কালো চা তো অনেকেই খান। কেউ কেউ স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য গ্রিন টি’ও খান। কিন্তু হোয়াইট টি খেয়েছেন কি? সেটি খেলে কী হয়? সেই সম্পর্কে কি কিছু জানেন?
কালো চা তো অনেকেই খান। কেউ কেউ স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য গ্রিন টি’ও খান। কিন্তু হোয়াইট টি খেয়েছেন কি? সেটি খেলে কী হয়? সেই সম্পর্কে কি কিছু জানেন?
সাইনাসের সমস্যা বাড়াবাড়ি জায়গায় পৌঁছে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে হবে। কিন্তু তার আগে কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যার সাহায্যে এই সমস্যা কমানো যেতে পারে। সেই ঘরোয়া উপায়গুলি কী কী? দেখে নেওয়া যাক।
গবেষণা বলছে, লিচুর বীজে প্রদাহনাশক গুণ আছে। যা আমাদের শরীরে ইনফ্লেমেশন জনিত সমস্যায় ভালো কাজ দেবে।
রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে আমরা আম খেতে চাই না। যদিও আমের আঁটিটির কাজ একেবারে উল্টো বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। কারণ, আমের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমনকি, এই গুঁড়ো খেলে আমাদের শরীরের আরও অনেক ধরনের উপকার হয়। সেগুলি কী কী?
বর্ষার শুরুতেই জ্বর-জারি, সর্দি-কাশির সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা কমানোর একটা চেষ্টা করা যেতে পারে। এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যেগুলি করলে বা মেনে চললে সর্দি-কাশি, নাক থেকে জল পড়ার মতো সমস্যা এড়ানো যাবে।
আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ভিটামিন সি । সে কারণে আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি থাকা দরকার। দেহে ভিটামিন সি-এর অভাব দেখা দিচ্ছে কি না, কয়েকটি উপসর্গ দেখলেই বোঝা সম্ভব।
আমেরিকার বোথওয়েল রিজিওনাল হেলথ সেন্টারের ডিরেক্টর চিকিৎসক ডেভিড খুলম্যান ও তাঁর টিম স্লিপ অ্যাপনিয়ার ওষুধ তৈরি করছেন। ওষুধটির নাম এডি-১০৯।
বসময় ডাক্তারের কাছে গিয়ে ওষুধ খাবার প্রয়োজন নেই। কিছু বিষয় ঘরোয়া টোটকা বা প্রাকৃতিক উপায়েও কমিয়ে ফেলা সম্ভব। দুশ্চিন্তা বা হতাশার ক্ষেত্রে এমনই কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
দের শরীরের দিকেও খেয়াল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। কিছু খাবার স্বাদের যত্ন নিলেও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তেমন কিছু খাবার বাচ্চার টিফিনে না দেওয়াই শ্রেয়।
পোলাও-পায়েসে তো দেওয়াই হয়। এ ছাড়াও অনেক রান্নায় কিশমিশ ব্যবহার হয়। এ তো গেল স্বাদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ। কেউ কেউ আবার স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য দিনে বেশ কিছু কিশমিশ খেয়ে নেন। যদিও এতে ক্ষতিও নেই।
পাঁঠার মাংস থেকে মসুর ডাল— বর্জনের তালিকাটা খুব ছোট নয় শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে! কিন্তু এর মানে কি আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে? কিন্তু বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, তার আদৌ কোন দরকার নেই। ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চললেই সারতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা।
আজকাল তো বাসে, ট্রেনে, ট্রামে, বাড়িতে সর্বত্রই মোবাইলের পর্দায় তাকিয়ে থাকা যেন জীবনচর্চায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল, এরই হাত ধরেই আমাদের শরীরে হানা দিচ্ছে নানা ধরনে অসুখ। চিকিৎসাবিজ্ঞান এর নামকরণ করেছে ‘টেক নেক’!
অনেক সময় যৌন সম্পর্কের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে উত্তেজিত না হতে পারাটাও এর অন্যতম একটি কারণ। পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব তৈরি হওয়ার পাঁচটি সম্ভাব্য কারণের কথা উল্লেখ করেছেন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা।
মুশকিল হল দীর্ঘক্ষণ এসি-তে থাকার অভ্যাস আসলে আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়। এটা হয়তো অনেকেরই জানা। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, আমাদের বাইরের হাওয়া-বাতাসের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকলে ‘সিক বিল্ডিং সিন্ড্রোম’-এর শিকার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
কর্মব্যস্ত জীবন এবং পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস যে সব অসুখকে গুরুতর আকারে পরিণত করে তার মধ্যে অন্যতম রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। এর ফলে পায়ের আঙুলে ব্যথা, গোড়ালিতে ব্যথা কিংবা অস্থিসন্ধি ফুলে গিয়ে তীব্র যন্ত্রণা প্রভৃতি সমস্যা দেখা যায়।