কেন মাতৃভাষা আমাদের কাছে বাংলা, শুধু বাংলা-ই? কেন অন্য জাতিগুলির মাতৃভাষার জন্য দরদ আমাদের কাছে শিক্ষণীয় নয়? অন্য ভাষাশিক্ষা প্রশংসনীয় হলে কিছু কিছু মাতৃভাষার চর্চা কেন নিরর্থক? ভাষা কি আজ কেবল অর্থকরী, মানুষের বোধের বিকাশে আজ কি তার ভূমিকা নেই?
কেন মাতৃভাষা আমাদের কাছে বাংলা, শুধু বাংলা-ই? কেন অন্য জাতিগুলির মাতৃভাষার জন্য দরদ আমাদের কাছে শিক্ষণীয় নয়? অন্য ভাষাশিক্ষা প্রশংসনীয় হলে কিছু কিছু মাতৃভাষার চর্চা কেন নিরর্থক? ভাষা কি আজ কেবল অর্থকরী, মানুষের বোধের বিকাশে আজ কি তার ভূমিকা নেই?
‘নাই টেলিফোন, নাইরে পিয়ন, নাইরে টেলিগ্রাম’-জনপ্রিয় এই গানটিই মনে করিয়ে দেয় জনপ্রিয় টেলিগ্রাম পরিষেবার কথা। কিন্তু বর্তমানে মুঠোফোন, এসএমএস আর ইমেইলের জনপ্রিয়তার যুগে টেলিফোন, পিয়ন আর টেলিগ্রাম তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে ভারতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই পরিষেবা। আগে টেলিগ্রামকে বলা হতো ‘তার বার্তা’। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও পছন্দ করতেন এই তারবার্তায় খবরাখবর আদান প্রদান করতে ১৮৪৪ সালে স্যামুয়েল মোর্স প্রথম এই টেলিগ্রাফ যন্ত্রটি তৈরি করেন। ১৮৫০ সালে ভারতে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে টেলিগ্রাম পরিষেবা শুরু...
খ্যাতির মধ্যগগনে থাকা প্রাণখোলা, আমুদে, আড্ডাপ্রিয় আর শিশুর সরলতা নিয়ে বেঁচে থাকা, নামী শিল্পী না হলেও তাঁদের গুণের কদর করা, গুরু-শিষ্য পরম্পরায় বিশ্বাসী, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রতিনিধি হয়েও রবি ঠাকুরের গান গাওয়া মানুষটা গত মঙ্গলবার ৯ জানুয়ারি স্বল্প রোগভোগের পর চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
রিলিজের প্রায় ২৬ বছর পর পৃথিবীর অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র উৎসবের এক বিশেষ দিন মুখর হয়েছিল এই ছবিকে ঘিরে। প্রদর্শনের শেষে বিদেশি দর্শকদের করতালি সেদিন অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়েছিল, উদ্ভাসিত হয়েছিল অশীতিপর পরিচালকের মুখ।
“ম্যাক্স মুলার ভারতবর্ষকে যে পরিমাণ ভালবাসেন আমি আমার মাতৃভূমিকে তাহার শতাংশ ভাগ ভালবাসিতে পারিলে নিজেকে কৃতার্থ বলিয়া মনে করিতাম”।— স্বামী বিবেকানন্দ
মুলার ১৮২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর জার্মানির আনহাল্ট রাজ্যের রাজধানী দেসাউতে জন্মগ্রহণের চার বছরের মধ্যে পিতৃহারা হন। ছোট সেই ছেলের তখন একমাত্র আশা ভরসা তাঁর মা।
আজ শুরু নবদ্বীপের ঐতিহ্যশালী রাস উৎসব। ধীরে ধীরে সেজে উঠেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড, চৈতন্যদেবের জন্মভূমি, বর্তমানের ‘হেরিটেজ সিটি’—সুপ্রাচীন এই নগর।
মহাভারতের বহু পর্বে ধ্বনিত হয়েছে যতো ধর্মস্ততো জয়ঃ—এই বিখ্যাত বাণী, কিন্তু সব ক্ষেত্রে ধর্ম রক্ষিত হয়নি। যেমন দ্রৌপদীর বিবাহের ক্ষেত্র।
রবীন্দ্রনাথ পরিণত বয়সে বহুজনের প্রণাম পেতেন। কেউ এসে প্রণাম করতেন, কেউ বা জানাতেন চিঠিতে। স্নেহভাজনদের বিজয়ার প্রণাম পাওয়ার জন্য, আশীর্বাদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথও অপেক্ষা করতেন।
বাঁকুড়া জেলার গ্রামাঞ্চলের অন্যতম নদী এই শালি নদী। তাই একে ঘিরে মানুষের নানান উৎসব, লোকাচার ইত্যাদি গড়ে উঠেছে।
ছোটবেলা থেকেই স্মৃতিশক্তি এত প্রখর ছিল যে মাত্র আট বছর বয়সে চণ্ডীপাঠ করে তিনি সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। তাঁর চণ্ডীপাঠ, ভাষ্যপাঠ আজও বাঙালি জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে।
খুব সম্ভবত দিনটা রবিবার ছিল। কিন্তু ওই সময়ে স্কুলের পরীক্ষা চলায় আর সামিল হতে পারলাম না। সেই বয়সে সেরকম কিছু মনে না হলেও এখন যেন মনকে একটু পীড়া দেয়।
আমৃত্যু ডিরোজিয়ান রাধানাথ ছিলেন হীরক শ্রেষ্ঠ কোহিনুর। একজন সর্বোপরি এক সম্পূর্ণ মানুষ। বাল্যবিবাহ ঘৃণা করতেন বলে মায়ের আদেশেও এক বালিকাকে বিয়ে করতে রাজি হননি।
বনভোজন পিকনিক বা ফিস্ট যাই বলি না কেন, এ সব ক্ষেত্রে ভোজ বলতে এক বিশাল এলাহি আয়োজনের কথাই মনে আসে। চোখের সামনে বিরিয়ানি মুর্গ-মুসসাল্লাম এ সব খাবারের ছবি ভেসে ওঠে।
১৮৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল কেরালার এক প্রত্যন্ত অঞ্চল ত্রিবাঙ্কুরের কিলিমানুর রাজপ্রাসাদে তাঁর জন্ম হয়। পিতা নীলকণ্ঠন ভট্টতিরিপদ ছিলেন সেই অঞ্চলের বিখ্যাত সংস্কৃতজ্ঞ ও আয়ুর্বেদাচার্য।