প্রবন্ধ লেখা কিন্তু খুব সহজ কাজ নয়। শব্দগুলোকে প্রকৃষ্ট রূপে বাঁধার জন্য শব্দের বুদ্ধিদীপ্ত প্রয়োগ প্রয়োজন। সেই কাজটাই অনায়াসে করে ফেললেন উনিশ শতকের এক অন্তঃপুরচারিণী। তখন ১৮৬৩ সাল। কৈলাসবাসিনী দেবীর প্রবন্ধের বই প্রকাশিত হল। এর আগে বামাসুন্দরী দেবীর আড়াই হাজার শব্দের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। সেই দিক থেকে কৈলাসবাসিনী দেবী দ্বিতীয় মহিলা প্রাবন্ধিক। কৈলাসবাসিনীর যখন বিয়ে হয়, তখন তিনি নিরক্ষর ছিলেন। মেয়েদের লেখাপড়া শেখার বিষয়টি তিনি তখন ঘৃণা করতেন। তাঁর জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এলেন তাঁর স্বামী দুর্গাচরণ গুপ্ত এবং তাঁর গুপ্ত প্রেস। গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা এখনও প্রকাশিত হয়। মানুষ পঞ্জিকা আজও পড়েন, কিন্তু কয়েক প্রজন্ম আগের কৈলাসবাসিনী দেবীকে মনে রেখেছেন কজন?


















