যে কোনও উৎসবের সঙ্গে মিষ্টিমুখের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। উৎসব দিনে মিষ্টি না খেলে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। যদিও যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপদসীমা অতিক্রম করেছে, তাঁদের মনে মিষ্টি খাওয়ার আগে মনে একটা দুর্ভাবনা তৈরি হয় বৈকী।
যে কোনও উৎসবের সঙ্গে মিষ্টিমুখের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। উৎসব দিনে মিষ্টি না খেলে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। যদিও যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপদসীমা অতিক্রম করেছে, তাঁদের মনে মিষ্টি খাওয়ার আগে মনে একটা দুর্ভাবনা তৈরি হয় বৈকী।
রাতে ঘুম ঠিক মতো হচ্ছে না? হাজার চেষ্টা করেও চোখের পাতা এক করতে পারছেন না? এখনকার দিনে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। নানারকম পন্থাও নিয়ে থাকেন। কিন্তু সব কিছু অনুসরণ করার পরও ঘুম নিয়ে সমস্যা থেকেই যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, অনেক সময় ভুল পোশাক পরে রাতে ঘুমতে গেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই রাতে শোয়ার সময় সঠিক পোশাক পরা খুবই জরুরি।
আপনি কি মনে করেন সন্তান বেশি আদর করলে ও বিগড়ে যায়? যত বেশি শিশুকে আদর দেবেন, ততই আদরে বাঁদর হয়ে উঠবে? আর যত দূরে দূরে রাখবেন তত স্বাবলম্বী হতে শিখবে বাচ্চা? ওহায়োর ন্যাশনাল চিলড্রেন’স হাসপাতালের গবেষকরা কিন্তু অন্য ভাবে ভাবতে বলছেন।
সবাই চান উৎসবের ভিড়ে আলাদা করে নজর কাড়তে। সাজগোজের প্রস্তুতি তো চলেই, সঙ্রগে পুজোর আগে চলে রোগা হওয়ার পরিকল্পনাও থাকে। পুজোয় পছন্দমতো পোশাক পরতে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা চলে। কেউ জিম শুরু করেন, আবার কেউ কেউ পুজোর আগে প্রায় উপবাস পর্বে চলে যান।
শিশুদের জন্য আবার দুধ খাওয়ার আদর্শ সময় হল সকালবেলা। তবে রাতে ঘুমোনোর আগে দুধ খেলে অনিদ্রার সমস্যা যেমন দূর হয়, তেমনই শরীর অনেক বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে পারে।
সামনেই বাঙালির বড় উৎসব। উৎসবের আনন্দে কমবেশি সবারই অনিয়ম হবে। আর এই অনিয়মের প্রভাব শুধু শরীরে যে পড়ে তা নয়, ত্বকও তার স্বাভাবিক নিজের জৌলুস হারিয়ে ফেলে। কারণ, উৎসব মানেই তো সাজগোজ, বাজারচলতি প্রসাধনীর ব্যবহার। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো, ভাইফোঁটা— পর পর উৎসবে রূপটানও পড়বে ভালো মতোই। ক্রমাগত রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত প্রসাধনীর ব্যবহারে অনেকেরই ত্বকও নিষ্প্রাণ শুষ্ক হয়ে যায়।
দাঁতের যত্নে দিনে দু’ বার দাঁত মাজার সত্যিই কোনও বিকল্প নেই। কারণ খাওয়ার সময় আমাদের দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে যায়। সেই সব খাবারের টুকরো ব্রাশ করলে ব্রাশের ধাক্কায় তা বাইরে বেরিয়ে আসে। এর ফলে মুখের ভিতর জীবাণুমুক্ত থাকে। দন্ত চিকিৎসকরা বলছেন,
মূলত মুখের দুর্গন্ধ এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়াজনিত সমস্যার জেরেই হয়ে থাকে।
শীত হোক বা গ্রীষ্ম বারোমাস শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অনেকেই যোগা করে থাকেন। যোগা যেমন শরীর, স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে তেমন মন শান্ত রাখতেও সাহায্য করে যোগা। সারাদিনে যোগা করার পর যোগনিদ্রা করলে ৫ ঘণ্টার বিশ্রাম হয়ে যায় মাত্র ২০ মিনিটেই। হ্যাঁ, এটাই সত্যি।
সমাজমাধ্যমে রোজ দিন নানা রকম ‘রিল’ দেখতে পাওয়া যায়। পুষ্টিবিদ থেকে স্বাস্থ্যসচেতনেরা— অনেকেই দিন শুরু করেন কালো কিশমিশ ভেজানো জল বা কালো কিশমিশ খেয়ে। তবে পায়েস বা পোলাও ব্যবহারের জন্য বাজার থেকে যে কিশমিশ কেনা হয়, এগুলি কিশমিশ কিন্তু তেমন নয়। কিশমিশের রং কেমন হবে তা নির্ভর করে আঙুরের জাতের উপরেও। পুষ্টিবিদদের বক্তব্য, সাধারণ যে কিশমিশ আমরা খাই তার চেয়ে কালো কিশমিশের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। কালো কিশমিশে কী কী রয়েছে? হাড়, দাঁতের জোর বাড়াতে ● দাঁত এবং হাড়কে শক্তিশালী করতে ক্যালশিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। কালো...
জিনঘটিত কারণেও ডায়াবিটিস বাসা বাঁধতে পারে। এর অর্থ হল, পরিবারে কারও ডায়াবিটিস থাকলে বাড়ির ছোট সদস্যদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যে পরিবারে বড়রা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত সেই পরিবারের ছোটদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া টোটকাও রয়েছে। এমন কিছু ভেষজ রয়েছে, যেগুলি পানীয় হিসাবে খেলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় আরাম মিলতে পারে। আসুন জেনে নিই সেগুলি কী কী।
হাড় মজবুত করতে তো ভিটামিন ডি এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এক কথায় বলতে গালে আমাদের শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি খুবি উপকারী। তাই সুস্থ থাকতে ভিটামিন ডি ভীষণ জরুরি।
পুষ্টিবিদের কথায় নিয়ম করে দই খাওাড় অভ্যাস থাকলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে শুধু খাওয়া নয়, পরিবর্তে অন্য ভাবেও দই খাওয়া যায়। সেগুলি কী কী?
কিডনি সচল রাখতে সকালে ঈষদুষ্ণ জল খাওয়ার অভ্যাস ভালো। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও ঈষদুষ্ণ জলের গুণাগুণ নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। অনেকের ধারণা, সকালে ঈষদুষ্ণ জলপান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো এড়ানো যায়। কারণ, ঈষদুষ্ণ জল আমদের বৃহদন্ত্রের পেশিগুলিকে শিথিল হতে সাহায্য করে।
আধুনিক জীবনযাত্রায় সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলির অন্যতম পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব। এটা যে শুধুমাত্র শুক্রাণু উৎপাদনের অভাবেই হচ্ছে তা নয়, অনেক সময় যৌন সম্পর্কের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে উত্তেজিত না হতে পারাটাও এর অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বেশ কয়েকটি কারণে পুরুষদের মধ্যে এই বন্ধ্যাত্বের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।