তখন অগ্নিযুগ। এক মধ্যাহ্নের দহনক্লান্ত দ্বিপ্রহর। একটি লোক শহরের একটি অপ্রশস্ত গলিপথে সতর্কগতিতে চলছিল। তার কাঁধে পশরার ঝুলি, হাতেও একটি ঝুড়িতে সাজানো বই। রাজপথের মুখে পথ আটকে খোঁজ চলছে কিছুর। খাকি পোষাক লাল পাগড়ি সেপাই এসে তল্লাশি নিল।
তখন অগ্নিযুগ। এক মধ্যাহ্নের দহনক্লান্ত দ্বিপ্রহর। একটি লোক শহরের একটি অপ্রশস্ত গলিপথে সতর্কগতিতে চলছিল। তার কাঁধে পশরার ঝুলি, হাতেও একটি ঝুড়িতে সাজানো বই। রাজপথের মুখে পথ আটকে খোঁজ চলছে কিছুর। খাকি পোষাক লাল পাগড়ি সেপাই এসে তল্লাশি নিল।
প্রাক চল্লিশে বিবাহিত বার্নার্ড শ এবং তাঁর স্ত্রী শার্লটি পায়েন টাউনসেন্ড এক অশ্রুতপূর্ব জুটি—না ছিল যাদের মধ্যে প্রেমের বন্ধন, না ছিল শারীরিক আকর্ষণ। তবু তাঁরা যেন একে অপরের জন্য। বার্নার্ড শ জীবনে অনেক নারীর সঙ্গে প্রেমে পরেছেন। বুদ্ধির দ্যুতিতে নারীদের আকৃষ্ট করেছেন। কিন্তু এক অদ্ভুত নিস্পৃহতা নিয়ে মিশেছেন।
উত্তম কুমার-র সমগ্ৰ অভিনয় জীবন কয়েকটা পর্বে ভাগ করলে সবার আগে চোখে পড়বে প্রস্তুতি পর্বের উত্তমকে। প্রথম হিট ছবি ‘বসু পরিবার’, আর জীবদ্দশায় শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘দুই পৃথিবী’-র যদি প্রেক্ষিত আলোচনা করি তাহলে দেখতে পাব, প্রায় ৯০ শতাংশ একই ভূমিকায় অভিনয় করা দু’জন উত্তমের নিজেকে প্রকাশ, আকাশ-পাতাল তফাতে।
শৈশবে প্রথমদিন যখন ধনুর্বাণ গ্রহণ করেছিলে, তখন বুঝি জানতে তুমি অগ্রগণ্য ধনুর্ধরদের অন্যতম হবে? তোমার দিগ্বিজয়ের সামনে নতজানু হবে তামাম বিশ্ব? এই অজ্ঞান-ই তোমাকে বাধা দিচ্ছে। তুমি জানো না তুমি কী করতে পারো, তোমার মধ্যে সুপ্ত সেই শক্তি আবেগ আর মোহের মেঘে আচ্ছন্ন হয়েছে বারবার, আজ এই সকাল সেকারণেই মনে হচ্ছে রাতের থেকেও বুঝি গাঢ়তর তমিস্রায় ঢাকা পড়েছে।
১৮৮২ সালে টলস্টয় মস্কো শহরে একটি পরিসংখ্যান নেবার কাজ করতে গিয়ে দরিদ্রদের অবস্থা নিজে চোখে দেখেন। তাদের অপুষ্টি, খাদ্যাভাব, অসুখ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অত্যন্ত ভীত হন। মানুষের এ ভাবে বাস করা অসম্ভব মনে হয় তার। এক আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেন তার বই ‘What Are We To Do’ তে। তার মনে হল, সম্পদের প্রাচুর্যই সব নষ্টের মূল। এ ভাবনা তার নিজের জীবনেরও এক মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
খড়-কুটো, কিছু লতা-পাতা, বিশেষ করে কাশ গাছের পাতা নিয়ে এরা নিপুণভাবে, দক্ষশিল্পীর মতো বাসা বানায়। বাবুই এর বাসার নির্মাণশৈলী আধুনিক যুগের কারিগর, বাস্তুবিদ ও প্রকৌশলীদেরও ভাবিয়ে তোলে।
সকাল থেকে কলে জল নেই। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড় নেই সময়মতো। রাতে কুকুরটা চেঁচিয়ে গিয়েছে অবিশ্রান্ত। রোদটা বাড়ছে চড়চড় করে। আর কিছু ভালো লাগে না যে!
বিয়ের পর থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে যে সমস্যা তাদের মধ্যে চলেছে তার মূল কারণ ঈর্ষা। একে অপরের প্রতি বিন্দুমাত্র সহানুভূতি শীল বা সহনশীল ছিলেন না। কেউ কারও ভালো লাগা, বন্ধু-বান্ধবকে সহ্য করতে পারতেন না।
মেঘ জমেছে উত্তরের আকাশে। এই সকালেই সামনে দিগন্তবিস্তৃত মাঠটার ওপরের আকাশটা ক্রমশ গ্রাস করে নিচ্ছে একটা ঘন কালো মেঘ। মনে হচ্ছে, যেন সব মাঠ ঘাট পর্বত পার করে তুষারমৌলি ধবলগিরি থেকে সমুদ্রমেখলা মহাভূমির ভাগ্যাকাশ ছেয়ে ফেলবে একখণ্ড মেদুর ঘনকৃষ্ণ মেঘ।
সোফিয়া হানিমুনে কোথাও যেতে রাজি হলেন না। বিয়ের পর কিছুদিন টলস্টয় চেষ্টা করলেন নবপরিণীতাকে খুশি করার। কিন্তু যে নিজে ঠিকই করে রেখেছে খুশি হবে না তাকে কিছু করা মানে সময়ের অপচয়। বিফল মনোরথ টলস্টয় নিজেকে স্ত্রীর থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে লাগলেন এ বার।
কাউন্ট লিও টলস্টয় ছিলেন বেহর পরিবারের এক পুরোনো বন্ধু। তিনি যখন সোফিয়ার প্রেমে পরেন তখন তার বয়েস চৌত্রিশ আর সোফিয়ার আঠারো। সালটা আঠারোশ বাষট্টি। এক অভিজাত ডাক্তারের অপরূপ সুন্দরী কন্যা সোফিয়া।
এ সব মতামতের অনন্ত প্রবাহ চলেছে যুগে যুগে। বিবাহজনিত অশান্তির ভুরি ভুরি গল্প ছড়িয়ে আছে চারদিকে। এক সমীক্ষায় পয়তাল্লিশ জন বলেছে, বিয়ের পর অশান্তি বেড়েছে। বাকি পঞ্চান্নজন চুপ করে ছিল, বললে আরও অশান্তি বাড়বে বলে। এরকম মজা বিবাহিতদের নিয়ে সারাক্ষণই চলে।
সমবেত ঋষিগণ বললেন, হে মহাত্মন্, কলিকালে ভূলোকে ভোট নামক এক উৎসবের কথা আমরা শুনেছি। এই উৎসব কীদৃশ তা নিয়ে জানতে আমরা নিতান্তই উৎসুক, আমাদের আলোকিত করুন। এই উৎসব কি অকালবোধনের তুল্য? কারা এই উৎসবে অংশ নেন?
১৯ মে গুলিবর্ষণে শহিদ হলেন-সত্যেন্দ্র দেব,চন্ডীচরণ সূত্রধর,বীরেন্দ্র সূত্রধর, সুনীল সরকার, হীতেশ বিশ্বাস, সুকোমল পুরকায়স্থ, কমলা ভট্টাচার্য, শচীন্দ্র পাল, তরণী দেবনাথ, কানাইলাল নিয়োগী ও কুমুদ দাস। অবশ্য এগারো জন শহিদ হবার পরও আন্দোলন থামেনি।
নিজের কাজকে বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১৯৭০ সাল থেকে সিনেমাকে মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেন। সিনেমার ছাত্র না হয়েও তিনি সিনেমার জন্য চিত্রনাট্য লেখা, পরিচালনা এবং অভিনয়ে নিজস্ব ঘরানার সৃষ্টি করেন গিরিশ কারনাড।