প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ গ্রামের বেশি টকদই খাওয়া উচিত নয়। এর থেকে বেশি টকদই খেলে শরীরে ক্যালশিয়ামের মাত্রা অনেকটা বেশি বেড়ে যায়, যা বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে।
প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ গ্রামের বেশি টকদই খাওয়া উচিত নয়। এর থেকে বেশি টকদই খেলে শরীরে ক্যালশিয়ামের মাত্রা অনেকটা বেশি বেড়ে যায়, যা বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে।
কেউ কেউ ওজন কমানোর জন্য সারাদিন প্রায় না খেয়ে থাকেন, তো কেউ আবার দিনে তিন-এ বিশ্বাসী। অর্থাৎ দিনে তিনটে মেইন মিলের বাইরে কিছু খান না। কিন্তু ওজন সেভাবে কমছে কি?
কাশি এই আবহাওয়ায় খুব সাধারণ একটা ব্যাপার। তবুও ভয় ধরাচ্ছে অ্যাডিনোভাইরাস। তবে কিছু ঘরোয়া টোটকা রয়েছে যেগুলো মেনে চললে কাশি থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সেগুলো কী কী?
চিকিৎসকদের মতে, যে শিশুদের বয়স দু’বছরের কম, তাদের ক্ষেত্রে ভয় বেশি। বয়স এক বছরের কম হলে আরও বেশি ঝুঁকি। ভীষণ সাবধানে রাখতে হবে। বড়দের জ্বর-সর্দি-কাশি, গলাব্যথা হলে শিশুদের থেকে দূরে থাকতে হবে।
সাধারণত পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের গাউট আর্থ্রাইটিসের আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান কম হলেও পোস্ট মেনোপজাল স্টেজে পঞ্চাশোর্ধ মহিলাদের মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
৭০ থেকে ৮৫ শতাংশ কোকোয়া সমৃদ্ধ চকলেটকে ডার্ক চকলেট বলা হয়। ডার্ক চকলেট সত্যি একটি জাদুকরি গুণের অধিকারী। বিশেষ করে ভালো মানের ডাক চকলেটে প্রচুর পুষ্টি উপাদান আছে।
শরীরে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুতেই কমছে না? তাহলে আসুন জেনে নিই কোন ১০টি ফল খাদ্য তালিকায় রাখলে কোলেস্টেরল থাকবে নিয়ন্ত্রণে।
ফাস্টফুডের মোহময় হাতছানিকে গুডবাই করে দিয়ে নিত্যসঙ্গী করে তুলুন অগণিত পুষ্টিগুণে ভরা দেহ রক্ষাকারী বর্ণময় স্যালাডকে। তকতকে ত্বক ও চকচকে চুলের গোপন রহস্যও ওই স্যালাড।
ত্বকের এই সমস্যার পিছনে হরমোন জনিত সমস্যা, সঠিক জীবনযাপন মেনে না চলা, খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ইত্যাদি কারণ রয়েছে।
Quinoa—যার সঠিক উচ্চারণ হবে কিনোয়া। নাম শুনে একটু খটমটো বা অপরিচিত লাগলেও মোটেও নতুন নয়।
শরীর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পেলে যতই নখের যত্ন নিন, তার স্বাস্থ্য ভালো হবে না। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা অবশ্যই যেন ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ হয়।
রোজদিন সকালের প্রাতঃরাশের থালা জুড়ে একটি লাল টুকটুকে আপেল থাকে অনেকেরই। আপেলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলির একটি মনে করা হয়। আপেল প্রায় ৮৬ শতাংশ জলে ভরা।
ফ্ল্যাভোনয়েডস-এর উৎকৃষ্ট উৎস এই আঙ্গুর ও বেরি জাতীয় ফল। বিশেষত ব্লু-বেরি যা ত্বকের প্রাকৃতিক সানব্লক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
কাঁচা করলার রস পাইলসের যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি করলা গাছের মূল বেটে খেলে বা এর পেস্ট পাইলসের ওপর লাগালে কষ্ট অনেকটাই কমে।
পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, বাইরে থেকে যত্নের পাশাপাশি প্রতি দিন খাদ্যতালিকায় প্রোটিন জাতীয় আমিষ খাবার রাখতেই হবে।