৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

অনন্ত এক পথ পরিক্রমা

পর্ব-৭৬: ঈশ্বর যেমন জীব ছাড়া থাকেন না, তেমনই ভক্তও প্রভুকে ছাড়া থাকতে পারেন না

পর্ব-৭৬: ঈশ্বর যেমন জীব ছাড়া থাকেন না, তেমনই ভক্তও প্রভুকে ছাড়া থাকতে পারেন না

জীবনের সুখ-দুঃখ উভয়কে শান্তভাবে নিজের ভালো-মন্দ কাজের ফল বলে মনে করে। ও নিজে যতটা সম্ভব ভালোভাবে জীবনযাপন করার চেষ্টা করে। অপর কেউ কেউ, সব ঈশ্বরের দান মনে করে যথাসম্ভব অনাসক্ত এবং সন্তুষ্ট থাকতে চেষ্টা করে। অন্য কেউ কেউ সুখ-দুঃখকে সংসারের অবিচ্ছেদ কর্মফল অনুযায়ী পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করে।

read more
পর্ব-৭৫: শুদ্ধা-ভক্তিতে কামনা-বাসনা থাকবে না: শ্রীরামকৃষ্ণদেব

পর্ব-৭৫: শুদ্ধা-ভক্তিতে কামনা-বাসনা থাকবে না: শ্রীরামকৃষ্ণদেব

ঠাকুর বলতেন, “ঈশ্বরীকর্তা আমি অকর্তা” জেনে কাজ করা। “ভক্তি তার কিরূপ প্রিয়। খোল দিয়ে যাব যেমন গরুর প্রিয়, গপ গপ করে খায়।” ভক্ত রাগভক্তি, শুদ্ধা ভক্তি, অহেতুক ভক্তি চায় কেবল। কিছুই চায় না। কোনও কামনা নাই, তাঁকে ভালোবাসা আর, মত্ত হয়ে যাওয়া।

read more
পর্ব-৭৪: সত্য এক ও অদ্বিতীয়

পর্ব-৭৪: সত্য এক ও অদ্বিতীয়

সত্য এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর প্রকাশ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে হতে পারে। নাম ও রূপের পার্থক্য মাত্র। এক সেই চৈতন্য। এক সমুদ্রের জল ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে ঢালার পর যেমন বালতির জল, কলসির জল, ঘটির জল নামে ডাকা হয়।

read more
পর্ব-৭৩: শরীরের প্রতি যেমন বেশি যত্নের দরকার নেই, তেমন অযত্ন করাও উচিত নয়

পর্ব-৭৩: শরীরের প্রতি যেমন বেশি যত্নের দরকার নেই, তেমন অযত্ন করাও উচিত নয়

চৈতন্যের না আছে জাত বিচার, না আছে উচ্চ নিচ। পশু-কীট-পতঙ্গ সবাই সমানভাবে তাতে সমাহিত হয়ে রয়েছে। আধ্যাত্মিক জীবন যাপনে মানে ঈশ্বর ও জগৎ সম্বন্ধে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। এমনকি নিজের শরীরের প্রতি যেমন অত্যাধিক যত্নের প্রয়োজন নেই, তেমন আবার অযত্ন করাও উচিত নয়।

read more
পর্ব-৭২: শ্রীমা অবিরাম তৃষিত হৃদয়ে স্বর্গীয় আলো সঞ্চার করে চলেছেন

পর্ব-৭২: শ্রীমা অবিরাম তৃষিত হৃদয়ে স্বর্গীয় আলো সঞ্চার করে চলেছেন

স্বামীজি বলতেন, যে জ্ঞানে গুরু উড়ে যায়, সে জ্ঞান জ্ঞান নয়, অজ্ঞান। বিচার করে কূলকিনারা পাওয়া যায় না। তত্ত্ব জ্ঞান যে জগতে প্রতিটি জীবের উপর এমনভাবে প্রয়োগ করা যায়, মাকে না দেখলে বোঝা যায় না। সবার উপর সমান মাতৃত্ববোধ এমনকি, শ্রীরামকৃষ্ণের উপর…

read more
পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

পর্ব-৭১: হৃদয়ে প্রভুর দর্শন করলে যেমন মনে সংশয় থাকে না, তেমন অপ্রাপ্তিও থাকে না

ধর্ম চেতনা এবং সংশয়—চিরকালীন। সাধারণ থেকে সাধক প্রত্যেকেই এই সংশয় প্রকাশ করেছেন। ধর্মলাভ করা সম্ভব? যদি যায়, কোনও পথে? কীভাবে? ধর্মলাভ হলে তার লক্ষণ বা কী?

read more
পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

পর্ব-৭০: নরেন একদিন জগতের পীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে: রামকৃষ্ণদেব

একবার ঠাকুর যেন কোন দূর দেশ হতে এসে ভাবের ঘোরে মায়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখো! কলকাতার লোকগুলো যেন অন্ধকারে পোকার মতো কিলবিল করছে। তুমি তাদের দেখো।”

read more
পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

পর্ব-৬৯: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৫

আধ্যাত্মিক জীবন, শুধু খাদ্য-পানীয়ের নিরিখে বিচার যোগ্য নয়। তার থেকেও অধিকতর বড় বিষয় হল মানসিক শুদ্ধতা। সাধকের ক্ষেত্রে, অনেক সময় সাধন অপেক্ষা এ বিচার অধিকতর অর্থবহ হয়ে পড়ে যে কী গ্রহণযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য নয়, তা সাধন পথে একপ্রকার বিঘ্ন।

read more
পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

পর্ব-৬৮: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৪

উপনিষদের ব্রহ্মজ্ঞানের পার্বত্য পাদদেশে, যেখানে ভক্তির পরাকাষ্ঠা প্রেম নদী বিধৌত করে একে অপরকে। শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন, “এক চৈতন্য অভেদ, বিষ্ঠা, মুত্র, অন্ন, ব্যঞ্জন সবপ্রকার খাবার জিনিস পড়ে রয়েছে, তাঁর (শ্রীরামকৃষ্ণ) ভিতর থেকে জীবাত্মা বেরিয়ে সবকিছুকে স্পর্শ করে গেল।”

read more
পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

পর্ব-৬৭: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /৩

শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে রাখালকে বলছেন, “এখানকার শ্রাবণ মাসের জল নয়। খুব হুড় হুড় করে আসে, আবার বেরিয়ে যায়। এখানে পাতাল ফোঁড়া শিব, বসানো শিব নয়।”

read more
পর্ব-৬৬: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /২

পর্ব-৬৬: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /২

শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে ভক্তেরা অবতার তত্ত্ব শুনছেন, আর ভাবছেন বেদ উক্ত অখণ্ড সচিদানন্দ, যা বাক্য মনের অতীত তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ রূপ ধারণে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আর তা যদি না হতো তাহলে কী রূপে তিনি রাম, রাম উচ্চারণ করতে করতে সমাধিস্থ হতেন! তিনি নিশ্চয়ই হৃদ পদ্মে রাম রূপ দর্শনে মথিত হচ্ছেন।

read more
পর্ব-৭৩: শরীরের প্রতি যেমন বেশি যত্নের দরকার নেই, তেমন অযত্ন করাও উচিত নয়

পর্ব-৬৫: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /১

শ্রীরামকৃষ্ণ অনুধ্যানে মাস্টারমশাই দেখছেন, সেই অনন্তের আর এক প্রকাশ ঠাকুরের মধ্যে। তিনি তাঁর স্বরূপ ও ব্রহ্ম, এক করে অনন্তের সন্ধান দিচ্ছেন। ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দের পয়লা জানুয়ারি শ্রীরামকৃষ্ণ প্রাণকৃষ্ণ ও মাস্টার মহাশয়ের সঙ্গে কথা বলছেন। অনেকে এমন আছেন অনেক উচ্চ স্তরের কথা বলেন।

read more
পর্ব-৬৬: অমৃতের সন্ধানে মাস্টারমশাই /২

পর্ব-৬৪: ভক্তের জ্ঞান যেন চাঁদের আলো, ভিতর বাইর দেখা যায়

শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন, “ভক্তি পাকলে ভাব। ভাব হলে সচ্চিদানন্দকে ভেবে অবাক হয়ে যায়। জীবের এই পর্যন্ত। আবার ভাব পাকলে মহাভাব প্রেম। যেমন কাঁচা আম আর পাকা আম।”

read more
পর্ব-৬৩: কল্যাণসাধনই গুরুর একমাত্র লক্ষ্য

পর্ব-৬৩: কল্যাণসাধনই গুরুর একমাত্র লক্ষ্য

গিরিশ অবচেতন ও সচেতন ভাবে জানেন শ্রীঠাকুর জগতের ত্রাতা, তিনি দেহ ধারণ করে এসেছেন। তা, তিনি কি আর গিরিশ ঘোষের মতো একজনকে উদ্ধার করতে পারবেন না! গিরিশের মনে কোনও চালাকি ছিল না। মনে প্রাণে সর্বতো ভাবে তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের পায়ে অর্পণ করেছেন।

read more
পর্ব-৬২: হে ঈশ্বর তুমিই সব করছো, তুমিই আমার আপনার লোক…

পর্ব-৬২: হে ঈশ্বর তুমিই সব করছো, তুমিই আমার আপনার লোক…

নলিনী দিদি শ্রীশ্রী মাকে জিজ্ঞাসা করছেন, “পিসিমা লোকের কত ধ্যান, জপ হয় শুনি, আমার কিছু হয় না কেন? তোমার সঙ্গে এতদিন যে রইলাম কই আমার কি হলো?”

read more

Skip to content