ঘূর্ণাবর্তের জের। তাই আজ বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলার সাতটি জেলা। বাকি জেলাগুলিতেও কমবেশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড় বইতে পারে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
ঘূর্ণাবর্তের জের। তাই আজ বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলার সাতটি জেলা। বাকি জেলাগুলিতেও কমবেশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড় বইতে পারে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
সাতসকালে ক্রাইম সিনে পৌঁছে গিয়েছেন শ্রেয়া। প্রাথমিকভাবে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। ঘরের কোথাও কোনওরকম অস্বাভাবিকতা নেই। বাইরে থেকে কেউ আসেননি বলেই মনে হচ্ছে। রিয়ার বয়স্কা মা সকালবেলা মৃতদেহ আবিষ্কার করেন। ক্রাইমসিন এভিডেন্স বলতে অর্ধেক খালি চায়ের কাপ তাতে বেশ দামি ব্র্যান্ডের একটি গ্রিণ টি-এর ব্যাগ!
জাতকের গল্প গুলি আমাদের ক্ষুদ্র ও সংকীর্ণ জীবনাদর্শ থেকে উচ্চতর জীবনবোধে উত্তীর্ণ করে। দৈনন্দিন জীবনের সংগ্রাম, ব্যক্তিগত ধ্যান-ধারণায় জারিত আপাত সত্য, মিথ্যা, ভ্রান্তি, বিচ্যুতি, দ্বেষ কিংবা সংঘর্ষের পরেও যে শাশ্বত অনুভূতি ও উপলব্ধির ক্ষেত্রটি থাকে, জাতকমালার কাহিনীগুলি তার কাছেই পৌঁছে দিতে চায় তার পাঠক কিংবা শ্রোতাকে। জাতকের এই জগৎ তাত্ত্বিক নয়, প্রায়োগিক।
শ্রীমার দেহ রাখার পর একদিন একজন উদ্বোধনে তাঁকে দেখেন যে, তাঁর দেহ একেবারে ভেঙে গিয়েছে। তখন তিনি বিছানার উপর রাখা মা সারদার পটচিত্রের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে বলেন, ‘কি করব বল বাবা, মাই যে সব ভেঙে দিয়ে গেছেন’। কেদারের মা কোয়ালপাড়ায় থাকতেন। তিনি ঠাকুরকে দর্শন করে কৃতার্থ হয়েছিলেন। তাঁর স্বামী জয়রামবাটিতে পাঠশালার শিক্ষক ছিলেন। তিনিও ঠাকুরের স্নেহধন্য ছিলেন।
কয়েক দিন ধরে একটানা ঝড়বৃষ্টি চলছেই। বৃষ্টির ফলে গরমের অস্বস্তিও বেশ কিছুটা কমেছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর বুধবারও দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে। দক্ষিণের আটটি জেলায় দুর্যোগ চলতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতেও। তবে বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই মুহূর্তে নিম্নচাপ অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব আরব সাগর থেকে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ় এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে দক্ষিণ বাংলাদেশ পর্যন্ত...
খেলাধুলা মানুষের জীবনের অঙ্গ। আজকের এই ‘টু মিনিট নুডলস’ সময়ের দৌড়েও মানুষ কিন্তু তার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে খেলতে এখনও পছন্দ করে। খেলাধুলা মানুষের মনে বিপুল আনন্দ প্রদান করে, জীবনী শক্তিতে ভরিয়ে দেয়। বৃহত্তর পরিসরে শুধুই মনোরঞ্জনের জন্য খেলা নয়, দেশ কিংবা রাজ্যের জন্য যখন খেলোয়াড়রা খেলেন তখন তার মধ্যে এক বিশেষ ভাবনা বা অনুভূতি কাজ করে।অসমে প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের খেলা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘ধোপখেল’। এই খেলাটি বল নিয়ে খেলা হয়। এতে ১১ জন করে দুটি দলের প্রয়োজন হয়। মাঠে ৪টি পতাকা থাকে। একটি...
অনেকে ধর্ম বন্ধনের কারণ বলে মনে করেন। কোনও ধর্মাবলম্বী হতে চান না, বা মতাদর্শে চলতে পছন্দ করেন। ধর্ম ত্যাগ করাটাই বা কোনও ধর্মের অবলম্বী না হয়ে থাকাটাই নতুন সমাজ ভাবনা মনে করে। কিন্তু ধর্মের কি অন্য কোনও দিক আছে, যা মানুষকে ঈশ্বর ভাবা-পন্ন করে করা ছাড়াও আর বিশেষ কিছু করতে পারে? আমার উত্তর হবে ধর্মের আরেকটা ভালো রূপ হচ্ছে সংস্কৃত বান, চরিত্রবান করে তোলা।
একটানা ধর্মকথা শুনিয়ে, তীক্ষ্ণ দাঁতের সেই সাধুবেশী বিড়ালটি শেষমেশ বলেই ফেলল,“ভয় পেয়ো না, আমি তোমাদের খেতে আসিনি, তন্ন অহং ভক্ষযিষ্যামি। বরং আমি তোমাদের এই বিবাদের বিচার করব, জয়-পরাজয় নির্ধারণ করব। তবে একটা কথা আছে, এখন আমি বয়সে একটু বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছি। আগের মতো কান ভালো কাজ করে না। তোমাদের কথাবার্তা ঠিকঠাক বুঝতে পারি না যদি দূরে থাকো। তাই একটু কাছে এসো, আমি ভালো করে শুনি তোমাদের দ্বন্দ্বটা কী নিয়ে। বোঝার পর নিরপেক্ষভাবে বিচার করব যাতে কোনও অন্যায় না হয়। আমি তো এখন তপস্বী, ভুল বিচার করলে পরলোকে আমার বিপদ হবে!”
নিম্নচাপ সরে গেলেও রাজ্যে বর্ষার বৃষ্টি চলছেই। এই আবহে রাজ্য জুড়ে ঝড়বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণাবর্ত, অক্ষরেখা— এই জোড়া ফলার প্রভাবে বাংলায় দুর্যোগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। তাই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
জোড়াসাঁকোয় এলে সুদক্ষিণা দেবী বড় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়তেন। এক অদ্ভুত ভালোলাগায় মন ভরে যেত। স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ সুদক্ষিণা পোষ্যপুত্র গ্রহণ করেছিলেন। এক সময় সুদক্ষিণা ভেবেছিলেন জমিদারি ছেড়েছুড়ে কলকাতায় চলে আসবেন। স্মৃতি দিয়ে ঘেরা ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে শেষজীবন কাটাবেন। সেই ভাবনা সত্যি হয়ে ওঠেনি। সুদক্ষিণার ডাকনাম ছিল ‘পূর্ণিমা’।
বাংলা থেকে নিম্নচাপ সরে গিয়েছে। তবে এখনও অবস্থান করছে অক্ষরেখা। দক্ষিণবঙ্গের কয়েক এলাকার উপর দিয়ে গিয়েছে চলে গিয়েছে মৌসুমি অক্ষরেখা। এই জোড়া অক্ষরেখার প্রভাবের জেরে বাংলা জুড়েই ঝড়বৃষ্টি চলবে। আগামী বুধবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির জন্য হাওয়া দফতর সতর্কতা জারি করেছে। কয়েক জেলায় আবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে দুর্যোগ।
ভাইফোঁটার দিনটা তৃপ্তির মনখারাপ করে থাকে। ১৭ বছরের ভাই রাজনৈতিক বোমাবাজির মধ্যে বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল। বেঘোরে প্রাণ হারায়। অবশ্য সে মৃত্যুর কোনও দায় কেউ নেয়নি। পোস্টমর্টেমে যে কী পাওয়া গিয়েছিল সেটা আজও জানা যায়নি! কালীপুজোর সময় থেকেই তৃপ্তির মন খারাপ থাকে। সেদিন তার জ্বর এসেছিল।
“প্যাঁচা কয় প্যাঁচানি, খাসা তোর চ্যাঁচানি। শুনে শুনে আনমন নাচে মোর প্রাণমন।” (প্যাঁচা আর প্যাঁচানি / সুকুমার রায়) প্যাঁচার চ্যাঁচানি শুনে প্যাঁচানির প্রাণ নেচে উঠলেও সাধারণ মানুষের কিন্তু বুক ধুকপুক করে ওঠে ভয়ে। কারণ প্যাঁচার ডাক। রাতের নিস্তব্ধতা খানখান করে যখন ‘তু-হু-হু’ কিংবা ‘বুম বুম’ শব্দে প্যাঁচা ডেকে ওঠে তখন গা ছমছম করে ওঠে। তার ওপর এদের মুখের গড়ন পাখিদের মতো নয়। মাথাটা চেহারার চেয়ে অনেক বড়। চ্যাপ্টা মুখমন্ডল। আর ড্যাবা-ড্যাবা দুটো চোখ মানুষের চোখের মতো থাকে মুখমন্ডলের সামনে। আবার এদের ঘোরাফেরা রাতের...
অনেকদিন পরে এবার গ্রামে এল উল্লাস। তবে যতদিন পরেই আসুক, একইসঙ্গে ভালো লাগা আর মন খারাপ হয় তার। ভালো লাগা খুব স্বাভাবিক। নিজের শেকড়কে অস্বীকার করতে চায় না যারা, তাদের কাছে শেকড়ের কাছাকাছি আসাই পরম আনন্দের। যে-মাটিতে বেড়ে চোখ মেলেছে, বেড়ে উঠেছে, যে-মাটির কাছে জীবনের বিরাট এক সময়ের প্রতি মুহূর্ত ঋণী হয়ে আছে, তার কাছে এসে যারা আনন্দ পায় না, শান্তি পায় না, তাদের মতো পাষণ্ড আর কে আছে? উল্লাস সেইধরণের মানুষ নয়। গ্রামে আসা বরাবর তার কাছে আনন্দের।
অবশেষে গাঙ্গেয় বাংলা থেকে সরল নিম্নচাপ। ধীরে ধীরে নিম্নচাপ পশ্চিমের দিকে এগিয়ে ঝাড়খণ্ডে অবস্থান করছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার বুলেটিন প্রকাশ করেছে। হাওয়া দফতর ওই বুলেটিনে জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি এখনই থামছে না। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলবে। এদিকে নিম্নচাপ সরলেও উত্তাল থাকবে সমুদ্র। তাই মৎস্যজীবীদেরও জন্যও হাওয়া দফতর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।