আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষই আছেন, যারা প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি টেনশন করেন। অকারণেই তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এর ফলে তাদের শরীরে নানান রকম সমস্যা দেখা দেয়।
আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষই আছেন, যারা প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি টেনশন করেন। অকারণেই তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এর ফলে তাদের শরীরে নানান রকম সমস্যা দেখা দেয়।
শরীরচর্চার সময় আমারা সাধারণত কাঁধ, মেরুদণ্ড এবং বাহুর মতো অঙ্গগুলিকে বেশি গুরুত্ব দিই। এ সময় বেলামুম ভুলে যাই গোড়ালির যত্নের কথা।
শীতকালে এমনিতেই ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি, নাক বন্ধের সমস্যা লেগেই থাকে। তবে এই সমস্যা শুধু শীতকালে হয় তা নয়। বর্ষা ঋতুতেও এই সমস্যায় অনেকে ভোগেন।
ডায়াবিটিসের রোগী এখন ঘরে ঘরে। মূলত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে আজকাল কমবয়সিদের মধ্যেও নিঃশব্দে হানা দিচ্ছে ডায়াবিটিস।
ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়েই চলেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জীবনযাপনেও অনেক বদল এসেছে। আর এই বদলের হাত ধরেই বিশ্বব্যাপী ফ্যাটি লিভারের অসুখ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
পিসিওডি-র সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ তো নিতেই হবে। সেই সঙ্গে দৈনন্দিন খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হতে হবে। খাদ্যাভ্যাসে কী ধরনের পরিবর্তন আনলে পিসিওডি-কে এড়িয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব?
ডিম বহু পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। দেহে সেই সব উপাদানের অভাব পূরণ করে ডিম। তাই ডিম খাওয়া বন্ধ করা মানে প্রোটিন, মিনারেলসের মতো উপকারী ও প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতি দেখা দেবে শরীরে।
অনেক সময় স্কুল, কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকা বা বসের বকাঝকায় কারও কারও গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। তবে কোনও কারণেও মাঝে মধ্যে মুখের ভিতর বা গলা শুকিয়ে যেতে পারে।
ডায়াবিটিস ধরা পড়লে সাবধান হওয়া ভীষণ জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধও খেতে হবে। তবে রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে, যেগুলি মেনে চললেও উপকার পাওয়া যাবে।
কেউ কেউ আবার ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য আয়ুর্বেদের উপর ভরসা রাখেন। তাই নানা রকম ভেষজ খেয়ে থাকেন।
আমাদের লিভার সাধারণত ৫ থেকে ৬ শতাংশ চর্বি শোষণ করতে সক্ষম। এই ৫ থেকে ৬ শতাংশের বেশি চর্বি জমা হলে তা বিপদ। এ ক্ষেত্রে সময়ে চিকিৎসা শুরু করা জরুরি।
অল্পতেই রেগে যান? একটু এদিক-ওদিক হলেই মাথাগরম হয়ে যায়? মাঝে মধ্যেই রাগ করে ভুলভাল কাজ করে ফেলেন। রাগের মাথায় কাকে কী বলছেন, খেয়ালই থাকে না।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেকারণেই চিকিৎসকেরা সর্বদা সতর্ক থাকতে বলেন।
খাদ্যতালিকায় এবংঅ জীবনযাত্রায় কোন কোন পরিবর্তন রক্তে এইচডিএল মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পারে?
ডাবের জলের স্বাস্থ্যগুণের কথা তো সবারই জানা। শুধু গরমকাল নয়, ডাব জল সারা বছরই আমাদের শরীরের যত্ন নেয়। শরীর তাজা রাখতে ডাবের জলের বিকল্প নেই।