স্থূলতা পুরুষ বা মহিলাদের হরমোনের তারতাম্য ঘটাতে পারে। তাই ওজন কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ জন্য ফাইবারযুক্ত সঠিক খাদ্যাভ্যাসের কোনও বিকল্প নেই।
স্থূলতা পুরুষ বা মহিলাদের হরমোনের তারতাম্য ঘটাতে পারে। তাই ওজন কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ জন্য ফাইবারযুক্ত সঠিক খাদ্যাভ্যাসের কোনও বিকল্প নেই।
এ সময়ে দেহকে স্নিগ্ধ শীতল ও সতেজ রাখার জন্য ডাল ও বিভিন্ন তরল জাতীয় খাবারের পাশাপাশি গরমে উপযুক্ত খাবারও ডায়েটের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ছোটদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, ছোট থেকেই যদি ওরা স্বাস্থ্যকর খাবার না খায় তাহলে বড় অবস্থায় বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যেতে পারে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিয়াসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ইনসুলিন তৈরিতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
এই জেট জামানায় নিজেকে সুস্থ, সতেজ, কর্মক্ষম রাখার জন্য চটজলদি হেলদি ব্রেকফাস্ট হিসেবে ওটস-এর জুড়ে মেলা ভার। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ডায়েটারদের শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা বারোমাসই ভরসা এই ওটস।
চুল যদি শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পায় তাহলে শুধু তেল মেখে, শ্যাম্পু করে বা মাস্ক ব্যবহার করে চুল ভালো রাখার সম্ভবই নয়। তাই এই দহন দিনে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আপনার খাদ্য তালিকাতেও বদল আনুন।
গরমে সুস্থ থাকতে রোজকার খাদ্যতালিকায় বিশেষ গুরুত্ব দিন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের টক জাতীয় খাবার খুব কাজে আসতে পারে। তাই এ ধরনের খাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন।
তীব্র রোধ আর কাঠফাটা রোদ্দুরে তৃষ্ণার্ত মানুষের হৃদয় জুড়তে স্নিগ্ধ শীতল কাঁচা ডাবের জলের কোনও তুলনা নেই।
বাঙালির কাছে রসনাতৃপ্তি একটা বড় বিষয় হল সুস্বাদু মিষ্টি। নববর্ষের উৎসবে গা ভাসাতে মিষ্টির স্বাদ নিতেই হবে। তবে শুধু মিষ্টি খেলে হবে না, সেই সঙ্গে শরীরের দিকটিকে খেয়াল রাখতে হবে।
ডালিয়া নামটি সবার কাছে খুবই পরিচিত। ডালিয়া আসলে ভাঙা গম। বিভিন্ন দেশে ভুট্টা, জব, রাগি ইত্যাদি শস্যের মতো এটিও ব্যবহার করা হয়। গম থেকে তৈরি ডালিয়া ভারতে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়।
ডায়াবেটিসে কী কী ফল খাওয়া যায়, আর কী কী ফল খাওয়া যায় না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই অনেক রকম প্রশ্ন আছে।
বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে, ঘি কোনওভাবেই ওজন বাড়ায় না। যদি সঠিক পদ্ধতি ও সঠিক মাত্রায় ঘি খাওয়া যায়, তবে ওজন কমবে বই বাড়বে না।
বড়দের মতো ছোটদেরও দাঁতের যত্ন নেওয়া দরকার। তা না হলে গুরুতর সমস্যা হতে পারে। যার মধ্যে অন্যতম ক্যাভিটি। এ ছাড়াও দাঁতে প্লেক, দাঁতে যন্ত্রণা, ভাঙা দাঁত, ছোপ পড়ার মতো মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্রি-হাইপারটেনসিভদের জন্য এই ড্যাশ ডায়েট অত্যন্ত উপকারী। মাত্র কয়েকদিন অনুশীলনের মাধ্যমে ঊর্ধ্বগামী রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে এই রোগ হয়। এই রোগে আক্রান্তরা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। কলা পটাশিয়াম খুব ভালো উৎস। তাই বেশি খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।