বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এর মতে, খাদ্যাভ্যাসই বলে দেয় পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের হাল কেমন থাকবে। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়? পরিবারের সবাইকেই একই রকম খাবার খেতে হবে? কোন বেশি নজর দেওয়া দরকার?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এর মতে, খাদ্যাভ্যাসই বলে দেয় পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের হাল কেমন থাকবে। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়? পরিবারের সবাইকেই একই রকম খাবার খেতে হবে? কোন বেশি নজর দেওয়া দরকার?
পদ-ই নৃত্যের অবলম্বন। জগতের নৃত্য চলছে বিপদ আর সুন্দরকে দুই পকেটে রেখেই। ভরতের নাট্যশাস্ত্র থেকেই নাকি এসব লৌকিক নৃত্যের শুরুয়াত্। অলৌকিক অমর্ত্য পঞ্চমবেদের লোকরঞ্জনের পথে যাত্রা। জড়ের দুনিয়ায় এই নাচটা নেই, প্রাণের জগতে এই নাচটাই মূল।
তীব্র তাপপ্রবাহে জেরবার অবস্থা বঙ্গবাসীর। পাহাড় ছাড়া প্রায় সর্বত্রই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। বৃষ্টির আশায় অপেক্ষারত আমজনতা। এই আবহে স্বস্তির বার্তা শুনিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আহ্বা দফতর সূত্রের খবর, আগামী দু’-তিন ঘণ্টার মধ্যে দুই মেদিনীপুর বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। দুই জেলার মানুষ তীব্র দহনের থেকে...
একটি মেয়ে এবং একটি পত্রিকা! ঠিক এই জায়গা থেকে শুরু হোক আজকের গল্প। গিরীন্দ্রমোহিনী দাসীর কথা বলি। সেই সময়কার এক মহিলা কবি! ভারতী পত্রিকায় লেখা পাঠানোর সূত্রে ভারতী পত্রিকার সম্পাদকের সঙ্গে আলাপচারিতা শুরু হয়। লিখেছেন ড. মহুয়া দাশগুপ্ত।
ভরা বৈশাখে কালবৈশাখীর দেখা নেই। এমনকি ছিটেফোঁটা বৃষ্টিও হচ্ছে না। সকাল হতেই দাপট দেখাচ্ছে গরম। বইছে তাপপ্রবাহ। এখনই যে গরমের হাত থেকে রেহাই মিলবে না, তা জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে রাখালকে বলছেন, “এখানকার শ্রাবণ মাসের জল নয়। খুব হুড় হুড় করে আসে, আবার বেরিয়ে যায়। এখানে পাতাল ফোঁড়া শিব, বসানো শিব নয়।”
মহাভারতের অনুশাসন পর্বে এক মারাত্মক কথা বলা হয়েছে। পিতামহ ভীষ্ম সেখানে যুধিষ্ঠিরকে রাজনীতির উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন, যে রাজা প্রজাকুলকে রক্ষা করে না অথচ তাদের থেকে ধনসম্পত্তি হরণের পাশাপাশি তাদের অধিকারও খর্ব করে সে রাজা আসলে রাজা নয়, সে সাক্ষাৎ কলি।
ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে থাকে। গেরিলা কায়দায় হামলারত মুক্তি ফৌজকে ঠেকানোর জন্য পাক সেনারা ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় সেদিন মাইন পুতে রেখেছিল। মাইন বিস্ফোরণে বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। যাইহোক, এরই মাঝে একদিন পাক-ভারত যুদ্ধের দামামা বেজে গেল।
উত্তম কুমারের অত্যন্ত অনালোচিত এবং দুষ্প্রাপ্য ছবি ‘ডাক্তারবাবু’। কারণ ছবিটির প্রিন্ট আর পাওয়া যায় না। আর নতুন প্রজন্মের কাছে এরকম অদেখা ছবির আকর্ষণ খুব বেশি নেই। কিন্তু সালতামামির নিরিখে ১৯৫৮ সালে উত্তমবাবু যে সব ছবি করেছেন তার মধ্যে এই ছবিটির গুরুত্ব অনেক অংশে দেখা যায়।
অনেকেই হয় তো জানেন না, ঘরোয়া উপায় নাক ডাকার সমস্যার সমাধান হতে পারে। সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপাদানে তৈরি করা যায় এমন সুগন্ধি তেল, যা নিয়মিত ব্যবহার করলে অচিরেই মিলবে আরাম, কমে যেতে পারে নাসিকা গর্জনও।
ওজন কমানোর ইচ্ছা থাকলে যেসব খাবাররে কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে যেমন ভাত, রুটি, পরোটা, ময়দার দিয়ে তৈরি যেকোনও খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে বা কম করতে হবে। কিন্তু ভাত, রুটি কম খেয়ে তার বদলে কি খেলে শরীর থাকবে সুস্থ তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।
ভরা বৈশাখে কালবৈশাখীর দেখা নেই। এমনকি ছিটেফোঁটা বৃষ্টিও হচ্ছে না। সকাল হতেই দাপট দেখাচ্ছে গরম। বইছে তাপপ্রবাহ। এখনই যে গরমের হাত থেকে রেহাই মিলবে না, তা জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে চলতি সপ্তাহেও তাপপ্রবাহ চলবে। তীব্র তাপপ্রবাহ জারি থাকবে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এই সাত জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া দফতর। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও...
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’তে এই রাঁচি-পাহাড়-বাসকে ‘বেদব্যাসের বিশ্রাম’ বলে চিহ্নিত করেছেন। নির্জন পাহাড়ে কখনও অনুবাদকর্মে মন দিয়ে, কখনও বা সংগীত চর্চায় মনোনিবেশ করে জ্যোতিরিন্দ্রনাথের দিন কেটেছে।
অবশেষে ভালো খবর। দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ায় তেমন বড়সড় বদল না হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বৃষ্টি হতে পারে। সাম্প্রতিক আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখে এমনই পূর্বাভাস আবহাওয়াবিদেরা।
‘না না কাছে এসো না মায়াবী এই রাতে’ গানটি পঞ্চমের অগুন্তি অনবদ্য সৃষ্টির মধ্যে একটি। গাইয়েছেন আশা ভোঁসলে এবং এসপি বালা সুব্রহ্মণ্যমকে দিয়ে। খেয়াল করে দেখবেন, এক অদ্ভুত ধরনের আধুনিকতার ছোঁয়া আছে গানটিতে। যে আধুনিকতা হয়তো আজকের দিনেও প্রাসঙ্গিক।