দমদমের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মের আধুনিকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর জেরে শিয়ালদহের উত্তর শাখায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়তে পারে।
দমদমের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মের আধুনিকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর জেরে শিয়ালদহের উত্তর শাখায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়তে পারে।
হাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বায়ুর জেরে তাপপ্রবাহের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই অস্বস্তি বোধ থাকবে ১৫ এপ্রিল, সোমবার থেকে ১৯ এপ্রিল শুক্রবার পর্যন্ত।
বীরবিক্রমের রাজত্বকালে ত্রিপুরার উন্নয়নে এক নবদিগন্তের সূচনা ঘটে। সুদৃঢ় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা-সহ শিক্ষা, যোগাযোগ নানা ক্ষেত্রে বহুমুখী উদ্যোগ নেন রাজা। আগরতলা-সহ রাজ্যের অভ্যন্তরে নানা রাস্তাঘাট নির্মিত হয়। কমলাসাগর থেকে দুটি রেলপথেরও মঞ্জুরী দিয়েছিলেন রাজা। রাজধানী আগরতলাকে এক আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করেন তিনি।
কোনও জায়গায় হঠাৎ ব্যথা অনুভব হলে এবং ফুলে গিয়ে থাকলে সেখানে বরফের সেঁক দেওয়া উচিত। এতে শিরা-উপশিরাগুলো সংকুচিত হয়। ফলে ব্যথার মাত্রা ও ফোলাভাব ধীরে ধীরে কমে যায়। তবে একটানা ২০ মিনিটের বেশি সেঁক দেবেন না। এক ঘণ্টা পর পর লেগে যাওয়া জায়গায় মিনিট পনেরোর বেশি গরম সেঁক দেওয়া উচিত নয়।
সাধারণত অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ভাজাপোড়া তৈলাক্ত খাবার, অতিরিক্ত মদ্যপান ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হাজির হয়। কীভাবে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তার এই প্রতিবেদনে রইল কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়।
অগত্য ভরসা হয়ে উঠেছে ফ্যান আর বাতানুকূল যন্ত্র। কিন্তু যন্ত্র যে কোনও সময় বিকল হতে পারে। আবার লোডশেডিং হওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই সব সময়ে যন্ত্রের উপর ভরসা না করে ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে হবে অন্য ভাবে।
এখনই দক্ষিণবঙ্গে এরকম তাপমাত্রা নিয়ে আবহবিদদের মত হল, এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দেশের পশ্চিমের রাজ্যগুলি থেকে শুষ্ক হাওয়া ঢোকে। ফলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
‘হায়রে পোড়া বাঁশি’। এই গানটির অভিনবত্ব লুকিয়ে রয়েছে গানটির ছন্দে। যে ছন্দে তবলার পাশাপাশি মাদল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছে পুরো গানটি জুড়ে। কেন? এই গানটির ক্ষেত্রে মাদল, ফিলার এবং ছন্দ, দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে।
বাঙালি তার পঞ্জিকায় নববর্ষকে জেনেছে, আলপনায় তাকে ভরিয়েছে। পুরনো কর্জ মিটিয়ে নতুন জমার হিসাব শুরু করেছে। নতুন নতুন স্বপ্নজাল বুনতে চেয়েছে। এর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে তার জীবনশৈলীর চেনাবাঁধা ছক, পছন্দ অপছন্দের টুকিটাকি। তারপরেও নদী তার নিজের ছন্দে চলেছে। বাতাস বয়েছে আপন খেয়ালে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় বঙ্গে আগামী পাঁচ দিনে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ বাড়বে। আগামীকাল থেকে অর্থাৎ ১৫ এপ্রিলের পর থেকে ক্রমশ গরম এবং অস্বস্তি বাড়তে থাকবে।
চৈত্র-বৈশাখের সন্ধিক্ষণে ত্রিপুরার জনজাতিদের প্রধান লোক উৎসব গরিয়া অনুষ্ঠিত হয়। গরিয়া হলেন সুখ ও সমৃদ্ধির দেবতা। জনজাতিদের বিশ্বাস গরিয়া দেবতা তুষ্ট হলে সম্পদ, সন্তান ও শান্তি সুনিশ্চিত হবে। গোলা ভরা ফসল হবে। চৈত্র সংক্রান্তির দিন আবাহন হয় গরিয়ার। এক সপ্তাহ পর উৎসবের সমাপ্তি ঘটে বৈশাখে।
কীরা কাকিমার ভোকাল টনিকে কাজ হয়েছিল। শারীরিক মানসিক ঝড় সামলে ঋতু খ্রিস্টান ও বাঙালি হিন্দু মতে বিয়ের আচার অনুষ্ঠানে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিল। মায়ের কাছে শুনেছি ফুলকাকা এখন দাড়ি রেখেছেন। সাদা ধবধবে পেঁজাতুলোর মতো কোঁচকানো দাড়ি। লম্বা রূপোলি চুল।
সাধারণভাবে বিঘা প্রতি ৩০ হাজার ধানী পোনাকে (২০-২৫ মিমি) আঁতুর পুকুর থেকে তুলে লালন পুকুরে ছাড়া যায়। পুকুরে ধানী পোনা ছাড়ার সময় হল সাধারণত সকালের দিকে।
‘আঠারো ভাটির দেশ’-এর ‘সুন্দরবন’ নামকরণের পিছনে অন্যতম কারণ বলা হয় সুন্দরী গাছ। এর কাঠের রং লাল, আর পাতায় মোমের পরিমাণ বেশি থাকায় রোদ পড়লে চকচক করে। গোলাপি রঙের ফুল যখন থোকা থোকা ফোটে তখন তার শোভা অপরূপ। তাই সুন্দরী গাছ দেখতে খুব সুন্দর। বেশিরভাগ মানুষ সুন্দরবন নামকরণের এই মত সমর্থন করেন। তবে অনেকের মতে, সুন্দরবন হল ‘সমুদ্রবন’ শব্দের অপভ্রংশ। সমুদ্রকে সাধারণ মানুষ বলে সমুন্দুর। এই সমুন্দুর শব্দ থেকে ‘সমুন্দরবন’ এবং তা থেকে ‘সুন্দরবন’ নাম এসেছে। আর এক মত হল, চন্দ্রদ্বীপবন বা চন্দ্রবন থেকে সুন্দরবন নাম হয়েছে।...
চড় চড় করে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ, এখনও দেখা নেই কালবৈশাখীর। তীব্র তাপপ্রবাহে শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা থাকে খুবই বেশি৷ অল্পবয়সি মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যার আশঙ্কা তাও কিছুটা কম থাকে। কিন্তু বয়স বেশি হলে, বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। তাই, ষাট পেরিয়ে অবসর জীবন কাটানো মানুষদের এই সময়টাই বেশি সতর্ক থাকতে হবে। সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির লোকজনকেও।