ময়ূরাক্ষীর প্রায় ১০ মাইল উত্তরে অবস্থিত এই দ্বারকা নদী সাঁওতাল পরগনা থেকে উৎপন্ন হয়ে বীরভূমে প্রবেশ করেছে। শেষে ফতেসিং পরগনা পার করে, ভাগীরথীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
ময়ূরাক্ষীর প্রায় ১০ মাইল উত্তরে অবস্থিত এই দ্বারকা নদী সাঁওতাল পরগনা থেকে উৎপন্ন হয়ে বীরভূমে প্রবেশ করেছে। শেষে ফতেসিং পরগনা পার করে, ভাগীরথীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
গৌতম বুদ্ধ শুধু বৌদ্ধ ধর্মের সূচনা করেননি। অথবা বলা যায়, শুধু একটি ধর্মীয় অনুশীলন হিসেবে বৌদ্ধধর্ম শুরু করেননি।
রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রাণের ঠাকুর মনের মানুষ। আজ তাঁর ১৬৩তম জন্ম দিবস। বিশ্বের দরবারে তিনি আমাদের দেশের ধর্মচিন্তা সাহিত্য কাব্য অর্থনীতি ইত্যাদি পৌঁছে দিয়েছেন।
কিশোর রবীন্দ্রনাথ প্রথম জীবনে ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণে কিছু পদ রচনা করেছিলেন। ১৮৮৪ সালে সেই কবিতা সংগ্রহই ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশিত হয়।
জঙ্গলমহলের আদিবাসী মেয়েরা ফুল ভালোবাসে। পরবের দিন থেকেই তারা খোঁপায় শাল, মহুল ফুল দেয়। এই ভূখণ্ডের আদিবাসী সমাজ প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচতে চায়।
সংস্কৃত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ার পর ইউনিভার্সিটি ইনস্টিউট হলে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত দিবসে ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করতে পেরে আমি ধন্য হয়েছি।
তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল জগৎজোড়া। সপ্তাহে প্রতিটি দিন সকালে কিংবা বিকেলে তিনি ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে নানা বিষয়ের আলোচনায় মশগুল থাকতেন।
রাজ্যে পাট চাষের জমি প্রায় ২ লক্ষ হেক্টর কমেছে। অথচ দেশের মোট পাট উৎপাদনের বড় অংশই আসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে।
শরৎচন্দ্রর পরে বিমল মিত্রকে আর একজন শ্রেষ্ঠ কথা বা ভাষ্য জাদুকর বা কথাসাগর এই অভিধায় চিহ্নিত করলে অত্যুক্তি হবে না।
নিজের পড়াশোনায় যেমন দূরদর্শী তেমন ছাত্র পড়ানোর ক্ষেত্রে। ক্লাসে কখনও বই হাতে ঢুকতেন না। পড়ানোর বয়ান সব মুখস্থ থাকত। ছাত্রদের পড়াতে পড়াতে কালিদাসের কালে নিয়ে যেতেন।
ডি লিট লাভের অনেক আগে ১৮৯৮ সালে ভারত সরকার শাস্ত্রী মহাশয়কে ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি দেয়।
শুধু কি সংস্কৃত? বাংলা? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরে বাংলাভাষার স্বচ্ছন্দ, স্বাভাবিক প্রয়োগ ও বিস্তারে তাঁর অবদান তো ভোলার নয়। তিনি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
রবীন্দ্রনাথ একজন স্বপ্নদর্শী হিসেবে প্রথম ভারতীয় ছিলেন, যিনি ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদী স্বাধীন ভারত-জাপান সম্পর্কের সম্ভাবনা বুঝতে সফল হয়েছিলেন।
পরাগায়নকারীরা বিলুপ্ত হলে আমাদের কৃষি এবং বনজ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। অতএব বাস্তুশাস্ত্র এবং অর্থনীতিকে হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে এবং উন্নতির পথে এগিয়ে চলতে হবে।
নীল উদ্ভিতকে জলাধারে প্রায় অর্ধেক দিন চুবিয়ে রাখলে এর থেকে সবুজ নির্যাস নির্গত হয়। এই নির্যাসকে বড় পাত্রে ঢেলে কাঠি দিয়ে নাড়লে সবুজ নির্যাস বাতাসের সংস্পর্শে এসে নীল রং ধারণ করে।