২১ চৈত্র, ১৪৩১ শুক্রবার ৪ এপ্রিল, ২০২৫

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-৬৪: জঙ্গল বিপদে আছে…

পর্ব-৬৪: জঙ্গল বিপদে আছে…

সত্যব্রত একবার মাত্র দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, তাও কয়েক মুহূর্তের জন্য, কিন্তু বাইরে তা বুঝতে দিলেন না। মুখে হাসিটা ধরে রেখে বললেন, “তাই তো দেখছি! আমার কপাল ভালো বলতে হবে। নাহলে, পর পর দু’ দিন সাইলেক বাবুর সঙ্গে দেখা হওয়া তো ভাগ্যের ব্যাপার।”

read more
পর্ব-৬৩: যেখানে দেখিবে ছাই

পর্ব-৬৩: যেখানে দেখিবে ছাই

পাভেল একটু দূরে উবু হয়ে কিছু সূত্রটুত্র পাওয়া যায় কি না দেখছিল। শাক্যর কথা শুনে সে বলল, ‘আরে, কাল অবধি তো আমি ক্যামাফ্লেজ করে ছিলাম! আসবো কী করে? কাল যদি আসতামও পুলিশ আমায় দেখতে দিত?

read more
পর্ব-৬২: দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার ফোনের ওপারে

পর্ব-৬২: দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার ফোনের ওপারে

হিরণ্ময় খুব সাই ছিল। মিশুকে ছিল না। নিজের মধ্যে গুটিয়ে থাকতে ভালোবাসত। যেদিন তাকে প্রপোজ করে সে, সেদিন অবাক হয়ে গিয়েছিল উন্মেষা। তার জীবনে যে ঝড় বয়ে গিয়েছিল তখন, তার পরেও যে কোনও পুরুষ তাকে মুগ্ধ দৃষ্টি দিয়ে দেখতে পারে, ভালোবাসতে পারে, এ তার কল্পনাতেও ছিল না।

read more
পর্ব-৬১: মধ্যদিনের রক্তনয়ন

পর্ব-৬১: মধ্যদিনের রক্তনয়ন

নুনিয়া একটা কাগজের ঠোঙা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল। তার দৃষ্টি নিচের দিকে। একটু আগে ফাদার তাকে ওই ঠোঙায় ছোলাভাজা খেতে দিয়েছিল। কেমন বিটনুন ছড়ানো। দু’ একটা বেশ শক্ত, কিন্তু তাতে কী? দাঁতে পড়তেই যে কটকট করে শব্দ হয়, সেই শব্দ শুনতে বেশ লাগে তার। ফাদারের প্রশ্ন তার কানে গেল বলে মনে হল না।

read more
পর্ব-৬০: সন্দেহের পর সন্দেহ

পর্ব-৬০: সন্দেহের পর সন্দেহ

শাক্য এগিয়ে গেল জঙ্গলের দিকে। সামনেই একসার শাল গাছ, নিচে কাঁটাঝোপ, দু-একটা বিড়িপাতা আর কুসুমগাছও রয়েছে তাদের ভিড়ে। পাভেলের একটু অস্বস্তি হচ্ছে। এখানে অনেকদিন আগে এসে ছানবিন করার সুবাদে সে জানে, এই জঙ্গলকে কেন্দ্র করে হরেক কিসিমের ভয়ের গল্প ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।

read more
পর্ব-৫৯: বুধনের কথা

পর্ব-৫৯: বুধনের কথা

মারুতি মাহাতো দাওয়ায় বসে চুটা খাচ্ছিল। আদুরি অল্প দূরে বসে বিড়ি টানছিল, সে চুটা পছন্দ করে না। প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে তারা কাজ থেকে ফিরেছে। ঘরে ঢুকতে না ঢুকতেই মোড়লের লোক এসে বলে গেল যে, “ডাগ্তারবাবু সেই কখন থেকে তাদের সঙ্গে দেখা করবেন বলে বসে আছেন।”

read more
পর্ব-৫৮: যেখানে দেখিবে ছাই

পর্ব-৫৮: যেখানে দেখিবে ছাই

একেজি এবং শাক্য যেমন যেমন পরামর্শ দিয়েছে, তেমন তেমন তথ্য সংগ্রহের জন্য একেবারে জান লড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ শাক্য যখন এসে পড়েছে, এবং এই মুহূর্তে পুলিশি গাড়িতে তার পাশে বসে সে পুরানা মোকামের জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে, তখন পাভেলের মনে হল, সে বৃথাই এত দিন ধরে এখানে মাটি কামড়ে পড়ে ছিল।

read more
পর্ব-৫৭: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি

পর্ব-৫৭: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি

মুখরোচক সংবাদ করে তোলা, মুচমুচে কিন্তু অন্তঃসারশূন্য আগমার্কা নিজস্ব তদন্ত, হাস্যকর কয়েক ঘণ্টা নামক প্রোগ্রামে একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা আর থেকে থেকেই নীচে ক্যাপশন দেওয়া—ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি আমাদের চ্যানেলেই সর্বপ্রথম দেখানো হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞাপন!

read more
পর্ব-৫৬: তোমার আছে তো হাতখানি

পর্ব-৫৬: তোমার আছে তো হাতখানি

শাক্য শুনছিল মনে দিয়ে পাভেলের কথা। পাভেলকে সেই একেজি-র অনুমতিক্রমে এখানে ছদ্মবেশে এসে কালাদেও সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে পাঠিয়েছিল। সত্যি সে-ও তখন ভাবেনি এই ভাবে এই রিসর্টে কালাদেও হানা দিতে পারে।

read more
পর্ব-৫৫: রঘুই কি ছেলেকে ভয় দেখিয়েছে?

পর্ব-৫৫: রঘুই কি ছেলেকে ভয় দেখিয়েছে?

শাক্যর মনে হল, ছেলেটি কিছু একটা গোপন করছে কিংবা বলতে ভয়ও পেতে পারে, সম্ভবত রঘুই তাকে ভয় দেখিয়েছে। পরে সেই না বলা তথ্যটি জানতে হবে জেনে তাকে ছেড়ে দিল, এমন সময় দরজা দিয়ে মুখখানা বাড়িয়ে অজয়বাবু বললেন, “আসতে পারি?”

read more
পর্ব-৫৪: একে একে

পর্ব-৫৪: একে একে

শাক্য এক মুহূর্ত থমকালো। তারপর বলল, “সুবল আর তুমি পর্ন ছবি আদানপ্রদান করতে? তাই তো? তুমি বলতে চেয়েছিলে, সুবল তোমাকে পানু সাপ্লাই দিত। তাই না?” যতীন চোখ নামিয়ে বলল, “হ্যাঁ স্যার। সুবলদার সেক্স খুব বেশি ছিল। রোজ দেখত আর ওই কাজ করত মানে ছেলেরা যা করে!”

read more
পর্ব-৫৩: কাপাডিয়ার বয়ান

পর্ব-৫৩: কাপাডিয়ার বয়ান

কাপাডিয়া বললেন, “দেখুন, আমি নানা ঘাটের জল খেয়ে এখানে এসে ভিড়েছি। এই জায়গাতেও যে বেশি দিন স্টে করব, তা কিন্তু নয়। সিল না লাগলে অন্য কোথাও ভালো অফার পেলে নির্দ্বিধায় চলে যাব। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, মালিক আমাকে বেওসার তিরিশ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার করেছেন।”

read more
পর্ব-৫২: অতীতের কয়েক পৃষ্ঠা

পর্ব-৫২: অতীতের কয়েক পৃষ্ঠা

হরিপদ বলল, ‘আমি ফোনের দিকেই চোখ পেতে বসেছিলাম। আমার মন বলছিল, আপনি ফোন করবেন। তারপর দেখি মিসড কল করলেন। আমি আর এক মিনিটও দেরি করিনি! যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গাড়ি নিয়ে ছুটে এসেছি।”

read more
পর্ব-৫১:  রিমিতার বয়ান

পর্ব-৫১: রিমিতার বয়ান

রিমিতা বলল, “কাল পূষণ একটা গল্প শোনাচ্ছিল বটে। সেই কালাদেওই না কি বাস রাস্তায় সেই লোকটিকে মেরেছে। সে না কি উপড় হয়ে শুয়ে শুয়ে লোকটির মাথা চিবুচ্ছিল, এই অবস্থায় বাসটি গিয়ে পড়ে।

read more
পর্ব-৫০: পূষণের কথা

পর্ব-৫০: পূষণের কথা

পূষণ বলল, “আমি কিন্তু অনিল বা সুবল কাউকেই চিনি না, আগেই বলে দিলাম। তবে চেনা-অচেনা যে-ই হোক না কেন, এমন ভয়াবহ মৃত্যু সত্যিই অনভিপ্রেত!”

read more

Skip to content