রাজ আমলে রচিত অপর একটি কাব্যগ্ৰন্হ হলো ‘শ্রেণীমালা’। কাশীচন্দ্র মাণিক্যের রাজত্বকালে (১৮২৬-২৯) এটি রচিত হয়েছিল। রচনা করেছিলেন দুর্গামণি উজির। চারখণ্ডে বিভক্ত এই গ্ৰন্হে ত্রিপুরার রাজবংশের বিবরণ লিপিবদ্ধ রয়েছে।
রাজ আমলে রচিত অপর একটি কাব্যগ্ৰন্হ হলো ‘শ্রেণীমালা’। কাশীচন্দ্র মাণিক্যের রাজত্বকালে (১৮২৬-২৯) এটি রচিত হয়েছিল। রচনা করেছিলেন দুর্গামণি উজির। চারখণ্ডে বিভক্ত এই গ্ৰন্হে ত্রিপুরার রাজবংশের বিবরণ লিপিবদ্ধ রয়েছে।
ছোটবেলা বেশ কয়েক জায়গায় দেখতাম রজনীগন্ধা গাছের পাতার মতো। কিন্তু বেশ বড় আকারের গাছের ঝোপ থেকে রজনীগন্ধার মতই লম্বা স্টিক উঠে আসত আর তার মাথায় সাদা রঙের ফুল ফুটত। ফুলগুলোর অসাধারণ সুগন্ধ। তবে ফুলের কাছাকাছি গেলে গন্ধটা এত তীব্র হয় যে সহ্য করা মুশকিল।
অসমের জাতিঙ্গা এমনই একটি রহস্যময় গ্রামের নাম। ডিমা হাসাও জেলার হাফলং শহরের কাছে একটি ছোট গ্রাম জাতিঙ্গা। মাচরাঙা, বক, ব্লাক, বিটার্ন, টাইগার বিটার্ন ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের পাখি আসে এখানে এবং মৃত্যু বরণ করে। তবে পরিযায়ী পাখি মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। হাফলং অসমের শৈল স্টেশন। প্রকৃতি নিজের হাতে যেন সাজিয়ে দুলেছে এই পার্বত্য অঞ্চলকে।
ত্রিপুরার রাজপরিবারে হোলি উৎসবের এক বিশেষ ঐতিহ্য ছিল। এক সময় রাজপুরির হোলি উৎসবে ইংরেজ সাহেবরাও অংশ গ্রহণ করেছেন। বীরচন্দ্রের রাজত্বকালে হোলি উৎসব আরও মাধুর্যময় হয়ে উঠেছিল।
প্রাচীন সুন্দরবনের মানুষ এই গাছটিকে কোন লৌকিক চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করত কিনা তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। যদিও অন্যান্য দেশে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই গাছটির বিভিন্ন অংশ নানা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এমনই কিছু ব্যবহার প্রাচীন সুন্দরবন অঞ্চলেও প্রচলিত থাকার সম্ভাবনা বেশি।
অসমকে নিয়ে এমন অনেক গল্প শোনা যায়, যা আদৌ কখনও ঘটে ছিল কি না, কে বলতে পারে। অসমের এক বার কোনও এক রাজা যুদ্ধ করার জন্য সৈন্য সামন্ত নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু কোনও এক পাহাড়ে নাকি চড়াই করতে গিয়ে নাকি সমস্ত সেনাবাহিনী অদৃশ্য হয়ে যায়। তাদের কোনও চিহ্ন মাত্র আর কেউ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ত্রিপুরার মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন ধন্য মাণিক্যের আমলে রাজ্যের সীমা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছিল। বঙ্গাধিপতি হুসেন শাহকেও তিনি যুদ্ধে পরাজিত করেছিলেন। পার্শ্ববর্তী এলাকা সমূহ জয় করে সেসব ত্রিপুরার সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন তিনি। উদয়পুরে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির প্রতিষ্ঠা তাঁর অক্ষয় কীর্তি হয়ে আছে। ধন্য মাণিক্য বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
নদী ও খালের ধারে ঝোপে ঝাড়ে কিংবা কোনও বড় গাছের গায়ে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকতে দেখেছি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ লতানে উদ্ভিদ দুধিলতাকে। এ কিন্তু প্রকৃত ম্যানগ্রোভ নয়। এ হল ম্যানগ্রোভ-সহযোগী উদ্ভিদ। এর পাতা বা শাখা ভাঙলে সাদা দুধের মতো আঠা অর্থাৎ তরুক্ষীর নিঃসৃত হয় বলে মনে হয় এর নাম দুধিলতা।
শঙ্কর দেবের নাম উচ্চারণ করলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর শিষ্য মাধবদেবের নামও মনে পড়ে যায়। আসলে ১৫০০ সাল থেকে পরবর্তী বেশ কয়েক বছর এক ভক্তি অন্দোলন চলছিল। বলি প্রথা কিংবা ধর্মের নামে নিজস্বার্থ সিদ্ধির প্রচেষ্টা তখন উচ্চ বংশীয় হিন্দুদের মধ্যে প্রবল ভাবে ছিল। ফলে অনেকেই ধর্মান্তরিত হচ্ছিলেন।
পঞ্চদশ শতকের রাজা রত্ন মাণিক্যের সময় থেকেই বঙ্গের মুসলমান শাসকদের সঙ্গে ত্রিপুরার যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ হতে থাকে। স্বাভাবিক ভাবেই রাজকার্যের ভাষাতেও তখন থেকেই পার্সি ও বাংলার প্রভাব পড়তে থাকে। লক্ষ্মণাবতীতে বসবাস কালে কয়েকজন বাঙালির সঙ্গে রত্ন ফা’র ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল।
কালি লতা বা নোয়া লতা হল এক ধরনের ম্যানগ্রোভ সহযোগী উদ্ভিদ। গাছটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ। যেহেতু লতানে স্বভাব রয়েছে তাই কালি লতাকে কাষ্ঠল লতানে উদ্ভিদ বলা যায়। অবলম্বন পেলে এই গাছ ৬০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পা
নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব-সহ বিজেপি’র অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন যে একটি স্বাভাবিক বিষয়, বিজেপি’র মতো রেজিমেন্টেড দলে যে এর কোনও বিরূপ প্রভাব পড়েনি এটাই যেন শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল অথবা স্পষ্ট করা হয়েছিল।
বাবুর হল মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বা আধা চিরহরিৎ বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। এরা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই গাছের উচ্চতা ১৫ থেকে ৪৫ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। গাছের নিচের অংশে পাতার পরিমাণ কম থাকে কিন্তু উপরের দিক পত্রবহুল। ডিম্বাকার পাতাগুলির উপরিতল গাঢ় সবুজ রঙয়ের হলেও নিচের দিক ফ্যাকাশে সবুজ রঙের হয়। পাতাগুলি বেশ লম্বা ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার।
বশিষ্ঠ মুনি শিবের আরাধনা করেন। শিব সন্তুষ্ট হয়ে গঙ্গাকে আদেশ দেন প্রবাহিত হতে। গঙ্গা সন্ধ্যা, ললিতা এবং কান্তা—এই তিন জলধারা হয়ে প্রবাহিত হন। বশিষ্ঠ মুনি এখানে তপস্যা করে এই তিন জলধারার জলে স্নান করে দেহ ফিরে পান। এখানে এই আশ্রম থেকে কিছুটা দূরে গভীর অরণ্যে মুনিপত্নী অরুন্ধুতি দেবীর আশ্রম রয়েছে।
দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই বিপ্লবকুমার দেব পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্ব এমন নির্দেশ দিলেনই বা কেন? দুর্নীতি? দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ? প্রশাসন পরিচালনায় তাঁর ব্যর্থতা? কিন্তু পরবর্তী সময়ের ঘটনা প্রবাহে সে সব সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে যায়। সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে বিপ্লববাবুর অপসারণ যেন আজও রহস্যাবৃত।