৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-৫১:  রিমিতার বয়ান

পর্ব-৫১: রিমিতার বয়ান

রিমিতা বলল, “কাল পূষণ একটা গল্প শোনাচ্ছিল বটে। সেই কালাদেওই না কি বাস রাস্তায় সেই লোকটিকে মেরেছে। সে না কি উপড় হয়ে শুয়ে শুয়ে লোকটির মাথা চিবুচ্ছিল, এই অবস্থায় বাসটি গিয়ে পড়ে।

read more
পর্ব-৫০: পূষণের কথা

পর্ব-৫০: পূষণের কথা

পূষণ বলল, “আমি কিন্তু অনিল বা সুবল কাউকেই চিনি না, আগেই বলে দিলাম। তবে চেনা-অচেনা যে-ই হোক না কেন, এমন ভয়াবহ মৃত্যু সত্যিই অনভিপ্রেত!”

read more
পর্ব-৪৯: সখী, আঁধারে একলা ঘরে

পর্ব-৪৯: সখী, আঁধারে একলা ঘরে

কোনওদিন ভাবেনি অনিলদের সঙ্গে আর সে কথা বলবে। কিন্তু…! নাহ্‌, এখন সে এসব আর ভাবতেও চায় না। এখন তাকে নিজেকে সামলে চলতে হবে। উঠে পড়েছিল সে। চোখে মুখে জল দেবে কিংবা শাওয়ারের তলায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। পাপ-পুণ্য সব জলে ধুয়ে যায়— সে বিশ্বাস করে।

read more
পর্ব-৪৮: আদিম অরণ্যের আগন্তুক

পর্ব-৪৮: আদিম অরণ্যের আগন্তুক

সত্যব্রত ফিরে আসছেন। এমন সময় মনে হল, কেউ অতি সন্তর্পণে শুকনো পাতা মাড়িয়ে পা টিপে টিপে তাঁকে অনুসরণ করছে। তবে রাস্তা দিয়ে নয়। সে যাচ্ছে রাস্তার সমান্তরালে জঙ্গলের মধ্যে গাছপালার আড়ালে আড়ালে।

read more
পর্ব-৪৭: উন্মেষার কথা

পর্ব-৪৭: উন্মেষার কথা

সুদীপ্ত শাক্যর দিকে তাকাল। শাক্য তাকিয়ে আছে উন্মেষার দিকে। একসময় নিজেই নীরবতা ভঙ্গ করে বলল, “উন্মেষা, আপনি কি কোনও কারণে আপসেট? কাঁদছিলেন?”

read more
পর্ব-৪৬: প্রচ্ছন্ন হুমকি

পর্ব-৪৬: প্রচ্ছন্ন হুমকি

মঙ্গল মাহাতোর দিকে তাকালেন সত্যব্রত। লোকটার বয়স হয়েছে। পাকানো দড়ির মতো চেহারা। দেখেই মনে হয় গাঁজা-মদে সুযোগ পেলেই চুর হয়ে পড়ে থাকে। চেহারা অমার্জিত, গুটকা খাচ্ছে।

read more
পর্ব-৪৪: নুনিয়ার মুখোমুখি

পর্ব-৪৪: নুনিয়ার মুখোমুখি

অচেনা লোকটি কিছুক্ষণ আগে বলে গেছে, সে অপেক্ষা করবে। এখানে চারিদিকে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো। চার্চে এত সুরক্ষার ব্যবথা কেন, তা সত্যব্রত বুঝলেন না।

read more
পর্ব-৪৩: চিকন কালা বড়ই জ্বালা

পর্ব-৪৩: চিকন কালা বড়ই জ্বালা

অরণ্যের অবস্থা দেখে তৃধা নিজেই দরজা বন্ধ করেছিল। তারপর অরণ্যের কাছে এসে তার থরথর করে কাঁপতে থাকা দেহকে নিজের আলিঙ্গনে টেনে কিছুক্ষণ জড়িয়ে থাকার পরে জিজ্ঞাসা করেছিল, “কী বলছিলে? কী হয়েছে অনিলের?”

read more
পর্ব-৪১: তদন্ত শুরু

পর্ব-৪১: তদন্ত শুরু

সুদীপ্ত ঘরের মধ্যে ঢুকে দেখল, শাক্য সিংহ নামের অফিসারটি একমনে তাঁর নোটপ্যাডে কিছু লিখছেন। সে দ্বিধাগ্রস্ত পায়ে তার জন্য নির্দিষ্ট চেয়ারে গিয়ে বসলো।

read more
পর্ব- ৪০: জীবন এত ছোট ক্যানে

পর্ব- ৪০: জীবন এত ছোট ক্যানে

অনিলের বডিটা উপুড় হয়ে পড়েছে। পিছন থেকে কেউ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে বডির যেমন পজিশন হওয়ার কথা তেমন কিন্তু নয়। সেক্ষেত্রে মৃত্যুর আগে যে স্পাজম্‌ হবে, তার দরুণ বডির পজিশন যেমনটি হওয়ার কথা তেমন নয়।

read more
পর্ব-৩৯: ভালোবাসার ভোরে…

পর্ব-৩৯: ভালোবাসার ভোরে…

রিমিতা তাড়াতাড়ি একটা চাদর জড়িয়ে নিয়েছিল। ব্রা-প্যান্টিতে সে বসে বসে সৌন্দর্যচর্চা করছে, এটা সবাইকে দেখানোর বিষয় নয়। পূষণ দরজা খুলে দিল তারপর। ততক্ষণে রিমিতা নিজেকে ঢেকে নিয়েছে মোটের উপর।

read more
পর্ব-৩৮: সত্যব্রতর ছানবিন

পর্ব-৩৮: সত্যব্রতর ছানবিন

সত্যব্রতকে চার্চের অনেকেই চেনে। হেলথ্‌ সেন্টারের ইনচার্জ ‘ডক্টরবাবু’ বলেই লোকে বেশি করে চেনে। কখনও কখনও কেউ চার্চে দেখাতে অপারগ হলে কিংবা চার্চের চিকিৎসায় রোগ-অসুখ না সারলে হেলথ্‌ সেন্টারে দেখাতে আসে।

read more
পর্ব-৩৭: অকুস্থলে শাক্য

পর্ব-৩৭: অকুস্থলে শাক্য

শাক্য বিরক্ত হচ্ছিল। এই অফিসার সম্পর্কে সে খোঁজখবর নিয়েছে, একেবারে নিষ্কর্মা। বসে বসে ছাইভস্ম কবিতাচর্চা করেন। আর কোথাও কোন ঘটনা ঘটলে সেকেন্ড অফিসারকেই পাঠিয়ে দেন বেশিরভাগ সময়।

read more

Skip to content