সূর্যের আলো এখানে অনেকটা তির্যক ভাবে পড়ে। কাজেই আলোটা কাছাকাছি পাহাড়ের ঢালে যেখানে সরাসরি পরে সেই খানে বেশ খানিকটা জায়গা হয়ে যায় রোদ ঝলমলে। আর বাকি জায়গাগুলো থাকে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই অন্ধকার।
সূর্যের আলো এখানে অনেকটা তির্যক ভাবে পড়ে। কাজেই আলোটা কাছাকাছি পাহাড়ের ঢালে যেখানে সরাসরি পরে সেই খানে বেশ খানিকটা জায়গা হয়ে যায় রোদ ঝলমলে। আর বাকি জায়গাগুলো থাকে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই অন্ধকার।
“প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন, যত দূরে চাই নাই শুধু নাই’’ —সত্যি চৈত্রের মাঝামাঝি থেকেই পুরো দক্ষিণবঙ্গ যেন সূর্যের প্রখর তাপে জ্বলছে। নেই, বৃষ্টি নেই। এমন শুষ্ক তীব্র গরমের তাপ সহ্য করতে না পারায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে সানস্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন, সর্দিগর্মি, বদহজম এবং ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো সমস্যা।
ঠাকুরবাড়ি নিয়ে গল্পের মালা। মিথ্যে বানানো গল্প নয়, ষোলোআনা সত্যি। কত ধরনের ঘটনা, কোনওটি আনন্দ-সুখের, আবার কোনওটি বা দুঃখ-বিষাদের। সেসব গল্প প্রতি রবিবার ‘সময় আপডেটস’ এ লেখেন পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হ্যাঁ, লেখাগুলি বের হয় ‘গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি’ নামে। সময় আপডেটসের সেই সূচনালগ্ন থেকে নিয়মিত লিখছেন পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
একচক্রা নগরীতে পাণ্ডবদের আশ্রয়দাতা ব্রাহ্মণের পরিবার, এক ঘোর সঙ্কটের সম্মুখীন হয়েছে। কোনও এক রাক্ষসের কবলে পরেছে ব্রাহ্মণ পরিবারটি। পরিবারের মধ্যমণি ব্রাহ্মণ ও তাঁর স্ত্রী রাক্ষসের মুখোমুখি হতে ইচ্ছুক। কন্যাটি পিতামাতার আত্মত্যাগের উদ্যোগ ও পরিণাম শুনে, সেও তার নিজ বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তিজাল বিস্তার করল।
তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দফতর। সতর্কতা জাড়ই করা হয়েছে কলকাতা-সহ পুরো দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা বেড়ে যাবে।
কাজে-অকাজে রোদ থেকে ফিরে এসি ঘরে ঢুকছেন, আবার এসি ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন চাঁদি ফাটা রোদে। এর ফলে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি লেগেই আছে। আর কাশি শুরু হলে তো কমতেই চায় না। বেশি হাঁচি-কাশির ফলে বুকও ব্যথা হয়ে যায়। সারা ক্ষণ নাকেও অস্বস্তি হয়। মরসুমি এই হাঁচি-কাশিকে জব্দ করতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে হবে। তাই মুঠো মুঠো ভিটামিন ওষুধ খেয়ে ভরসা রাখা যায় আয়ুর্বেদে। ঘরোয়া কয়েকটি উপাদান নিয়ম করে খেলে এই মরসুমি এই হাঁচি-কাশির সমস্যা দূর হবে। আদা চা ● আদায় অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এবং প্রচুর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে।...
শ্রীমার সেজভাই বরদাপ্রসাদের স্ত্রী ইন্দুমতীর কথা থেকে জানা যায় যে, তার বড়ছেলে খুদিরামকে মা সারদা খুদির বদলে ‘ফুদি’ ডাকতেন। সে ফল খেতে খুব ভালোবাসত। তার জন্য শ্রীমা কলকাতা থেকে কখনও বা পার্সেল করে ফল পাঠাতেন।
তাপমাত্রা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হবে। আগামী দিনগুলিতে গরমের দাপট নিয়ে এমনই আভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে। হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টি হবে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
উনিশ শতকে মেয়েদের জন্য আঁধার সময়। মেয়েদের আলোর খোঁজ তাদের নিজেদেরই করতে হয়। সেই সময় চিকের আড়াল থেকে সরস্বতীর লীলাকমল হাতে যে মেয়েরা সহজিয়া ভঙ্গিতে এসে দাঁড়িয়েছিলেন সাহিত্যের দরবারে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মানকুমারী বসু।
তীব্র দহন থেকে এখনই রেহাই নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতরও গরম থেকে স্বস্তি না মেলার কোনও খবর শোনাইনি। উলটে আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রার পারদ আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে।
বয়স ৪০ পেরোতে না পেরোতেই ত্বক ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক উজ্জলতা এবং মসৃণতা হারাতে শুরু করে। অবাঞ্ছিত ভাবেই আমরা পেয়ে যাই অনুজ্জ্বল খসখসে ত্বক। ক্রমশ বলিরেখা পড়তে দেখা যায়।
শ্রীরামকৃষ্ণ অনুধ্যানে মাস্টারমশাই দেখছেন, সেই অনন্তের আর এক প্রকাশ ঠাকুরের মধ্যে। তিনি তাঁর স্বরূপ ও ব্রহ্ম, এক করে অনন্তের সন্ধান দিচ্ছেন। ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দের পয়লা জানুয়ারি শ্রীরামকৃষ্ণ প্রাণকৃষ্ণ ও মাস্টার মহাশয়ের সঙ্গে কথা বলছেন। অনেকে এমন আছেন অনেক উচ্চ স্তরের কথা বলেন।
রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকের কালচে দাগও সহজে উঠতে চায় না। এমনকি ত্বকের ক্যানসার হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল এই ক্ষতিকারক রশ্মি। কিন্তু রোদের ভয়ে ঘরে বসে থাকলেও তো কাজ বন্ধ থাকবে না। চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু সতর্কতা মেনে চললে সূর্যের এই ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে রাখা যায়।
দমদমের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মের আধুনিকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর জেরে শিয়ালদহের উত্তর শাখায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়তে পারে।
হাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বায়ুর জেরে তাপপ্রবাহের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই অস্বস্তি বোধ থাকবে ১৫ এপ্রিল, সোমবার থেকে ১৯ এপ্রিল শুক্রবার পর্যন্ত।