‘অ্যাকশন’ বলার সঙ্গে সঙ্গে বাঘের খাঁচার মুখ খুলে দেয়া হল। বাঘ লাফ দিয়ে নেমে প্রথমে খানিক লম্ফঝম্প করে শান্ত হল। ‘ওকে’ হল। সত্যজিৎ রায় বাঘের মুখের কাছে গিয়ে আরও কিছু শট নিলেন।
‘অ্যাকশন’ বলার সঙ্গে সঙ্গে বাঘের খাঁচার মুখ খুলে দেয়া হল। বাঘ লাফ দিয়ে নেমে প্রথমে খানিক লম্ফঝম্প করে শান্ত হল। ‘ওকে’ হল। সত্যজিৎ রায় বাঘের মুখের কাছে গিয়ে আরও কিছু শট নিলেন।
শুটিং চলাকালীন সত্যজিৎবাবু বলেই রেখেছিলেন, “পান খাওয়া চলবে না”। সেই নির্দেশ অমান্য করার জন্য একদিন বকুনিও খেয়েছিলেন। ছবিতে মাধবীর স্বামী হয়েছেন অনিল চট্টোপাধ্যায়।
‘মমতা’ ছবি সারা দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছবি হয়েছিল। সুরকার রোশনের সুরে লতা মঙ্গেসকারের গাওয়া “রহে না রহে হম” গানটি আজও সমান জনপ্রিয় হয়ে আছে।
‘অগ্নিসংস্কার’ হল উত্তম সুপ্রিয়া অভিনীত চতুর্থ ছবি। এই জুটির প্রথম ছবি ‘সোনার হরিণ’, দ্বিতীয় ছবি ‘উত্তরমেঘ’, তৃতীয় ছবি ‘শুন বরনারী’। অগ্নিসংস্কারের কাহিনীকার বিনয় চট্টোপাধ্যায়।
প্রতিষ্ঠিত ডাক্তারদের পাশাপাশি নতুন ডাক্তারদের নিয়েও যে ঘটনার বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছিল ‘হসপিটাল’ ছবিতে তার কাহিনীকার একজন ডাক্তার। তিনি হলেন ডাঃ নীহাররঞ্জন গুপ্ত।
ছবিতে এই গানে দেবাশিসকে দেখা যায় ব্যাক টু ক্যামেরা। তার কার্যত কিছুই করার ছিল না। ক্যামেরার দিকে পেছন করে রকিং চেয়ারে বসে থাকা ছাড়া।
প্রেমেন্দ্র মিত্রের মতে, ভারতী চরিত্রটি ধরতেই পারবে না। দেবকীকুমার বসু যতই তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করুন না কেন, কে শোনে কার কথা।
সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের ‘দেবী চৌধুরানী’ উপন্যাস অবলম্বনে দীনেন গুপ্ত নির্মাণ করেছিলেন ‘দেবী চৌধুরানী’ ১৯৭৪ সালে। নাম ভূমিকায় সেখানে ছিলেন সুচিত্রা সেন। বিপরীতে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক।
ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামকে মাথায় রেখে যে দুটি অসাধারণ ছবি নির্মিত হয়েছিল তার একটি হল ‘ভুলিনাই’, অপরটি ‘৪২’।
একদিন স্টুডিওতে গাড়ি থেকে নামার পর ছবি বিশ্বাস খোঁড়াতে খোঁড়াতে মেকআপ রুমের দিকে এগোতে শুরু করলেন। অন্য ফ্লোরে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ‘স্বরলিপি’ ছবির শ্যুটিং করছিলেন।
পাহাড়ি সান্যাল বাংলা ছবি স্বর্ণযুগের এক স্মরণীয় শিল্পী। নানান ধরনের চরিত্রে তিনি আমাদের মুগ্ধ করেছেন। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পেল দেবকীকুমার বসু পরিচালিত ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য’ ছবিটি।
বাংলা ছবির এক সময়ের দাপুটে পরিচালক ছিলেন দেবকীকুমার বসু। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরকুমার সভা নাটকের দেবকীবাবু চিত্ররূপ দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন।
একটি দৃশ্যের শর্ট নেওয়া হবে ক্রেনে চড়ে। ক্রেনে উঠেছেন ছবির চারজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন শিল্পী ছবির নায়িকা অরুন্ধতী দেবী এবং সহনায়ক প্রশান্ত কুমার আর রয়েছেন পরিচালক অসিত সেন ও ক্যামেরাম্যান।
ছায়াছবি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে যখন ‘শুধু একটি বছর’ ছবির কাজ সলিল দত্ত শুরু করেছিলেন তখন তিনিই পরিচালক ছিলেন। তাঁর সঙ্গে খুবই বন্ধুত্ব ছিল মহানায়ক উত্তমকুমারের।
উত্তমকুমার প্রসঙ্গে নরেশ মিত্র বলেছিলেন, ‘উত্তম যে একটি অসাধারণ অভিনেতা হবে আমি বউ ঠাকুরানীর হাট ছবি তৈরি করার সময় ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলাম।