পর্যটকরা জলদাপাড়া রেঞ্জের জঙ্গলে সাফারি গাড়িতে জঙ্গল ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। পর্যটকরা জিপে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিলেন। ওই সময় ‘সাফারি কার’কে দেখাই দুই গন্ডারের সব রাগ গিয়ে পড়ে সেটির উপর।

পর্যটকরা জলদাপাড়া রেঞ্জের জঙ্গলে সাফারি গাড়িতে জঙ্গল ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। পর্যটকরা জিপে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিলেন। ওই সময় ‘সাফারি কার’কে দেখাই দুই গন্ডারের সব রাগ গিয়ে পড়ে সেটির উপর।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারির বাজেট অধিবেশনের দিন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)-র ঘোষণা করেছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্ন এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
ওই হামলায় অর্জুন গুরুতর জখম হয়। তাকে নিয়ে পরিবারের সদস্যেরা দ্রুত জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। যদিও হাসপাতালে যাওয়ার পথেই অর্জুনের মৃত্যু হয়।
শীতের আমেজ উধাও। দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার গ্রাফও ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাপমাত্রার খুব একটা পার্থক্য হবে না। আপাতত বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকারের অর্থ দফতর। তাতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মীরা সোম ও মঙ্গলবার কাজে যোগ না দিলে কর্মজীবন থেকে তাঁদের এক দিন বাদ পড়বে। শো-কজও করা হতে পারে।
শীতের আমেজ উধাও। তার মধ্যে আবার শনিবার সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকা বৃষ্টিতে ভিজল। এই অসময়ে বৃষ্টির জন্য তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ গতকাল বুধবারের তুলনায় প্রায় ১ ডিগ্রি বেশি। আবার স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় ২ ডিগ্রি কম।
বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ৩ ডিগ্রি কম।
রবিবার সন্ধ্যায় বাটরা গ্রামে অনুষ্ঠানের চলছিল। সেই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাস্তায় মেলা বসেছিল। সেখানে অনেক রকম দোকান ছিল। রাস্তার ধারে গ্যাস বেলুন বিক্রেতাও বসেছিলেন।
শুক্রবার তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি কমে হল ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়। অর্থাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে এক ডিগ্রি কম।
শুধু রবিবার নয়, সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে হাওড়া-বর্ধমান (কর্ড এবং মেন দুইই), ব্যান্ডেল-বর্ধমান, বর্ধমান-আসানসোল এবং বর্ধমান-রামপুরহাট শাখায়।
শনিবার সর্বোচ্চ তাপমত্রা ২৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাচাকাছি থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।
জানুয়ারি মাসের শেষ মানেই মনে একটা ফুরফুরে আমেজ। স্কুলের পাশের মাঠে সাজো সাজো রব। চারিদিকে রাশি রাশি বাঁশ, আর সেই দৃশ্যই মন ভালো করে দেয়! মেলার মাঠের স্টল তৈরির শুরু যে!
সোমবার মহানগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশি।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। রবিবার তার থেকে ২ ডিগ্রি নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। সারাদিন আকাশ পরিষ্কার থাকবে।