এ সব মতামতের অনন্ত প্রবাহ চলেছে যুগে যুগে। বিবাহজনিত অশান্তির ভুরি ভুরি গল্প ছড়িয়ে আছে চারদিকে। এক সমীক্ষায় পয়তাল্লিশ জন বলেছে, বিয়ের পর অশান্তি বেড়েছে। বাকি পঞ্চান্নজন চুপ করে ছিল, বললে আরও অশান্তি বাড়বে বলে। এরকম মজা বিবাহিতদের নিয়ে সারাক্ষণই চলে।
এ সব মতামতের অনন্ত প্রবাহ চলেছে যুগে যুগে। বিবাহজনিত অশান্তির ভুরি ভুরি গল্প ছড়িয়ে আছে চারদিকে। এক সমীক্ষায় পয়তাল্লিশ জন বলেছে, বিয়ের পর অশান্তি বেড়েছে। বাকি পঞ্চান্নজন চুপ করে ছিল, বললে আরও অশান্তি বাড়বে বলে। এরকম মজা বিবাহিতদের নিয়ে সারাক্ষণই চলে।
সমবেত ঋষিগণ বললেন, হে মহাত্মন্, কলিকালে ভূলোকে ভোট নামক এক উৎসবের কথা আমরা শুনেছি। এই উৎসব কীদৃশ তা নিয়ে জানতে আমরা নিতান্তই উৎসুক, আমাদের আলোকিত করুন। এই উৎসব কি অকালবোধনের তুল্য? কারা এই উৎসবে অংশ নেন?
১৯ মে গুলিবর্ষণে শহিদ হলেন-সত্যেন্দ্র দেব,চন্ডীচরণ সূত্রধর,বীরেন্দ্র সূত্রধর, সুনীল সরকার, হীতেশ বিশ্বাস, সুকোমল পুরকায়স্থ, কমলা ভট্টাচার্য, শচীন্দ্র পাল, তরণী দেবনাথ, কানাইলাল নিয়োগী ও কুমুদ দাস। অবশ্য এগারো জন শহিদ হবার পরও আন্দোলন থামেনি।
নিজের কাজকে বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১৯৭০ সাল থেকে সিনেমাকে মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেন। সিনেমার ছাত্র না হয়েও তিনি সিনেমার জন্য চিত্রনাট্য লেখা, পরিচালনা এবং অভিনয়ে নিজস্ব ঘরানার সৃষ্টি করেন গিরিশ কারনাড।
রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরা থেকে মণিপুরী নৃত্য শিক্ষক নিয়ে গিয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে। অসমের তাঁত বাংলার ঘরে ঘরে চালু করতে চেয়েছিলেন। মণিপুরী নৃত্যের পাশাপাশি মণিপুরী বয়নশিল্পেরও প্রসার চেয়েছিলেন তিনি।
রবীন্দ্রনাথ মনীষী? ঠাকুর? যুগপুরুষ? রবীন্দ্ররচনাবলীতেই তাঁর সর্বস্ব আটকে গিয়েছে? আকাশ পানে কাহার তরে হাত বাড়ানো কোনও শাপগ্রস্ত যক্ষের অকৃত্রিম আনন্দমগ্ন কল্পনাই কেবল রবীন্দ্রনাথ? রবীন্দ্রনাথ মানেই জীবত্কালে ছায়াতরু কিংবা পারিজাত হয়ে ওঠা?
বাঙালি তার পঞ্জিকায় নববর্ষকে জেনেছে, আলপনায় তাকে ভরিয়েছে। পুরনো কর্জ মিটিয়ে নতুন জমার হিসাব শুরু করেছে। নতুন নতুন স্বপ্নজাল বুনতে চেয়েছে। এর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে তার জীবনশৈলীর চেনাবাঁধা ছক, পছন্দ অপছন্দের টুকিটাকি। তারপরেও নদী তার নিজের ছন্দে চলেছে। বাতাস বয়েছে আপন খেয়ালে।
চৈত্র-বৈশাখের সন্ধিক্ষণে ত্রিপুরার জনজাতিদের প্রধান লোক উৎসব গরিয়া অনুষ্ঠিত হয়। গরিয়া হলেন সুখ ও সমৃদ্ধির দেবতা। জনজাতিদের বিশ্বাস গরিয়া দেবতা তুষ্ট হলে সম্পদ, সন্তান ও শান্তি সুনিশ্চিত হবে। গোলা ভরা ফসল হবে। চৈত্র সংক্রান্তির দিন আবাহন হয় গরিয়ার। এক সপ্তাহ পর উৎসবের সমাপ্তি ঘটে বৈশাখে।
ত্রিপুরায় সুদূর অতীতকাল থেকেই হোলির এক ঐতিহ্য রয়েছে। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতকে মাণিক্য রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীতে হোলি উৎসবের তথ্য পাওয়া যায় ইতিহাসে। মহারাজা বীরচন্দ্রের রাজত্বকালে ত্রিপুরায় হোলি অন্যতম এক প্রধান উৎসবে পর্যবসিত হয়েছিল।
দোলের দিন জোড়াসাঁকো-বাড়ির দেউড়ি ‘গমগম’ করত, সে বর্ণনা আছে অবনীন্দ্রনাথের লেখায়। মনোহর সিং ছিল বাড়ির পুরোনো দারোয়ান, দারুণ হাসিখুশি, প্রাণখোলা মানুষ। লম্বা-চওড়া চেহারা। একমুখ সাদা দাড়ি। খালি গায়ে লুঙ্গি পরে বসে মনোহর সিং দাড়িতে দই ঘষতো। হোক না সাদা, সেই সাদা দাড়িতে ঔজ্জ্বল্য আনার জন্যই বোধহয় দই মাখানোর প্রয়াস।
জীবনানন্দ পথ হাঁটছেন। মধ্যরাত্রির কাছাকাছি। কলকাতা নির্বাক। এই কিছুক্ষণ আগেই একদল তরুণ তরুণী পার হয়ে গেল সেই পথ। হাতে মোবাইল। চোখ স্ক্রিনে। দৃষ্টি চঞ্চল, চিন্তিত। জেব্রা ক্রসিং, একটা বেপরোয়া বাস আর একঝাঁক বাইক উড়ে গেল পথ দিয়ে। এই কিছুক্ষণ আগেই একটা খবর ছড়িয়ে পড়েছে। স্যোশাল মিডিয়াতে আকস্মিক লোডশেডিং হয়ে গিয়েছে। কেমন লাগছে আপনার? কেমন লাগছিল আপনার? বেশ ভালো। খুব ভালো। আর না ফিরলেই বাঁচা যেত। অথবা, শ্বাসকষ্ট, একটা চাপা আর্তনাদ বুকের কাছে পাক খাচ্ছিল। অথবা, ফিরে এসেছিল আদিম গুহাজীবনের শান্তি আর স্বস্তি, টিভি...
ঠাকুরবাড়িতে সাহেবসুবোরা অনেকে নিয়মিত আসতেন। রবীন্দ্রনাথ-গগনেন্দ্রনাথ-অবনীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁদের কারও কারও সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সখ্যের বন্ধন সূচিত হয়েছিল। ব্যবসায়িক স্বার্থেই দ্বারকানাথ সাহেবসুবোদের সঙ্গে মিশতেন। ছিল অন্তরঙ্গতার সম্পর্ক।
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের কথা ভাবলে অবাক হতে হয়। একটা ভাষার জন্য আন্দোলন, তাও কাগজে কলমে কাদা- ছোঁড়াছুড়ি নয়, পুলিশের গুলির সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো, ভাষার জন্য শহিদ হওয়া। এত আবেগের উৎস কোথায়
কেন মাতৃভাষা আমাদের কাছে বাংলা, শুধু বাংলা-ই? কেন অন্য জাতিগুলির মাতৃভাষার জন্য দরদ আমাদের কাছে শিক্ষণীয় নয়? অন্য ভাষাশিক্ষা প্রশংসনীয় হলে কিছু কিছু মাতৃভাষার চর্চা কেন নিরর্থক? ভাষা কি আজ কেবল অর্থকরী, মানুষের বোধের বিকাশে আজ কি তার ভূমিকা নেই?
‘নাই টেলিফোন, নাইরে পিয়ন, নাইরে টেলিগ্রাম’-জনপ্রিয় এই গানটিই মনে করিয়ে দেয় জনপ্রিয় টেলিগ্রাম পরিষেবার কথা। কিন্তু বর্তমানে মুঠোফোন, এসএমএস আর ইমেইলের জনপ্রিয়তার যুগে টেলিফোন, পিয়ন আর টেলিগ্রাম তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে ভারতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই পরিষেবা। আগে টেলিগ্রামকে বলা হতো ‘তার বার্তা’। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও পছন্দ করতেন এই তারবার্তায় খবরাখবর আদান প্রদান করতে ১৮৪৪ সালে স্যামুয়েল মোর্স প্রথম এই টেলিগ্রাফ যন্ত্রটি তৈরি করেন। ১৮৫০ সালে ভারতে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে টেলিগ্রাম পরিষেবা শুরু...