মায়ের আগ্রহে ঠাকুর বিয়ের পর দু’বছরের বেশি কামারপুকুরে ছিলেন। এরপর ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে একবছর পর ভাগনে হৃদয়কে নিয়ে ফিরে আসেন ও তাকে নিয়ে দ্বিতীয় বার শ্বশুরালয়ে যান।
পর্ব-৫: চন্দ্রমণির বধূবরণ
read more
মায়ের আগ্রহে ঠাকুর বিয়ের পর দু’বছরের বেশি কামারপুকুরে ছিলেন। এরপর ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে একবছর পর ভাগনে হৃদয়কে নিয়ে ফিরে আসেন ও তাকে নিয়ে দ্বিতীয় বার শ্বশুরালয়ে যান।
১২৬৬ সালের বৈশাখ মাসের শেষভাগ। পরবর্তীকালে বিবাহ প্রসঙ্গে সারদা মা বলতেন, ‘খেজুরের দিনে আমার বিয়ে হয়েছিল, মাস মনে নেই। যখন কামারপুকুর গেলুম তখন সেখানে খেজুর কুড়িয়েছি।’
ঠাকুরের যখন ছয় বছর বয়স তখনই তাঁর পিতা ক্ষুদিরাম দেহত্যাগ করেন। তাঁর বড়দাদা রামকুমার কলকাতার টোলে কাজ নেন। পরে নিজেরই টোল খোলেন। ভাই গদাধরকে তিনি পড়াবেন বলে কলকাতায় নিয়ে যান।
ঠাকুরের ভাগ্নে হৃদয় সারদার থেকে বই কেড়ে নিয়ে বলেছিলেন, মেয়েদের বই পড়তে নেই, শেষে কি নাটক-নভেল লিখবে? লক্ষ্মী বই ছাড়েননি। বাড়ির মেয়ে বলে তাঁকে হৃদয় জোর করতে পারেননি।
জয়রামবাটিতে 8 পৌষ, ইংরাজি ২২ ডিসেম্বর, ১২৬০ বঙ্গাব্দের কৃষ্ণাসপ্তমী তিথিতে বৃহস্পতিবার মা শ্যামাসুন্দরীদেবীর কোল আলো করে জন্ম নিলেন প্রথম সন্তান, আদরের সারু।