রোজ বিকেলে বড় ব্যালকনিতে মাসিমাকে হুইল চেয়ারে করে এনে বারান্দায় বসিয়ে দেয় লীনা। হঠাৎ স্ট্রোক হয়ে কথা অস্পষ্ট হয়ে গেছে মাসিমার । বড়মেয়ে রোজ বিকেলে ফোন করে। সামনের বাগানটা দেখতে দেখতে মাসিমা মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করতে থাকেন। এসময় চোখে মুখে কী এক আনন্দ ফুটে ওঠে। লীনা ম্যাসাজ করে দিতে দিতে কত গল্প শোনায়। যোগ সেন্টারে ম্যাডাম বলতেন, পেশেন্টের সঙ্গে বন্ধুর মতো ব্যবহার করতে। মাসিমার দুই মেয়ে, এক ছেলে। লীনা কিছু একটা কাজ খুঁজে চলছিল স্বামী জীবেশ মারা যাবার পর। ছেলেকে পাড়ার স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে...














