্বস্ব জীবন পরিত্যাগ করে চলেছেন বনবাসে। অনাসক্তি তাঁর মনে, কি প্রয়োজন চতুরঙ্গ সেনার? শ্রেষ্ঠ হাতিটিকে দান করে তার বন্ধনরজ্জুর প্রতি মায়া কেন?
মনোবিদেরা বলছেন, অবসর জীবনের কাছাকাছি পৌঁছনোর আগে থেকেই যদি প্রতি দিনের রুটিনে একটু একটু করে কিছু কাজ আমরা যোগ করতে পারি, তা হলে জীবনের গতি অনেকটা সাবলীল হয়।
চলতি সপ্তাহ উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা ভিজতে পারে। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। রাজ্য জুড়ে রবিবার পর্যন্ত কোনও কোনও এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ। বুধবার আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন পারদ ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ৩৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ছিল ৩২.৭ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিক...
ইন্দুমতী দেবী জানান, শ্রীমা ডুমুরের ডালনা, আমরুল শাক, গিমে শাক, এসব খেতে ভালোবাসতেন। শ্রীমার ছোট ভাই অভয় যখন দেহরক্ষা করে, তাঁর স্ত্রী সুরবালা তখন গর্ভবতী। তিনি সেসময় নিজের বাপের বাড়িতে ছিলেন। শৈশবে মাতৃহারা সুরবালা তাঁর দিদিমা ও মাসিমার কোলে বড় হয়েছিলেন।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ প্রয়াত হয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পূর্ণিমাদেবীর মেয়ে ছিলেন প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী। ঠাকুরবাড়ির রান্না নিয়ে তাঁর বইটি রন্ধনরসিকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। তিনি ছিলেন লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার সহধর্মিণী। অত্যন্ত মেধাবী আর গুণী দম্পতির চারটি মেয়ে—সুরভি, অরুণা, রত্না ও দীপিকা।
শুধু মানুষই বা কেন, বাইরে থেকে দেখে বেদানার চরিত্রও বোঝা বেজায় মুশকিল! প্রায় সবাই জানেন, বেদনা স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর একটি ফল। খেতেও সুস্বাদু।
ত্রিপুরায় সুদূর অতীতকাল থেকেই হোলির এক ঐতিহ্য রয়েছে। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতকে মাণিক্য রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীতে হোলি উৎসবের তথ্য পাওয়া যায় ইতিহাসে। মহারাজা বীরচন্দ্রের রাজত্বকালে ত্রিপুরায় হোলি অন্যতম এক প্রধান উৎসবে পর্যবসিত হয়েছিল।
সোমবার দোলের দিন সন্ধ্যায় ভিজেছে কলকাতা। বৃষ্টির সঙ্গে বয়েছে ঝোড়ো হাওয়াও। আজ মঙ্গলবারও বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের এমনই পূর্বাভাস।
নলিনী দিদি শ্রীশ্রী মাকে জিজ্ঞাসা করছেন, “পিসিমা লোকের কত ধ্যান, জপ হয় শুনি, আমার কিছু হয় না কেন? তোমার সঙ্গে এতদিন যে রইলাম কই আমার কি হলো?”
দোলের দিন জোড়াসাঁকো-বাড়ির দেউড়ি ‘গমগম’ করত, সে বর্ণনা আছে অবনীন্দ্রনাথের লেখায়। মনোহর সিং ছিল বাড়ির পুরোনো দারোয়ান, দারুণ হাসিখুশি, প্রাণখোলা মানুষ। লম্বা-চওড়া চেহারা। একমুখ সাদা দাড়ি। খালি গায়ে লুঙ্গি পরে বসে মনোহর সিং দাড়িতে দই ঘষতো। হোক না সাদা, সেই সাদা দাড়িতে ঔজ্জ্বল্য আনার জন্যই বোধহয় দই মাখানোর প্রয়াস।
বসন্তের আগমনে দেশের নানা জায়গায় মানুষের মধ্যে যে উৎসব পালিত হয় সেটাই কালক্রমে দোল উৎসব নামে পরিচিত। উত্তর ভারতের লোকেরা অবশ্য এই দোলকে হোলি বলে থাকেন। কিন্তু বাংলা এবং ওড়িশায় এটি দোলযাত্রা নামে পরিচিত।
দোলের সন্ধ্যায় ভিজল কলকাতা। কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ কোনও কোনও এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে বৃষ্টি হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী দু’দিন বৃষ্টি হবে।
সম্রাট জাহাঙ্গীর অবশ্য হাতি আর ধনরত্নের বিনিময়ে রাজ্য ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন যশোধরকে। কিন্তু রাজা বিনয়ের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করে তীর্থে তীর্থে ঘুরে বাকি জীবন অতিবাহিত করেন। বৃন্দাবনে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় একদিন রাজার মৃত্যু ঘটে। মোগল বাহিনী অবশ্য দীর্ঘদিন উদয়পুরে অবস্থান করেনি।