
ছবি প্রতীকী
কলকাতা হাই কোর্ট শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়ম শিথিল করল। এবার অসুস্থতার সঠিক কারণ দেখিয়ে শিক্ষকরা বদলি নিতে পারেন। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সোমবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন। কোনও শিক্ষকের যদি শারীরিক অসুস্থতার জন্য দূরের কোনও স্কুলে যেতে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেই শিক্ষককে বদলি করা দরকার, এমনটা মনে করে আদালত। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত যে নিয়ম রয়েছে, তাতে বদল আনা দরকার।
এখন রাজ্য সরকারের ‘উৎসশ্রী’ পোর্টালের মধ্যমে অন্য স্কুলে বদলি হতে আবেদন করতে হয় শিক্ষকদের। তবে টানা পাঁচ বছর চাকরি না করলে বদলির আবেদন করা যায় না। বিচারপতি মান্থা সোমবার সেই নিয়মে বদলের নির্দেশ দিয়েছেন। মান্থার নির্দেশ, কেউ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় ভুগলে পাঁচ বছরের কম চাকরি করলেও বদলি কার্যকর করতে হবে। শুধু তাই নয়, আবেদনের ছয় সপ্তাহের মধ্যে পদক্ষেপ করতে হবে।
এখন রাজ্য সরকারের ‘উৎসশ্রী’ পোর্টালের মধ্যমে অন্য স্কুলে বদলি হতে আবেদন করতে হয় শিক্ষকদের। তবে টানা পাঁচ বছর চাকরি না করলে বদলির আবেদন করা যায় না। বিচারপতি মান্থা সোমবার সেই নিয়মে বদলের নির্দেশ দিয়েছেন। মান্থার নির্দেশ, কেউ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় ভুগলে পাঁচ বছরের কম চাকরি করলেও বদলি কার্যকর করতে হবে। শুধু তাই নয়, আবেদনের ছয় সপ্তাহের মধ্যে পদক্ষেপ করতে হবে।
হামিদা খাতুন ২০১৯ সালে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের একটি স্কুলে চাকরিতে যোগ দেন। হামিদার বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে। হামিদার বক্তব্য, তিনি একটি বিশেষ স্ত্রী রোগজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এ নিয়ে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তাই প্রতি দিন বাড়ি থেকে ৪০০ কিমি দূরের স্কুলে হামিদা খাতুনের যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না।
শিক্ষা দফতরে আবেদন করেও কোনও সুরহা না হওয়ায় বাড়ির কাছের কোনও স্কুলে বদলি চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন হামিদা। রাজ্যের আইনজীবী এই আবেদনের বিরোধিতা করেন। আইনজীবীর বক্তব্য, ১৯৯৭ সালের এসএসসি আইন অনুযায়ী পাঁচ বছরের কম চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে বদলির জন্য আবেদন করা যায় না। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারপতির বলেন, ‘যে কোনও সময় মানুষ অসুস্থ হতেই পারেন। এটা কি ডাকবিভাগে আসে? অসুস্থতা কাউকে বলে আসে না।’
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই আইনের এই নিয়ম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সেই সময় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘গোলি মারো রুলো কো। যে নিয়ম উপকারের পরিবর্তে অপকার করে তা রেখে লাভ কী?’ এ বার বিচারপতি মান্থা সেই নিয়ম বদলের নির্দেশ দিলেন সোমবার।
শিক্ষা দফতরে আবেদন করেও কোনও সুরহা না হওয়ায় বাড়ির কাছের কোনও স্কুলে বদলি চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন হামিদা। রাজ্যের আইনজীবী এই আবেদনের বিরোধিতা করেন। আইনজীবীর বক্তব্য, ১৯৯৭ সালের এসএসসি আইন অনুযায়ী পাঁচ বছরের কম চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে বদলির জন্য আবেদন করা যায় না। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারপতির বলেন, ‘যে কোনও সময় মানুষ অসুস্থ হতেই পারেন। এটা কি ডাকবিভাগে আসে? অসুস্থতা কাউকে বলে আসে না।’
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই আইনের এই নিয়ম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সেই সময় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘গোলি মারো রুলো কো। যে নিয়ম উপকারের পরিবর্তে অপকার করে তা রেখে লাভ কী?’ এ বার বিচারপতি মান্থা সেই নিয়ম বদলের নির্দেশ দিলেন সোমবার।