নমুনা পাঠানো হয়েছে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য। করোনার যে উপরূপ চিনে দ্রুত ছড়াচ্ছে, সেই ‘বিএফ.৭’ ভারতেও ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে কি না, তা জানা যাবে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে।
নমুনা পাঠানো হয়েছে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য। করোনার যে উপরূপ চিনে দ্রুত ছড়াচ্ছে, সেই ‘বিএফ.৭’ ভারতেও ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে কি না, তা জানা যাবে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে।
চিনে যে ভাবে করোনার নতুন উপরূপ দ্রুত আছড়ে পড়ছে তাতে কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে। জোর দেওয়া হয়েছে আরও বেশি সংখ্যক করোনা পরীক্ষায়।
কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার অধীন ৮০ কোটি মানুষ আরও এক বছর বিনামূল্যেই রেশন সামগ্রী পাবেন।
৯১টি দেশে ছড়িয়ে পড়া একটি উপরূপের সঙ্গে বিএফ.৭-এর জিনের কাঠামো এবং চরিত্রের মিল পাওয়া গিয়েছে। ২০২১-এর ফেব্রুয়ারি থেকেই না কি ওই সব দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
কেন্দ্রীয় সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত বায়োটেকের নাকে নেওয়ার টিকাকে (ন্যাজাল ভ্যাকসিন) ছাড়পত্র দিল।
শুধু মাস্ক পরা নয়, প্রধানমন্ত্রী করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর কথাও বলেছেন। রাজ্যগুলি যাতে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেয়, সেই বার্তাও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন।
গবেষণায় জানা গিয়েছে, করোনার নতুন উপরূপ ওমিক্রন ‘বিএফ.৭’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি, চিন্তার বিষয় হল আরটিপিসিআর পরীক্ষাতেও ওমিক্রন ‘বিএফ.৭’-কে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।
চিনে গত কয়েক দিনে দেশের বহু মানুষ ভাইরাসের নতুন উপরূপে আক্রান্ত হয়েছেন। ভারতে গত অক্টোবর মাসে ওমিক্রন বিএফ.৭-এর প্রথম আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, কোভিড পরীক্ষা বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে।
মণিপুরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নোনে জেলায়। ওই পথ দুর্ঘটনায় একটি স্কুল বাস খাদে পড়ে যায়।
বুধবার দিল্লির পালম স্টেশনে সর্বনিম্ন পারদ ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সফদরজঙে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হরিয়ানার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভাতিন্ডাতে পারদ নেমেছে ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। চিন এবং আমেরিকায় ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এ বার তৎপর হল ভারত সরকার।
অযোধ্যা উন্নয়ন পর্ষদ সূত্রে খবর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, মানুষের বাসস্থান, ধর্মীয় স্থান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পন্ন জায়গার ক্ষেত্রে এক একটি রং বেছে নেওয়া হবে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭০। বিহার সরকার মদে নিষেধাজ্ঞা জারির পর এই প্রথম এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হল।
কেন্দ্রীয় সরকার সোনা উত্তোলনে উচ্ছ মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু সোনা নয়, প্যালাডিয়ামও কেন্দ্র উত্তোলন করার কথা ভাবছে।