ফ্রিডার একাধিক প্রেমিক ছিলেন। যৌন জীবনে স্বাধীনতা থাকাই তিনি নিজের স্বাধীনতা মনে করতেন। লরেন্সকেও তেমনি এক প্রেমিক ভেবেছিলেন। কিন্তু লরেন্স লুকোছাপার পক্ষে নন। একবার দুজনে দেখা করতে গিয়ে জার্মানির পুলিশের হাতে পরেন লরেন্স। তাকে ইংরেজ এর গুপ্তচর ভেবে ধরে নিয়ে যায়। ফ্রিডা তার বাবার আধিপত্যের জোরে লরেন্সকে মুক্ত করেন।






















