শুক্রবার ৪ এপ্রিল, ২০২৫
হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৮: হৃদয়ে আমার দিয়েছে ঢেউ, ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ

হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৮: হৃদয়ে আমার দিয়েছে ঢেউ, ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ

স্কেচ: লেখক। ফড়িঙের ক’টা ঠ্যাং, আরশুলা কী কী খায়? আঙুলেতে আঠা দিলে লাগে কেন চট্‌চট্‌? কাতুকুতু দিলে কেন গরু করে ছট্‌ফট্‌? ঝোলাগুড় কিসে দেয়, সাবান না পট্‌কা? পেট কেন কাম্‌ড়ায়? ঝাঁজ কেন জোয়ানের আরকে? তেজপাতে তেজ কেন? ঝাল কেন লঙ্কায়? নাক কেন ডাকে আর পিলে কেন...
পর্ব-৯: যে তোরে পাগল বলে তারে তুই বলিস নে কিছু

পর্ব-৯: যে তোরে পাগল বলে তারে তুই বলিস নে কিছু

অলঙ্করণ: লেখক। পাড়ার মোড়ে গুচ্ছের লোক জমেছে। একেকজনের হাতে একেক যন্ত্র। দৌড়োদৌড়ি। একটা কাচ ঢাকা কালো বাস। ট্রাইপডে পেল্লায় ক্যামেরা। আশেপাশে লোকলস্কর, কারও হাতে খাতা, কারও হাতে ছাতা। টেবল, চেয়ার, ট্রলি, রেললাইন, মেকআপ, ব্রেকআপ, প্যাকআপ ইত্যাদি মিলিয়ে এলাহি...
হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৭: বিপৎকালে দেখতে পাই, রাখাল ছাড়া বন্ধু নাই…

হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৭: বিপৎকালে দেখতে পাই, রাখাল ছাড়া বন্ধু নাই…

স্কেচ: লেখক। যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই সন্ধ্যা হয়। ঘরের বিড়াল বনে গেলে বাঘ হয়। কপাল যদি মন্দ হয়, দুব্বোক্ষেতে বাঘের ভয়। খ্যাঁককশেয়ালই যুদ্ধের সময় বাঘ হয়ে যায়। গাধাকে পরালে বাঘের ছাল, বাঘ থাকে না চিরকাল। মোগল পাঠান হদ্দ হল, ফারসি পড়েন তাঁতি, বাঘ পালাল বিড়াল এল, শিকার...
পর্ব-৮: ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার

পর্ব-৮: ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার

অলঙ্করণ: লেখক। মানুষের জগতে যত অদ্ভুতুড়ে ঘটনা ঘটে, এই যেমন হেড অফিসের বড়বাবুর গোঁফ চুরি যায় অথবা প্রতিবেশীর সাদা নধর পাঁঠা চুরি করে তার গায়ে কালো রং করে দিব্যি তার ভোজে প্রতিবেশীকেই নেমন্তন্ন করা যায় অথবা সামনে গাজর ঝুলিয়ে খুড়োর কলের পিছনে সোত্সাহে ছোটা যায়...
হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৬: মজল আঁখি মজেছে মন, ইমোজি তোদের ডাকল যখন

হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-৬: মজল আঁখি মজেছে মন, ইমোজি তোদের ডাকল যখন

স্কেচ: লেখক। ‘ন্যাশনাল আইসক্রিম ডে’ আর ‘জাতীয় ইমোজি দিবস’ পরপর থাকলে কী হতে পারে? ঈশ্বরের নাকি সকল দিনই সমান। কোনও দিন আকাশের মুখভার তো কোনওদিন ভাজা ভাজা করা রোদ। রেইনি ড’ নিয়ে আমাদের নস্টালজিয়া, বার্থ ডে নিয়ে আমরা ইমোশনাল, ডি ডে, মে...

Skip to content