সেরা পাঁচ
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯০: ত্রিপুরার রাজপরিবারকে রবীন্দ্রনাথের প্রথম পত্র
‘বালক’-এ ধারাবাহিক প্রকাশের পর এবং বই আকারে ‘রাজর্ষি’ প্রকাশের আগে রবীন্দ্রনাথ ত্রিপুরার তদানীন্তন মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যের কাছে গোবিন্দ মাণিক্যের রাজত্বকালীন ঐতিহাসিক উপাদান চেয়ে একটি পত্র পাঠান। এটিই হচ্ছে ত্রিপুরার রাজপরিবারের কাছে কবির প্রথম পত্র।
পর্ব-১১৭: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৬
ধৃতিমান একদিন বাড়িতে বসে পুরনো কতগুলো টেপ বাজিয়ে বাজিয়ে দেখছিল যে তাতে কী আছে। ভাগ্য ভালো এখনও তার টেপ রেকর্ডারটা চলে, আর টেপের ফিতে জড়িয়ে যায়নি। হঠাৎই তার মধ্যে থেকে একটা বাজি ফাটার টেপ আবিষ্কার করল ধৃতিমান। কালীপূজোর আগে বুবুকে অভ্যাস করানোর জন্য বারবার টেপে বাজি পোড়ানোর শব্দ শোনানো হতো। যাতে আসল বাজি পোড়ানোর জোরালো শব্দ শুনলে বুবু ভাবে সেই আওয়াজ টেপে বাজছে। সে স্বাভাবিক থাকবে। ভয় পাবে না।
পর্ব-১৪৫: রাজসূয় যজ্ঞের সূচনায় মতবিনিময়ে নিহিত বৈচিত্র্যময় মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি
রাজসূয় যজ্ঞারম্ভকে কেন্দ্র করে মত বিনিময়ের মধ্যে যে তত্ত্বকথার সূচনা হল তার মধ্যে লুকিয়ে আছে রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার নানা রসদ। একটি মহান বিরাট উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা সাধারণ থেকে অসাধারণ তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। এ সবই মহাভারতের মহাকাব্যিক বিস্তার নয় কী?
শিকাগো হিন্দু ধর্মমহাসভায় স্বামী বিবেকানন্দ কেন বলেছিলেন Why We Disagree?
নিরঞ্জন নররূপধর নির্গুণ গুণময়
স্বামী বিবেকানন্দ মানুষের অন্তর্লোকের বন্ধনমুক্তির পথ প্রশস্ত করছিলেন তখন। দেশের মানুষের জাগতিক দৈন্য-অপ্রাপ্তি-অসহায়তার মূলে তার ন্যুব্জ তমসাবৃত জীবনের অচলায়তনকেই তিনি কারণ মনে করেছেন। তাঁর প্রায়োগিক অদ্বৈতবাদ এখানেই প্রযুক্ত, সেই নিষ্ফল স্থবির জীবনকে জাগিয়ে, আলোড়িত করে, প্রকম্পিত করে অভীষ্টপানে ধাবমান করার বিপুল তরঙ্গ তুলেছিলেন তিনি সব চরাচর উদ্বেল করে।
পর্ব-৫২: আকাশ এখনও মেঘলা
আজ সেক্টর ফাইভে নিজস্ব অফিস। সফল আইটি ব্যবসায়ী অতনু সেন সেই বিষের জ্বালায় ছটফট করতে করতে প্রতিটি দিন প্রতিমুহূর্তে অপেক্ষা করছে! তার বাবার অপমান অন্যায় অপবাদ, তার মায়ের মৃত্যু , তার শৈশবটা ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া এই সমাজের নরকের কীটগুলোর বিরুদ্ধে ভয়ংকর প্রতিশোধ নেবার জন্যে অপেক্ষা করছে। আর দু’হাত ভরে রোজগার করা টাকার একটা বিরাট অংশ, দূর্ভাগ্যে শৈশব নষ্ট হয়ে যাওয়া সেই সব অনাথ শিশুকিশোরদের জীবন গড়ে দেওয়ার জন্য ফাদারের মাধ্যমে তাদের মধ্যে দিয়ে সে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৪: ছোট নখরযুক্ত ভোঁদড়
ভোঁদড়ের মুখটা সামনের দিকে সামান্য সূচালো। উপরের চোয়ালের দুপাশে অর্থাৎ নাসারন্ধ্রের দুদিকে একটু নিচে শক্ত খোঁচা খোঁচা কিছু লোম থাকে। জলে ভিজলেও লোমগুলো নেতিয়ে পড়ে না। লোম গুলি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে জলের গভীরে যখন ভোঁদড় দের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায় তখন ওই লোমগুলোর স্পর্শেই বুঝতে পারে কোথায় কোন গর্তে বা পাথরের আড়ালে মাছ, কাঁকড়া ইত্যাদি লুকিয়ে আছে। তারপর নখ বা দাঁতের সাহায্যে তুলে আনে তার শিকার। ভোঁদড়ের দাঁতগুলোর প্রান্ত খুব ধারালো ও তীক্ষ্ণ খাঁজযুক্ত। ফলে শিকার দাঁত ফসকে পিছলে বেরিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।
পর্ব-১৪৯: সত্যব্রতের মুখোমুখি
শাক্য মোবাইলে মেসেজ করে কথা বলছিল উল্লাসের সঙ্গে। অনেকবার ফোন করেছে সে। তখন ব্যস্ত থাকায় আর ফোন তোলার সময় হয়নি তার। সুদীপ্তর কাছে যদিও সে শুনেছে বিষয়টি, তবুও উল্লাসের কাছ থেকেও শুনতে চাইছিল সে। উল্লাসকে সে জানিয়ে দিয়েছিল, এখন তার চারপাশে যেহেতু অনেকে আছেন, ফলে ফোনে কথা বলা যাবে না। তবে মেসেজে বলা যাবে। সেই কারণে উল্লাস মেসেজ করছিল। আর শাক্য যথাসম্ভব প্রশ্ন করে জেনে নিচ্ছিল যা জানার।
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৯ : চারুলতা: নাচে মুক্তি? নাচে বন্ধ?
চারুলতা। কোনও এক অলস দুপুরে বসে সময় কাটায় চারুকলার অভ্যাসে। লতার মতো সে ঘিরে আছে ওই প্রদীপ শিখাটিকে। যে লতা চারু, নৈপুণ্যে সজ্জিত, সুন্দর। কিন্তু হাতে ঘেরা প্রদীপ শিখাটির মতো লতা কাকে ঘিরে থাকে? ইংরাজি “B” অক্ষরটিকে। পরিচালক কেবল সঙ্গীতের ব্যঞ্জনাতেই থামেননি, তাকে আরও গভীর, তীক্ষ্ণ ও স্পষ্ট করেছেন এই সূচিকর্মের প্রয়োগে। সহৃদয় তন্নিষ্ঠ দর্শক দেখে সচকিত হন, “B” থাকার অর্থ তার আগে পরে ‘A’ ও ‘C’ র অস্তিত্বের অনুমান। রসজ্ঞ দর্শক “C” কে খুঁজে পাবেন চারুর মাঝে। কাহিনি এগোলে অমলের মাঝে পান ‘A’কে।
পর্ব-১৬: পরবাস প্রস্তুতি (দুই)
জ্যেষ্ঠ পুত্রের সঙ্গে কথায় কথায় পার হয়ে গেল কত সময়। উদ্বেল আবেগে ভাসছিলেন আদিনাথ। কথা ফুরিয়ে এসেছিল দু’জনের। আদিনাথের বুক থেকে নিঃসরিত হচ্ছিল পূর্ণতার সুখশ্বাস। দেবব্রতর কাজ অনেক। এখনই হয়তো উঠে যাবে। আদিনাথ কথা খুঁজছেন। আর কিছুক্ষণ যদি নিজের পাশে আটকে রাখা যেত ছেলেকে।
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৯: রবীন্দ্রনাথ ও ত্রিপুরা, অনুক্ত কৈলাসচন্দ্র
‘জীবনস্মৃতি’তে কবি লিখেছেন— “…মনে আছে, এই লেখা বাহির হইবার কিছুকাল পরে কলিকাতায় ত্রিপুরার স্বর্গীয় মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের মন্ত্রী আমার সহিত দেখা করিতে আসেন। কাব্যটি মহারাজের ভালো লাগিয়াছে এবং কবির সাহিত্য সাধনার সফলতা সম্বন্ধে তিনি উচ্চ আশা পোষণ করেন, কেবল এই কথাটি জানাইবার জন্যই তিনি তাঁহার অমাত্যকে পাঠাইয়া দিয়াছিলেন।”
পর্ব-১১৬: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৫
স্বাভাবিকভাবে অশান্তি বাড়ল। একটা পুরনো পলিসি ম্যাচিওর হতে আনন্দ’র হাতে কিছু টাকা এসেছিল। মুখার্জীদার কিছুটা ধার শোধ করতে সেদিন আনন্দ মুখার্জিদার ফ্ল্যাটে গিয়েছিল। সেদিন সে আমার ফেলে আসা রুমালটা পায়। রাতে ফিরে এসে চরম অশান্তি হল। আমার মাথার ঠিক ছিল না। আমিও বলে দিলাম ধারের টাকা যে বর শোধ করতে পারে না টাকার বদলে তার বৌকে ছেড়ে দিতে হয়! আনন্দ সে রাতে আমায় গলা টিপে মারতে এসেছিল! মেরে দিলেই ভালো হতো। বেঁচে যেতাম!
পর্ব-১৪৪: রামের বনবাস—জীবনের লক্ষ্যপূরণের আত্মিক অনুসন্ধান
রাম, স্থির করলেন, বনবাসের নির্ধারিত সময়ের অবশিষ্টাংশ, সজ্জনকল্যাণে নিয়োজিতপ্রাণ মহর্ষি অগস্ত্যের আশ্রমে বাস করবেন। রামের নির্দেশানুসারে, অনুজ লক্ষ্মণ মহর্ষির আশ্রমের এক শিষ্যকে বললেন, রাজা দশরথো নাম জ্যেষ্ঠস্তস্য সুতো বলী। রামঃ প্রাপ্তো মুনিং দ্রষ্টুং ভার্য্যয়া সহ সীতয়া।। রাজা দশরথের জ্যেষ্ঠ পুত্র বলশালী রাম, মুনির দর্শনের আশায়, স্ত্রী সীতার সঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন। লক্ষ্মণ আত্মপরিচয় দিলেন, আশ্রমবাসীগণ শুনে থাকবেন, তিনি রামানুজ লক্ষ্মণ, রামের হিতসাধক, অনুগত ভক্ত। পিতার আদেশানুসারে, তাঁরা এই ভয়াবহ অরণ্যে...
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৬৪: শোণিতপুরের গল্প
অসম সব সময়ই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণ কেন্দ্র হয়ে রয়েছে। এখানকার প্রকৃতি, পাহাড়, ঝর্ণা, চা বাগান, কামাখ্যা মন্দির সব কিছুই অসমের প্রতি মানুষের কৌতুহলকে বাড়িয়েছে। অসমের এই সব আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান ছাড়াও অসমের বুকে লুকিয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। রয়েছে অনেক মিথ কেন্দ্রিক কাহিনীও। সে রকমই একটি জায়গা হল অসমের তেজপুর।








