প্রায় বলছি এই কারণে যে থার্ড ইয়ারের পর আমার আর অর্কর প্রেম হবার কথা শুনে দিগন্ত নিজেকে আমাদের জীবন থেকে সরিয়ে নিল। ভালোই করেছিল প্রেমিক বর হল।
প্রায় বলছি এই কারণে যে থার্ড ইয়ারের পর আমার আর অর্কর প্রেম হবার কথা শুনে দিগন্ত নিজেকে আমাদের জীবন থেকে সরিয়ে নিল। ভালোই করেছিল প্রেমিক বর হল।
ইয়ারি রোড শুনলেও বেশ ভালো লাগে। সিনেমার পত্র-পত্রিকায় ভিড় করা অনেক নামজাদা চিত্রতারকার ঝকমকে বাড়িঘর এসব অঞ্চলে। সমুদ্রের ধারের ঝকঝকে ভারসোভা রোড থেকে ইয়ারি রোড-আরামনগর লেন হয়ে গলি তস্য গলিতে একটা টানা-বারান্দার সার সার এক কামরার ঘরের একটা।
শিবানীর শরীরের শিরায় শিরায় সেই সর্বনাশা নেশার গরল একটু একটু করে ছড়িয়ে পড়ছিল। না হলে সেই মুহূর্তে সে হোটেলের রুমের দরজাটা খুলে ছুটে বেরিয়ে যেতে পারতো।
বহুদিন আগে প্রথমবার মাচায় ড্যান্স শো করারআগে শিবানীর এমনই ভয়ে হাত পা দিয়ে ঘাম বের হচ্ছিল। স্টেজে কোন গতিকে তালে তাল মিলিয়ে নেচে গিয়েছে মাঝে মাঝে ভয় চোখ বুঝিয়ে ফেলেছে। এক্সপ্রেশন সেভাবে দিতেই পারেনি।
শিবানীর খোলামেলা পোশাকের ওপরে হালকা ঢিলেঢালা লম্বা ফ্রন্ট-ওপেন মাথাঢাকা ক্লোক বা হুডি-জাতীয় অতিরিক্ত একটা পোশাক চাপানো। সেটা গায়ে চাপিয়েই শিবানী স্টুডিয়ো থেকে ফ্লোরে পৌঁছচ্ছে।
বিয়ের পর থেকে যে দ্বন্দ্বটা মনের মধ্যে ছিল সেটা সংসারের মধ্যে দেওয়াল হয়ে দাঁড়ালো। মেডিকেল কাউন্সিলের ঝামেলা যে রাত্তিরে মিটলো সেই রাতেই অর্কর এক কথায় বাড়ি ছেড়ে চলে গেল সানন্দা।
পরদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ মনিকার জ্ঞান ফিরে এল। ওষুধের ঘোরের মধ্যে ছিল। কিন্তু তখন সে ক্লিনিক্যালি স্টেবল। হার্ট পালস ব্লাডপ্রেশার ঠিকঠাক।
হিরোইনদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। আনেক্সপ্লোর্ড বিউটি অ্যাণ্ড ট্যালেন্ট! বন্ধ হাতের মুঠিতে কী সম্পদ আছে ছবি রিলিজের আগে তার কথা ইন্ডাস্ট্রির কাকপক্ষী জানবে না।
শিবানী শব্দ করে হাসে। বুল্টি বোকার মতো তাকিয়ে থাকে বোঝে মেয়েটা ভয়ানক সেয়ানা। বুল্টির মতো আধবুড়ো বিবাহিত পারভার্টরা ভীতু তারা জানে অন্যায় করছে।
রূপের প্রকাশ নয় তার লক্ষ্য ভালো করে পড়াশোনা করে নিজেকে সমাজের সামনে প্রতিষ্ঠা করার। খুব স্বাভাবিকভাবেই বনানী পরীক্ষার আগে সময় নষ্ট করতে রাজি হল না।
উপেন্দ্রনাথের সঙ্গে লালা গোপীনাথের লড়াইয়ে মিনার্ভা থিয়েটারের আলো প্রায় নিভে গিয়েছিল। তখন রিক্ত হৃতসর্বস্ব বৃদ্ধ উপেন্দ্রনাথের পাশে দাঁড়ান তার সুযোগ্যপুত্র সলিল কুমার মিত্র।
প্রবাদপ্রতিম বিনয়কান্তি দত্ত নন্দার মাথায় হাত রেখে চোখ বুজিয়ে বসেছিলেন। আর কোন আপত্তি করেননি।
বিবাহোত্তর শান্তির খোঁজই দাম্পত্য-অশান্তির উৎস নাকি দাম্পত্য-অশান্তির কারণেই তাঁরা শান্তির সন্ধানে কিনা সেটা গবেষণার বিষয়।
তাঁরা মল বা হল-এ গিয়ে ছবির কথা প্রচার করতেন না। আজ দুনিয়াটা বদলে গিয়েছেছে।
বিনয় ঘটনার পরম্পরা অনুযায়ী দু’ তিন রকম সিদ্ধান্ত নিতেন। ঠিক যা ভাবছেন সেই মতো ঘটনা ঘটে গেলে সিদ্ধান্ত এক, তেমন না হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত দুই বা তিন।