ডি লিট লাভের অনেক আগে ১৮৯৮ সালে ভারত সরকার শাস্ত্রী মহাশয়কে ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি দেয়।
ডি লিট লাভের অনেক আগে ১৮৯৮ সালে ভারত সরকার শাস্ত্রী মহাশয়কে ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি দেয়।
শুধু কি সংস্কৃত? বাংলা? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরে বাংলাভাষার স্বচ্ছন্দ, স্বাভাবিক প্রয়োগ ও বিস্তারে তাঁর অবদান তো ভোলার নয়। তিনি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
রবীন্দ্রনাথ একজন স্বপ্নদর্শী হিসেবে প্রথম ভারতীয় ছিলেন, যিনি ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদী স্বাধীন ভারত-জাপান সম্পর্কের সম্ভাবনা বুঝতে সফল হয়েছিলেন।
পরাগায়নকারীরা বিলুপ্ত হলে আমাদের কৃষি এবং বনজ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। অতএব বাস্তুশাস্ত্র এবং অর্থনীতিকে হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে এবং উন্নতির পথে এগিয়ে চলতে হবে।
নীল উদ্ভিতকে জলাধারে প্রায় অর্ধেক দিন চুবিয়ে রাখলে এর থেকে সবুজ নির্যাস নির্গত হয়। এই নির্যাসকে বড় পাত্রে ঢেলে কাঠি দিয়ে নাড়লে সবুজ নির্যাস বাতাসের সংস্পর্শে এসে নীল রং ধারণ করে।
ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে ১৮৫৪ সালে ১৫ আগস্ট হাওড়া-হুগলির মধ্যে রেল চলাচলের ব্যবস্থা করে। ট্রেনটি সকাল ৮:৩০ মিনিটে হাওড়া থেকে রওনা হয়ে ২৪ মাইল অতিক্রম করে বেলা ১০টার সময় হুগলিতে পৌঁছয়।
বোটানিক্যাল গার্ডেন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যে মানুষটির যোগ সবচাইতে বেশি তিনি কিন্তু কোনও উদ্ভিদবিদ ছিলেন না। তিনি ছিলেন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস-এর একজন ইঞ্জিনিয়ার।