দুলালের কাছে জুনিয়র গিয়ে তার সিনিয়র-এর নামটা জানালেন। নামটা শুনে দুলাল চমকে উঠল রাজনীতি করার সূত্রে সে এই নামটার সঙ্গে পরিচিত। সে জানে এই মানুষটির একদিনের অ্যাপিয়ারেন্স ফী জোগাড় করতে পারবে না সে। তাঁকে না বলার ক্ষমতা তার নেই। তাই সে হ্যাঁ বলল! বিচারক একমাস পরে দিনধার্য করলেন। দু’ তিনজন জুনিয়রকে নিয়ে সেই মহানুভব অ্যাডভোকেট অবনী চৌধুরী জেলে দুলালের সঙ্গে দেখা করলেন!






















