সারা দিন ঘোরার পরে প্রথমেই মেকআপ রিমুভার বা তেল দিয়ে মেকআপ তুলে নিতে হবে। তার পর স্ক্রাবার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মাখতে হবে ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে তৈরি প্যাকটি। ১৫-২০ মিনিট রাখলেই বাজিমাত।
সারা দিন ঘোরার পরে প্রথমেই মেকআপ রিমুভার বা তেল দিয়ে মেকআপ তুলে নিতে হবে। তার পর স্ক্রাবার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মাখতে হবে ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে তৈরি প্যাকটি। ১৫-২০ মিনিট রাখলেই বাজিমাত।
ফাদার মরিস ভেবেছিলেন চার্চের উন্নতি করবেন অনাথ ছেলেপুলের আশ্রয়ের একটা ব্যবস্থা করবেন। পরবর্তীতে ফাদার স্যামুয়েল তাকে পুরোদস্তুর হোম তৈরি করলেন। খ্রিস্টান হোম নিয়ে নানাধরনের ধারণা বহুদিন ধরেই মানুষের মধ্যে আছে। বিদেশ থেকে বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে টাকা আসে গরিব মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা ইত্যাদি ইত্যাদি। কুৎসা রটে, তার সবটা সত্যি নয়।
কবি শামসুর রহমান শালিক পাখিকে যথার্থভাবে রৌদ্রছায়ার মালিক বলেছেন, কারণ এই পাখি ছায়া-রোদ, গ্রাম-শহর, মাঠ-ঘাট-প্রান্তর কোথায় নেই! সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত এদের বিচরণ জঙ্গল থেকে বাড়ির উঠোন। শালিক পাখি চেনে না এমন বাঙালি পাওয়া মুশকিল। ছোটবেলায় শালিক পাখিকে চিনতাম ‘বনি’ (উচ্চারণ বোনি) পাখি হিসেবে। সুন্দরবন অঞ্চলের গ্রাম্য মানুষ আজও এদের বনি পাখি বলে।
সুদীপ্ত বলল, “আপনি কি স্মোক করেন শাক্যদা?” কিছুক্ষণ আগেই ঠিক হয়েছে, সুদীপ্ত শাক্যকে ‘স্যার, স্যার’ বলার পরিবর্তে ‘শাক্যদা’ বলে ডাকবে। সবার সামনে সে প্রোটোকল মেনটেইন করার জন্য ‘স্যার’ বলতেই পারে, কিন্তু অন্যত্র ঘাটে-বাটে-মাঠে ‘স্যার’ বলা চলবে না। বললেই শাস্তি। অন্যদিকে শাক্য সুদীপ্তকে ‘আপনি’র পরিবর্তে ‘তুমি’ করে বলবে, এটাও ঠিক হয়েছে।
প্রয়াত বর্ষীয়ান সঙ্গীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘ দিন তিনি রোগভোগ ভুগছিলেন। আজ শনিবার ভোরে প্রতুল মুখোপাধ্যায় প্রয়াত হয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রতুলবাবু অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এসএসকেএম হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শকুন্তলার প্রথম অঙ্কে হরিণটা ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়চ্ছে। পিছনে দুষ্যন্ত। রাজা এসে পৌঁছলেন কণ্বের আশ্রমে। তারপর শকুন্তলাকে দেখলেন। দেখেই প্রেম জাগল। প্রণয় থেকে পরিণয় হলো। তারপর প্রত্যাখ্যান। তারপর পুনর্মিলন। তারপর জল অনেক গড়িয়েছে, মনে পড়ে রুবি রায়?
মুরি’র দেখা ঝগড়ার এক ঝলক, লরেন্স ফ্রিডাকে বললেন, এই শেষ। আর তোমার সঙ্গে থাকা যাবে না। অসম্ভব। তুমি জানো আমার কি টাকা-পয়সা আছে। তোমার ভাগেরটা দিয়ে দিচ্ছি। বেরিয়ে যাও। বলে ওপর তলার থেকে এসে টেবিলের ওপর গুনে গুনে ষোল sovereign (মুদ্রা) রাখলেন। ফ্রিডা দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে। হাতে টুপি ও কোট। কোথায় যাবেন জানেন না।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে গলদঘর্ম অবস্থায় এক গ্লাস মিষ্টি আখের রস মন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। তবে শুধু গ্রীষ্মকাল কেন, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা স্বাদের খেয়াল রাখার পাশাপাশি শরীরের যত্নেও ভরসা হোক আখের রস।
রবীন্দ্রনাথের পত্র পাবার আগেই বীরচন্দ্র ‘মুকুট’ ও ‘রাজর্ষি’ পড়ে ফেলেছিলেন বলে তাঁর পত্র সূত্রে জানা যায়। ইতিহাস-আশ্রিত গল্প ‘মুকুট’ রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন’রাজর্ষি’র আগে। পরবর্তী সময়ে তিনি তার নাট্যরূপ দেন।
একটা ম্যাচ মৃদুল খুব ভালো ব্যাট করে জিতিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু তার পরের ম্যাচটাতে মাত্র চার রানে বাউন্ডারি লাইনের ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যায়। হারা ম্যাচ দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা মিলেজুলে কোনক্রমে বাঁচিয়ে দেয়। মৃদুলের রেকর্ড খুবই ভালো, তার জন্যই সেদিনের ম্যাচে বেঙ্গল সিলেক্টররা এসেছেন খেলা দেখতে।
শ্রীমা একদিন বেলা প্রায় চারটের সময় অনেক মহিলা ভক্তের সঙ্গে বসেছিলেন। তাদের মধ্যে শ্রীম’র স্ত্রী, ডাক্তার দুর্গাপদবাবুর স্ত্রী, গৌরীমা ও তাঁর পালিতা কন্যা, ‘দুর্গাদিদি’ বলে যাকে সরযূদেবী ডাকে আর বরেনবাবুর পিসি ছিলেন। শ্রীমা হাসিমুখে সকলের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি সরযূদেবীকে দেখে বসতে বললেন। সরযূদেবী গৌরীমাকে দিয়ে নিচে অফিস থেকে ‘নিবেদিতা’ ও ‘ভারতে বিবেকানন্দ’ বইদুটি আনালেন। তাঁর ইচ্ছা শ্রীমা ‘নিবেদিতা’ বই থেকে কিছু শোনেন।
জাতকমালার যে কাহিনি আজকের প্রতিপাদ্য সেখানে বোধিসত্ত্বের প্রত্যক্ষ ভূমিকা দেখা যাবে না। কাল বারাণসীরাজ ব্রহ্মদত্তের শাসনকাল, স্থান হিমালয়ের গহন বন। বোধিসত্ত্ব সেবার নাকি ওই বনের কোনও এক বনস্পতিতে বৃক্ষদেবতা হয়ে জন্মান্তর লাভ করেছেন। তিনি এই কথার নীরব সাক্ষী, মুখ্য চরিত্রগুলির মধ্যে তাঁর অন্তর্ভাব নেই।
বাজশ্রবা সেদিন খুব ব্যস্ত। রাশভারী লোক। সকলে তাঁর কথায় তটস্থ। শুধু ঠ্যাঁটা ছেলেটার কোনও ভয়ডর নেই। জ্বালিয়ে খেল আর কী। শিশু মনস্তত্ত্ব তিনিও খানিক বোঝেন। একেই আজ বিশ্বজিৎ যাগের শেষে দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করার তাড়া, তার ওপর হতচ্ছাড়া ছেলেটা বলে কি, “আমায় কাকে দিচ্ছ?”
মন্থরক একজন অভিজ্ঞ দার্শনিকের মতো হিরণ্যককে বোঝাচ্ছিলেন, যে সম্পদ ব্যবহার হয় না, তার থাকা না-থাকা সমান। ফলে তাই নিয়ে দুঃখ করবার কোনও কারণ নেই। মন্থরকের মতে, মানুষেরমানই হল শ্রেষ্ঠ সম্পদ।যেদিন সেই মানসম্মানটুকুও মানুষের থাকে না, তখনই তাকে দরিদ্র বলতে হয়। না হলে সামান্য একটা বৃষকে মাত্র সম্পদ করে দেবাদিদেব মহাদেব একজন ধনীব্যক্তির মতন নিশ্চিন্তেকি ঘুরে বেড়াতে পারতেন!
স্ক্রিনে চিত্রনাট্য, শিল্প নির্দেশনা প্রভৃতি হাজারো অসুবিধা থাকলেও উত্তমবাবুর উপস্থাপন ভঙ্গিতে তা মুহূর্তেই যেন প্রাণ পেত। দেবী সরস্বতীর এমন এক আশীর্বাদ উনার উপর বিরাজ করতো যে প্রতিটা মুহূর্তকে ফ্রেমবন্দি করার একটা দুর্লভ সাহস উনি দেখাতে পারতেন।