কাজের খোঁজে ৪ সন্তানকে নিয়ে বাংলা থেকে হরিয়ানায় গিয়েছিলেন বাবা-মা। বৃহস্পতিবার সেখানেই আগুনে ঝলসে মৃত্যু হল রাজ্যের ৬ জনের।
কাজের খোঁজে ৪ সন্তানকে নিয়ে বাংলা থেকে হরিয়ানায় গিয়েছিলেন বাবা-মা। বৃহস্পতিবার সেখানেই আগুনে ঝলসে মৃত্যু হল রাজ্যের ৬ জনের।
গত মঙ্গলবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ রিমোট সেন্সিং-এর সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে। তার পর থেকে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এর আগে এরকম একটানা হাড়হিম করা ঠান্ডা পরেছিল ২০১৩ সালে। সে-বার জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত রাজধানী দিল্লির তাপমাত্রা টানা ৭ দিন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে ছিল।
হোটেল মালিকদের বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার হোটেল দুটি ভাঙার কাজ থমকে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার দুই হোটেল ভাঙা হবে।
চিনে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই রকম পরিস্থিতিতে দেশে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তার জন্য অনেক আগে থেকেই বড়সড় পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জোশীমঠ শহরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হচ্ছে। ‘ডেঞ্জার জোন’ বা বিপজ্জনক, ‘বাফার জোন’ বা অপেক্ষাকৃত কম বিপজ্জনক এবং ‘সেফ জোন’ বা নিরাপদ —এই তিন ভাগে ভাগ করা হচ্ছে।
মৌসম ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লির আকাশ আগামী বুধবার পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকবে। যদিও মঙ্গলবার রাত থেকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমবে এমনটা জানিয়েছেন আবহবিদরা।
করোনার নতুন উপরূপ বিএফ.৭ চিন জুড়ে তাণ্ডব চালালেও এখনও পর্যন্ত ভারতে নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। যদিও উপরূপ বিএফ.৭ পাশাপাশি চিন্তা বাড়িয়েছে অন্য আরেকটি উপরূপ।
হাড়হিম করা ঠান্ডায় কাবু দেশ একাধিক রাজ্যের বাসিন্দারা। প্রবল ঠান্ডায় অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। শুধু উত্তরপ্রদেশের কানপুরেই গত পাঁচ দিনে ঠান্ডায় হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের কারণে মারা গিয়েছেন ৯৮ জন।
রবিবার রাজধানী দিল্লির সর্বনিম্ন পারদ ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। হাওয়া দফতরের রেকর্ড বলছে, গত দু’বছরে বছরের শুরুতে এতটা পারদপতন দেখা যায়নি।
জোশীমঠের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর কী ভাবে বিপদ এড়ানো যায়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ দল কেন্দ্রকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফাটল ধরা বাড়িঘর দ্রুত ভেঙে ফেলা উচিত।
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী প্রয়াত। বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। রবিবার ভোর ৫টা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৌসম ভবনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতি জারি থাকবে। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানী দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকছে।
প্রশাসন বৃহস্পতিবার রাত থেকেই গাড়োয়াল হিমালয়ের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ জোশীমঠে বসবাসকারীদের গাড়িতে করে আশ্রয় শিবিরে নিয়ে কাজ শুরু করেছে। শুক্রবারও উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলেছে।
২৪ ডিসেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতে মোট ৯.০৫ লক্ষ যাত্রী এসেছেন আকাশপথে, স্থল এবং জলপথে। এদের মধ্যে ১৯,২২৭ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে।