
কদম ফুল। ছবি: সংগৃহীত।
এই কদম গাছ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় অমরত্ব লাভ করেছে। আবার বৃন্দাবনের মানুষের মুখে মুখে শোনা যায় যে, গোপিনীরা যমুনায় স্নান করার পূর্বে তাঁদের বস্ত্র যখন নদীর তীরে রেখেছিলেন তখন ছোট্ট কৃষ্ণ তাঁদের জব্দ করার জন্য সেইসকল বস্ত্র কদম গাছের একটি শাখায় ঝুলিয়ে দেন এবং সেই গাছেই আত্মগোপন করেন। কদম গাছকে ঘিরে কৃষ্ণলীলা যতই বলা হবে ততই যেন কম হবে।
এই কারণেই হয়তো, বৃন্দাবন বাসীদের নিকট কদম গাছ অত্যন্ত পবিত্র এবং কৃষ্ণপ্রেমীরা কদম ফুল দিয়ে কৃষ্ণ মন্দির সাজাতে এবং অঞ্জলি দিতে খুব ভালোবাসেন। এই কদম গাছকে কেন্দ্র করে সমগ্র ভারত অর্থাৎ উত্তর থেকে শুরু করে দক্ষিণের মানুষের মনের মধ্যে ধর্মীয় ভাব বিরাজ করছে। উত্তর ভারতে যেমন কদম গাছ শ্রীকৃষ্ণ অর্থাৎ পালনকর্তা নারায়ণের সঙ্গে অতপ্রতভাবে জড়িত তেমনই দক্ষিণ ভারতের মানুষের বিশ্বাস যে মা চণ্ডী রুপী দুর্গা এই কদম গাছেই অধিষ্ঠান করেন। শক্তিরূপীনি দুর্গার দাক্ষিণাত্যের মন্দির “মিনাক্ষী মন্দির”-র সামনে একটি বিশাল কদম্ব বৃক্ষ রোপিত আছে।
ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত রাজা উত্থানপদ এবং রানি সুনিতির পুত্র ‘ধ্রুব’-র নাম অনেকেই শুনেছেন কিন্তু জানেন কি যমুনা তীরে একটি কদম গাছের তলায় বসেই ধ্রুব তার সাধনা পর্ব শুরু করেন। পৌরাণিক কাহিনিতে জানা যায় যে ছোট্ট ধ্রুব সাধনার প্রথম পর্বে তিনি কদমগাছের কন্দ এবং মূল চিবিয়ে খেয়ে বেঁচে থাকতেন এবং দ্বিতীয় পর্বে শুকনো পাতা চিবিয়ে জীবন অতিবাহিত করতেন এবং তৃতীয় পর্বে শুধুমাত্র যমুনার জল খেয়ে সাধন পর্ব চালান। তারপর তিনি চতুর্থ স্তর থেকে বায়ু সেবন করে ও অন্তিম পর্বে শ্বাস বন্ধ করে একাগ্র চিত্রে বিষ্ণু সাধনা করেছিলেন এবং ফলস্বরূপ সিদ্ধিলাভ করেন। বিষ্ণুর পরম ভক্ত ধ্রুবর নাম অনুসারে জ্যোতিষ্কমণ্ডলের সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল গ্রহটির নামকরণ করা হয় ধ্রুবতারা।

হাত বাড়ালেই বনৌষধি, পর্ব-২৫: স্বাদ আনে, স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তিল বীজ ব্যবহারে কী লাভ?

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৪৮: খেলার ছলে এসেছিনু যেথা ‘হারজিৎ’-র পর্ব রাখিনু সেথা
এমন সময় এক ব্রাহ্মণের নিকটে তাঁরা তাদের দুঃখের কথা জানালেন। তখন সেই ব্রাহ্মণ বললেন যে গ্রামের বিশেষ একটি কদম্বগাছে যে কদমরাজ ও কদমরানি থাকেন তাদের পুজো করলে তাঁরা সুখ-সৌভাগ্য ফিরে পাবেন। ব্রাহ্মণের নির্দেশ মতো ওই বণিকের পুত্রকন্যা ও জামাতারা সকলে মিলে কদম গাছকে কেন্দ্র করে একটি মন্দির তৈরি করলেন এবং সমস্ত উপাচার মেনে পুজো শুরু করলেন।

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪: সুন্দরবনের মৎস্যদেবতা মাকাল

এগুলো কিন্তু ঠিক নয়, পর্ব-৩৮: চল্লিশ পার হলেই নিরামিষ?
এক নজরে

পরিযায়ী মন, পর্ব-৬: বৈতরণীর পারে…

হুঁকোমুখোর চিত্রকলা, পর্ব-১৫: আর যাহা খায় লোকে স্বদেশে ও বিদেশে / খুঁজে পেতে আনি খেতে-নয় বড় সিধে সে!…
কী কী উপাদানে ভরপুর?
চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহার
ব্যথা উপশমে
ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করতে
স্ত্রীরোগ নিয়ন্ত্রণে
কৃমি রোগ সারাতে
ত্বকের সমস্যায়
পাইরিয়া বা মুখের ক্ষত দূরীকরণে
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
জ্বর ও কাশির সমস্যায়
শারীরিক জ্বালা ভাব দূরীকরণে