রামচন্দ্র একাধারে রাজগণের দুর্লভ গুণাবলীর আধার আবার লৌকিক প্রসিদ্ধ গুণেও অতুলনীয়। পিতা রাজা দশরথ মন্ত্রীগণের কাছে রামচন্দ্রকে যৌবরাজ্যে অধিষ্ঠিত করবার অভিলাষ ব্যক্ত করলেন।
রামচন্দ্র একাধারে রাজগণের দুর্লভ গুণাবলীর আধার আবার লৌকিক প্রসিদ্ধ গুণেও অতুলনীয়। পিতা রাজা দশরথ মন্ত্রীগণের কাছে রামচন্দ্রকে যৌবরাজ্যে অধিষ্ঠিত করবার অভিলাষ ব্যক্ত করলেন।
ভৃগুঋষির অনুপস্থিতিতে তাঁর পত্নী পুলোমা আন্তরিকভাবে অতিথিসৎকারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর আচরণে কোন অসঙ্গতি ছিল না। দুর্বৃত্তের ছলের অভাব হয় না। এর একটি যথার্থ উদাহরণ রাক্ষস পুলোমার আচরণ।
রামচন্দ্রের প্রতি পিতার স্নেহাতিশয্যের কারণ? পিতা দশরথের মতোই বহুগুণের আঁধার তিনি। সর্বদাই শান্ত, সমাহিতচিত্ত, বিনয়ী রামচন্দ্র কখনও কর্কশবাক্যে প্রত্যুত্তরে অভ্যস্ত নন।
একদা রাজা চিত্ররথকে পত্নীর সঙ্গে জলকেলিরত অবস্থায় দেখে মাতা রেণুকা কামার্ত, ভীত, ত্রস্ত অবস্থায় আশ্রমে ফিরে এলেন। মহাতেজা ঋষি জমদগ্নির কাছে স্ত্রীর এই চিত্তবিকার অসহনীয়।
রাজা দশরথের চারপুত্রের বিবাহ সুসম্পন্ন হল। এ বার বরবধূগণ-সহ অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে। ঋষি বিশ্বামিত্রের কর্তব্য সম্পন্ন হয়েছে।
আচার্য দ্রোণের সেরা ছাত্র অর্জুন। ছাত্র অর্জুনের শ্রেষ্ঠত্ব কোথায়? অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের তত্ত্বাবধানে কুরুপাণ্ডবদের শুরু হল প্রশিক্ষণ।
মহামুনি বিশ্বামিত্রের আগমনে ধন্য হলেন বিদেহরাজ জনক। রাজা, মহর্ষির কাছে বিনীতভাবে জানতে চাইলেন তাঁর সঙ্গে সমাগত শৌর্যশালী, দেবতুল্য পরাক্রমী, সুপুরুষ, নবীন, কুমারদ্বয়ের পরিচয়। এঁদের পিতা কে?
আচার্য আপোদ ধৌম্যের তিনজন শিষ্যের একজন বেদ। শিষ্যের প্রতি গুরু ধৌম্যের আদেশানুসারে শিষ্য বেদ সেবাপরায়ণ হয়ে কিছুকাল গুরুগৃহে অবস্থান করলেন।
দেবী অহল্যার শাপমুক্তির নিয়ামক রামচন্দ্র। ‘রাম’—এই নামটির মহিমা অপার, যিনি সকলকে আনন্দ দান করেন, তিনিই রাম। তাই কী তিনিই মুক্তির আবহ এনে দিলেন অহল্যার জীবনে?
রাজনীতিতে, যুদ্ধে, অস্তিত্বরক্ষার জীবনসংগ্রামে হৃদয়দৌর্বল্যের কোনও স্থান নেই যে। কুরুকুলের মাননীয় আচার্যেরদের মতোই আধুনিক যুগেও এই লজ্জাজনক পরম্পরা অব্যাহত।
অপারকৌতূহলে জিজ্ঞাসু রামচন্দ্র জানতে চাইলেন, কোন রাজবংশীয় রাজা রাজত্ব করছেন ওই বিশাল নগরীতে? আমার যে ভীষণ কৌতূহল, আমি শুনতে চাই তার কথা।
মহাভারতের কাহিনি বর্ণনা প্রসঙ্গে কথকঠাকুর সৌতি উগ্রশ্রবা গুরুর প্রতি শিষ্যের আনুগত্য, নিঃশর্ত বিনয় এবং প্রশ্নাতীত সৌজন্যের উদাহরণ হিসেবে তিনজন শিষ্যের বৃত্তান্ত উপস্থাপিত করেছেন।
সগররাজা সিদ্ধান্ত নিলেন, পুত্রদের সফল প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় যজ্ঞকর্তা তিনি এবং পৌত্র অংশুমান সেখানেই অবস্থান করবেন। অশ্ব অনুসন্ধানে যাত্রা শুরু করলেন সগরপুত্ররা।
কুরুপাণ্ডবদের আর এক পিতামহ, যিনি জন্মমাত্রই ঋষিত্ব বরণ করেছেন, গৃহের বন্ধনে ধরা দেননি। কিন্তু গৃহকোণের স্নেহের মায়াডোরটুকু ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারেননি।
হিমালয় এবং মেরুদুহিতা মেনার দুই কন্যা। জ্যেষ্ঠা গঙ্গা এবং কনিষ্ঠা পার্বতী। দেবতারা তাঁদের কোন অভীষ্ট কার্যসিদ্ধির জন্যে পর্বতশ্রেষ্ঠ হিমালয়ের কাছে ত্রিপথগামিনী জ্যেষ্ঠা কন্যা গঙ্গাকে চাইলেন।