অতনু সেনের রেকমেন্ডেশন বলেই কি দিয়ার এথেনা ইনফোটেক-এ চাকরি পেতে খুব একটা অসুবিধে হয়নি? ভদ্রতার জন্যই তো তাঁকে একটা… ফোন নম্বর চাইবে? কিন্তু মিস্টার চ্যাটার্জি যদি কিছু মনে করেন?
অতনু সেনের রেকমেন্ডেশন বলেই কি দিয়ার এথেনা ইনফোটেক-এ চাকরি পেতে খুব একটা অসুবিধে হয়নি? ভদ্রতার জন্যই তো তাঁকে একটা… ফোন নম্বর চাইবে? কিন্তু মিস্টার চ্যাটার্জি যদি কিছু মনে করেন?
একটা নিশ্চিত চাকরি সচ্ছ্বল রোজগার সেই সব ছেড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতে লাফ দেওয়ার জন্য প্রচুর সাহস লাগে, আত্মবিশ্বাস লাগে। রবীনবাবুর পক্ষে সেটা একটু সহজ হয়েছে তার স্ত্রী মালবিকার জন্য। মালবিকা চাকরি ছাড়েননি। উইপ্রোতেই আলাপ সেখানেই বিয়ে। তারপর স্ত্রী মালবিকার ভরসাতেই রবীনের ঝুঁকি নেওয়া।
(২)এরকম অফিস দিয়া দেখেনি রিসেপশনের দেয়ালটা টপকালেই পুরো অফিসফ্লোর খোলামেলা। ছোট ছোট ওয়র্কষ্টেশন। একটাই কেবিন। সেটা সিইও-র। দরজা নেই। অফিসের চারদিকেই সিসি ক্যামেরা আর মনিটর লাগানো। দিয়া ঘরে ঢোকার পর অতনু সেন একটাও কথা বলেননি। ডান হাত দেখিয়ে চেয়ারে বসতে বলেছেন বাঁ হাত বাড়িয়ে ফাইল চেয়েছেন। “অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাঊণ্ড তো ভালো ছিল, ডিপ্লোমা না করে ক্যাট (CAT) দিয়ে ভালো কোনও ইন্সটিটিউট থেকে ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রি করতে পারতেন! “অনেকগুলো ‘ifs and but’ ছিল। আর আমার ইন্সটিটিউট খুব একটা খারাপ নয়। “আমি তো খারাপ বলিনি, তবে...
মেয়েটির উত্তর শেষ হতে না দিয়েই মাঝবয়েসী লোকটিকে কথাটা বলে ঘরের দিকে হাঁটা দিলেন টেক সলিউশন কলকাতার ফাউন্ডার সিইও অতনু সেন! বড় বড় পা ফেলে দূরের খোলা জানালার আলোর দিকে অপসৃয়মান ঝকঝকে অতনু সেনকে দেখতে দেখতে দিয়া ভাবছিল, ঠিক সিনেমায় যেমন হয়।