দাঁতে ব্যথা নিয়ে যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁরা জানেন এই যন্ত্রণা কতটা অসহনীয়। ব্যথার ওষুধ খেয়ে সাময়িক কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলেও, যন্ত্রণা সহজে পিছু ছাড়ে না। দাঁতে ব্যথা হলে খাওয়াদাওয়াও কমে যায়। তরল খাবার ছাড়া কোনও কিছুই খাওয়ার মতো পরিস্থিতি থাকে না।

দাঁতে ব্যথা নিয়ে যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁরা জানেন এই যন্ত্রণা কতটা অসহনীয়। ব্যথার ওষুধ খেয়ে সাময়িক কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলেও, যন্ত্রণা সহজে পিছু ছাড়ে না। দাঁতে ব্যথা হলে খাওয়াদাওয়াও কমে যায়। তরল খাবার ছাড়া কোনও কিছুই খাওয়ার মতো পরিস্থিতি থাকে না।
অ্যান্টাসিড খেয়ে গ্যাস-অম্বল ঠেকিয়ে রাখার এই অভ্যাস মোটেই শরীরের জন্য ভালো নয়। বরং রোজ দিন সকালে খালিপেটে এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত, যাতে গ্যাস-অম্বল হাওয়ার ভয় থাকবে না।
শুধু পরিমিত সুষম আহার, শরীরচর্চাতেই কাজ হয় না। ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে খাওয়াও জরুরি হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত জল পান ও ঘুমও জরুরি।
অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনও রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়। ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেও এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে।
ছানায় প্রোটিন থাকে ভাল মাত্রায়। তবে শুধু ছানাতেই নয়, ছানার জলেও রয়েছে অনেক গুণাগুণ। দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি করার পরে সেই জল সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। খেতে ভাল না হলেও, এতেই রয়েছে বেশ কয়েকটি উপকারী বিষয়।
অনেকের কাছে সমাজমাধ্যমই ধ্যান-জ্ঞান! রোজ দিন ঘুম থেকে ওঠা এবং ঘুমোতে যাওয়ার মাঝে যেটুকু সময় বেঁচে থাকে তার মধ্যে বেশির ভাগ সময়ই চলে যায় সমাজমাধ্যমে। কেউ কাজের জন্য, কাউ বা কেউ শখে সমাজ মাধ্যমে ঢুঁ মারেন। জরুরি কাজের মাঝে সমাজমাধ্যমে চোখ বুলিয়ে নেওয়া অনেকের কাছে আসক্তিতেই পরিণত হয়েছে বলে মনোবিদদের একাংশের মত। সমাজ মাধ্যমের এই নেশা রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আমাদের ঘুমের স্বাভাবিক চক্রটিকেই বদলে দিয়েছে। তেমনটাই জানা গিয়েছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে।সম্প্রতি ‘জার্নাল অফ অ্যাডলসেন্ট হেল্থ’-এ এ নিয়ে একটি গবেষণাপত্র...
আজকাল চোখে নানা রঙের কনট্যাক্ট লেন্স পরার বেশ চল হয়েছে। মহিলারা এখন চশমার বদলে কনট্যাক্ট লেন্স পরতে বেশি পছন্দ করছেন। যদিও একটানা দীর্ঘ ক্ষণ কনট্যাক্ট লেন্স পরলে চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শুধু রান্নায় নয়, পেঁয়াজের রয়েছে অনেক উপকারিতাও। অনেকেই হয় তো জানেন না, পেঁয়াজ আমাদের ডায়াবিটিসের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও দারুণ উপকারী এই পেঁয়াজ।
জল শুধু শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখে তাই নয়, পরিপাকতন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রকে সুসংগঠিত রাখতেও জল অপরিহার্য। শরীরে জলের অভাব হলে, শরীর নিজে থেকেই সেই সঙ্কেত দেয়। সেই লক্ষণগুলি চিনতে পারলেই বোঝা যাবে যে এখন শরীরে জলের অভাব মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বয়সকালে হাড় ভঙ্গুর হওয়ার অন্যতম কারণ, শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব। অনেকেই জানেন, আমাদের হাড় মজবুত রাখার মূল উপাদানই হল ক্যালসিয়াম। পাশাপাশি পেশি সচল রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে কার্যকর রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ক্যালশিয়াম।
আমরা অনেকেই নিজের অজান্তেই মুখের আলসারে ভুগি। মূলত আমাদের শরীরে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন-সি, ফোলেট, জিঙ্কের মতো কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদানের অভাবের জন্য মাউথ আলসার হয়। টক জাতীয় কিছু খেলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বাড়তি ওজন ঝরানোর বেশ কিছু পন্থা রয়েছে। সেই সব উপায়ের মধ্যে শরীরচর্চা অন্যতম। তবে সকলেই যে জিমে গিয়ে শারীরিক কসরত ক্রাতে পছন্দ করেন, তেমনটা নয়। এমন বহু মানুষ আছেন যাঁরা যোগাসনে ভরসা রাখেন। তাঁরা বাড়িতেই নিয়মিত ব্যায়াম করেন। তবে বেশির ভাগ মানুষ আবার সুস্থ থাকতে এবং বাড়তি ওজন ঝরাতে হাঁটাহাঁটি করতেই বেশি পছন্দ করেন। লিফ্টের বদলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠেন। কেউ কেউ আবার বাড়ির কাছে বাজারে যান পায়ে হেঁটেই। মনে রাখতে হবে, কাজের মাঝে হাঁটাহাঁটির চেয়েও, হেঁটে ঘাম ঝরানোই সব থেকে উপকারী।সারা দিনের কোনও এক সময়ে কিছু ক্ষণ হাঁটাহাঁটি...
অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে জলে ভেজানো কাঠাবাদাম খেয়ে থাকেন। এটি একটি ভালো অভ্যাস। কাঠবাদামে ভিটামিন ই, ভালো ফ্যাট, ক্যালশিয়াম এবং রাইবোফ্ল্যাভিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। এই সব উপাদান হার্ট, ত্বক, হাড়ের যত্ন নেয়। সার্বিক ভাবে শরীর ভালো রাখতেও এই সব উপাদান সাহায্য করে।যদিও কাঠবাদামের সংখ্যা ও খাওয়ার পদ্ধতির উপরে এর পুষ্টিগুণ নির্ভর করে। কাঠাবাদাম নিয়ম করে রোজ খেতে পারলে ৫-৬টি যথেষ্ট বলে মনে করেন পুষ্টিবিদের একাংশ। তবে সবার শরীরের চাহিদা এক নয়, আলাদা আলাদা! তা হলে বাড়ির বয়স্ক সদস্য, মধ্যবয়সি বা ছোটরা কতটা...
মুখে দুর্গন্ধ মানেই বাড়তি বিড়ম্বনা। মুখ খুললেই দূরে সরে যান সামনের মানুষটি। মুখগহ্বরের বিভিন্ন রকম জীবাণু থেকে দাঁতের নানা সমস্যা ও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে মুখগহ্বরের সমস্যার চটজলদি সমাধান করতে নেওয়া সম্ভব যদি কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা মানা যায়।
কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেরই নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার সময় হয় না। কিন্তু রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে যদি ১০ থেকে ১৫ মিনিট নিজের জন্য সময় বার করে পায়ে গরম তেলের মালিশ করা যায় তাহলে সহজেই দূর করা যাবে রোগ-বালাই।