উকড়ি বেগুন বা বৃহতি গাছের নাকি অনেক ভেষজ গুন আছে, ঠাকুমার মুখে শুনেছিলাম। পরে নানা জনের মুখে এর গুণাগুন শুনেছি। কাউকে কাউকে আমাদের বাঁশবাগান থেকে ওই গাছের মূল তুলে নিয়ে যেতে দেখেছি।
উকড়ি বেগুন বা বৃহতি গাছের নাকি অনেক ভেষজ গুন আছে, ঠাকুমার মুখে শুনেছিলাম। পরে নানা জনের মুখে এর গুণাগুন শুনেছি। কাউকে কাউকে আমাদের বাঁশবাগান থেকে ওই গাছের মূল তুলে নিয়ে যেতে দেখেছি।
গণ ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অসম এবং বর্তমান বাংলাদেশ অর্থাৎ তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান সীমানায় কোন অংশ যাবে, আর কোন অংশ বাদ পড়বে। ধর্মের ভিত্তিতে হওয়া দেশভাগের ফলে হাজার হাজার মানুষ রাতারতি গৃহহারা হয়ে গেল। সিলেট ছিল অসমের অন্তর্ভুক্ত বাংলা ভাষী জেলা, হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের লোকই ছিল সিলেটে।
জোট সরকারের কাজকর্মে তাদের জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। একদিকে যখন জোট সরকারের কর্মসূচি রূপায়নে দুর্বলতা প্রকট হতে থাকে, তখন অপরদিকে শাসক জোট বিরোধী বামফ্রন্টের রাজনৈতিক তৎপরতাও দিনকে দিন সুসংহত রূপ নিতে থাকে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্বে তখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নৃপেন চক্রবর্তী।
সুন্দরবনের বসতি এলাকায় এই গাছটি আমার নজরে কখনও না এলেও এর নাম কিন্তু ছোট থেকেই শুনেছি। বড়দের মুখে শুনতাম সুন্দরবনের বিখ্যাত মধু হল বাইন বা খলসি গাছের ফুলের মধু। সুন্দরবনে মৌমাছিদের অন্যতম প্রিয় মধুর উৎস হল খলসি গাছের ফুল। সাদা রঙয়ের ১০ থেকে ৩০ টি ফুল একসঙ্গে থোকা হয়ে ফুটে থাকে।
১৯৮০ সাল। কিছুদিনের মধ্যেই ত্রিপুরার ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গা পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। ধীরে ধীরে রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থাও ফিরে আসে। তবে হিংসার আগুন স্তিমিত হয়ে এলেও বড় কাজটা ছিল দাঙ্গা দুর্গতদের ত্রাণ পুনর্বাসন। আর তার থেকেও বড় এবং খুবই কঠিন কাজ ছিল ত্রিপুরার দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক অস্থার ভাব ফিরিয়ে আনা।
ভোলা গাছ মাঝারি ধরনের লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। তবে বেশ কিছুদিন জলমগ্ন অঞ্চলেও এরা দিব্যি বেঁচে থাকতে সক্ষম। নদী বা খালের পাড়ে এমনকি জঙ্গলের গভীরেও ভোলা গাছ ভালই জন্মায়। ভোলাগাছ ক্রান্তীয় অঞ্চলে সমুদ্র উপকূল ছাড়াও অন্যত্র জন্মায়। সুন্দরবনে বাংলাদেশ অংশে ভোলাগাছ অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
দীর্ঘ দিনের সংঘর্ষের পর এল স্বাধীনতা। সেই সঙ্গে এল দেশ ভাগের যন্ত্রণা। সর্বস্ব হারিয়ে রিফিউজি ক্যাম্পে যেতে হল শত সহস্র মানুষকে। অসমেও দেশ ভাগের আঁচ এসে লেগেছে। বর্তমান বাংলাদেশ অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তান অসমের দক্ষিণ দিকে রয়েছে। সেই সময় অসমের আয়তন যথেষ্ট বড়ই ছিল।
বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসলেও বামফ্রন্টের পক্ষে প্রথম দিকে রাজ্য চালানো কিন্তু মোটেই সহজ কাজ ছিল না। কারণ একদিকে মানুষের প্রত্যাশার চাপ এবং অপরদিকে জাতি কেন্দ্রিক রাজনীতির বিস্তৃতি। উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় যেমন উপজাতি যুব সমিতি, তেমনই ত্রিপুরার অনুপজাতি এলাকায় আমরা বাঙালি দলের তৎপরতা বাড়ছিল।
পশুর গাছের তীব্র লবণ-সহন ক্ষমতা রয়েছে। তবে এরা মধ্যম লবণাক্ত এলাকাতেও জন্মায়। জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী সীমানায় নদী ও খাঁড়ির তীর বরাবর বা কর্দমাক্ত সমতল এলাকাতেও জন্মায়। এরা সাধারণত গর্জন, গরান, গেঁওয়া, কাঁকড়া ইত্যাদি গাছের সঙ্গে সহাবস্থান করে।
১৯৩৫ সালে সমগ্র ভারত যখন স্বরাজের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তখন অসমের সাংস্কৃতিক জগতেও ঘটে গেল এক বিপ্লব। জন্ম নিল অসমের প্রথম চলচ্চিত্র ‘জয়মতী’। মূলত জ্যোতিপ্রসাদ আগরওয়ালাই অসমে চলচ্চিত্রের সূচনা করেছিলেন।
১৯৭৭ সালের লোকসভার নির্বাচনে কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় রাজ্যে রাজ্যে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা উস্কে দেয়। ত্রিপুরাতেও এর প্রভাব পড়ে। ত্রিপুরার বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসী বিধায়করা সিএফডি-তে যোগ দিলে রাজ্যে সুখময়বাবুর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের পতন ঘটে। সিএফডি এবং সিপিএম মিলে তখন এক কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয়।
বাকলের ক্বাথ ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করতে দেখা যায়। পাতা সিদ্ধ করে তার নির্যাস ডায়াবিটিস রোগের কারণে অধিক মূত্রত্যাগ নিয়ন্ত্রণে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনেও গুয়াহাটির সাধারণ মানুষের যোগদান যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সমগ্র দেশের সঙ্গে গোটা অসম তথা গুয়াহাটির লোকজনও স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরেরও রূপ পাল্টেছে।
জরুরি অবস্থার সময়ে পত্রিকার খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে সেন্সরশিপ আরোপিত হয়েছিল। কী খবর বা কী সম্পাদকীয় প্রকাশিত হবে তা আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখিয়ে নিতে হতো। তারপর চালু হল ‘সেলফ সেন্সরশিপ’। নানা বিধিনিষেধের মধ্যে নিজেদের দায়িত্বেই খবর প্রকাশ করতে হবে।
মাঝারি উচ্চতার বৃক্ষ হল ওড়া। ১০-৩০ ফুট উঁচু হয়। গাছের চারপাশে নরম কাদা মাটি ফুঁড়ে ৪০-৫০ সেমি লম্বা নলাকার শ্বাসমূল জন্মায়। বাকলের রং কালচে-বাদামি। বাকলে ছোট ছোট ফাটল দেখা যায়। পাতা গাঢ় সবুজ বা কালচে-সবুজ রঙের, রসালো এবং অবডিম্বাকার (Obovate)। ফুলের পাপড়ির রং সাদা।