২১ চৈত্র, ১৪৩১ শুক্রবার ৪ এপ্রিল, ২০২৫

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-৯৪: নুনিয়া কোথায়?

পর্ব-৯৪: নুনিয়া কোথায়?

সত্যব্রতর কাছ থেকে ফেরার সময় গাড়িতে শাক্য বা সুদীপ্ত কেস নিয়ে কোন কথা বলছিল না। শাক্যই বারণ করেছিল। এখন সে কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। যাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগ লড়াই শুরু করেছে, তারা যে যথেষ্ট শক্রিশালী কোন গ্যাং, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে, পিশাচপাহাড় রিসর্টের মার্ডার। কালাদেও কেন যে পিশাচপাহাড় রিসর্টে ঢুকে মার্ডার করতে যাবে, এটা শাক্য বা সুদীপ্ত কারুরই মাথায় আসেনি।

read more
পর্ব-৯৩: কালাদেওর কবলে

পর্ব-৯৩: কালাদেওর কবলে

কাপাডিয়া রিসেপশনে বসে সেই কথাই ভাবছিলেন। যদি পিশাচপাহাড় নামের এই রিসর্টটি এখানে না চালু হত, তাহলে আজ এই জায়গার যে-রমরমা, তা স্বপ্নই থেকে যেত। কথাটা অহংকারের মতো শোনালেও, আশেপাশের অন্যান্য রিসর্ট-হোটেলগুলিও এতকাল এই কথা স্বীকার করে এসেছে।

read more
পর্ব-৯২: মিরাকল

পর্ব-৯২: মিরাকল

শাক্যর মতে, কে খুন করেছে, কীভাবে খুন করেছে এবং কেন খুন করেছের রাস্তায় তো যে-কোন তদন্তকারীকেই যেতে হবে, কিন্তু তার আগে যে ব্যক্তি খুন হয়েছে, তাঁর ‘হয়ার অ্যাবাউটস্’ জানাটা তার নিজের কাছে জরুরি। কারণ, সে মনে করে কোনও একটি অপরাধে পারিপার্শ্বিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খুনের ক্ষেত্রে ভিকটিমের জীবনবৃত্তান্ত। ত

read more
পর্ব-৯১: নুনিয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা

পর্ব-৯১: নুনিয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা

নুনিয়ার ঘুম আসছিল না। প্রায়ই আসে না। সারাদিন এত দৌড়ঝাঁপ করে, ঘুরে বেড়ায়, শরীর ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ার কথা। কিন্তু পড়ে না। আগে যেমন বিছানায় শুলেই ঘুম দু’-চোখ ভরে ঝেঁপে আসত, এমনকি সন্ধে থেকেই ঘুমে ঢুলে পড়ত বলে মা বকাবকি করত, আজকাল আর তেমন হয় না। মা-ও নেই, ঘুমও যেন চলে গিয়েছে সেই থেকে। তার উপর ফাদারের সঙ্গে আজকাল আর দেখা করতে দেওয়া হয় না তাঁকে। তিনি না-কি আরও অসুস্থ।

read more
পর্ব-৯০: দুই ভবানী

পর্ব-৯০: দুই ভবানী

সুধাবিন্দু খুব পান খান। তাঁর দাঁতই সে-কথার সাক্ষ্য দিচ্ছিল। মানুষটির বয়স পঞ্চাশের আশেপাশে। মাথায় কাঁচা-পাকা চুল, তবে দূর থেকে বোঝা যায় না। এমনিতে স্মার্ট। পরনে একখানা রঙচটা জিনস এবং হাতাওয়ালা জামা। জামাটি অবশ্য রংচঙে। দেখলেই মনে হবে লাল-নীল-সবুজের মেলা বসেছে। হাতের আঙুলে গোটা আটেক আংটি। তার মানে দৈবে খুব বেশি আস্থাশীল মানুষ।

read more
পর্ব-৮৯: মাথার কান

পর্ব-৮৯: মাথার কান

শাক্য ইচ্ছে করেই লোকাল পুলিশের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছিল। সুদীপ্তর ভিতর প্রতিক্রিয়া হবে জেনেই। হল-ও। সুদীপ্ত মৃদু স্বরে বলল, “আমরা কিন্তু যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম স্যার! কিন্তু এঁরা সকলে যদি ক্ল্যুগুলিকে নিজেদের কাছে লুকিয়ে রাখেন, তাহলে আমরা কী করতে পারি?”

read more
পর্ব-৮৮: পালাবার কোনও পথ নেই

পর্ব-৮৮: পালাবার কোনও পথ নেই

রুমটি প্রায়ান্ধকার। জানালার ভারি পর্দাগুলি সব ভালো করে টানা। পড়ন্ত বিকেলের রোদের আভা যে তাতে সম্পূর্ণ আটকানো গেছে, এমনটা নয়। সারা ঘরময় একটা মিহিন কুয়াশার মতো আলো ছড়িয়ে আছে। ঘরের মধ্যে কুলার চলছে, ফলে রুমের ভিতরের আবহাওয়া খুব মনোরম। বাইরের তপ্ত চাটুর মতো গনগনে হাওয়া রুমের ভিতরে একরত্তিও নেই।

read more
পর্ব-৮৭: নকল বুধন মাহাতো

পর্ব-৮৭: নকল বুধন মাহাতো

সুদীপ্ত বসে ছিল। তার মুখচোখ ভাবলেশহীন। দেখে বোঝার উপায় নেই, সত্যব্রতর কথাকে সে আদৌ গুরুত্ব দিচ্ছে কি না। তবে শাক্য জানে, এই মুহূর্তে সে পকেটে থাকা স্পাই ক্যামেরা অন করে দিয়েছে, যাতে এই সাক্ষাৎকারের সবকিছুর ভিডিও রেকর্ডিং থাকে। নাহ্‌, তারা ভাবছে না, ডাক্তার অপরাধী কিংবা অপরাধীদেরই কেউ, পুলিশকে মিসলিড করার জন্য যিনি মনগড়া গপ্পো ফেঁদে বসেছেন।

read more
পর্ব-৮৬: ‘অরণ্যবার্তা’র অফিসে

পর্ব-৮৬: ‘অরণ্যবার্তা’র অফিসে

পূষণ আন্দাজ বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ ‘অরণ্যবার্তা’র অফিসের সামনে এসে অপেক্ষা করছিল। রিমিতাও তার সঙ্গে আছে। মালাকারবাবুকে ফোন করে অনুমতি নিয়েই তারা এসেছে। মালাকার বলেছেন, স্থানীয় অঞ্চলে তারা ঘুরতেই পারে। তাতে পুলিশের আপত্তি নেই। কিন্তু স্টেশন লিভ করার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আছে।

read more
পর্ব-৮৫: সত্যব্রতর অনুমান

পর্ব-৮৫: সত্যব্রতর অনুমান

সত্যব্রত কুণ্ঠিত ভঙ্গিতে বললেন, “চা-কফি কিছু খাবেন? তাহলে গোবিন্দকে আনতে বলি। কফি আনতে গেলে নার্সদিদিদের কোয়াটার্স থেকেই আনতে হবে। গোবিন্দ কফি তেমন বানাতে পারে না। এ দিকে আমার মিসেস তার বাচ্চাদের নিয়ে কলকাতায় ফিরে গিয়েছেন। কালাদেওর আতঙ্কে তিনি এতটাই আতঙ্কিত যে, আর এখানে ফিরে আসবেন না জানিয়েছেন।

read more
পর্ব-৮৪: ঝোপে-ঝাড়ে হায়েনা

পর্ব-৮৪: ঝোপে-ঝাড়ে হায়েনা

রাতে হাসপাতাল এবং চার্চের ভিতরের অংশের আলো ছাড়া আর কোনও আলো জ্বলে না কোথাও, বিশেষ করে আবাসিকদের হোস্টেল যেখানে আছে, সেই অংশে কয়েকটি বাল্ব ছাড়া আর কিছুই জ্বলে না রাতে। তাও গাছপালার অন্ধকারে বাল্বের আলো পর্যাপ্ত বলে মনে হয় না। আবাসিকদের বিল্ডিংয়ের গায়েই খেলাধুলার জায়গা, ব্যাডমিন্টন কোর্ট, তার ওপাশে তিন তলা স্কুলবাড়ি।

read more
পর্ব-৮৩: তুরুপের তাস

পর্ব-৮৩: তুরুপের তাস

শাক্য মন দিয়ে শুনছিল সুদীপ্তর কথা। আগেই সে শুনেছে যদিও। কিন্তু সুদীপ্ত গোটা ঘটনাটা তাকে আর-একবার ব্রিফ করছিল। শাক্য মাঝেমাঝে প্রশ্ন করছিল। সুদীপ্ত তার মতো করে উত্তর দিচ্ছিল। আসলে অপেক্ষার সময়টাও এতে কাটছে, কিন্তু বোর হতে হচ্ছে না। শাক্য নিজে মনে করে একটা কেস যতবার যত জনের সঙ্গে আলোচনা-পুনরালোচনা করা যাবে, তত নতুন নতুন অ্যাঙ্গেল বেরিয়ে আসবে এবং সমাধানের সম্ভাবনাও বাড়বে।

read more
পর্ব-৮২: খটকা

পর্ব-৮২: খটকা

কয়েকদিন পর পিশাচপাহাড় রিসর্টের বোর্ডাররা সকলে রাতের খাবারের জন্য রিসর্টের ডাইনংয়ে হাজির হয়েছিলেন। রিসর্টের তরফ থেকে আজকের ডিনারের আয়োজন। এই ডিনারের জন্য বোর্ডারদের কোনও পে করতে হবে না। দু’-দুটি মৃত্যুর পর পিশাচপাহাড় রিসর্টের রেপুটেশনের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করার জন্যই কাপাডিয়া এই বিশেষ কমপ্লিমেন্টারি ডিনারের ব্যবস্থা করেছেন।

read more
পর্ব-৮১: শাক্যর চ্যালেঞ্জ

পর্ব-৮১: শাক্যর চ্যালেঞ্জ

কেবিনের বাইরে থমথমে মুখে বসে ছিল শাক্য। মালাকার, সুদীপ্ত এরাও আছেন। আরও দু’জন পুলিশ রয়েছে কেবিনের বাইরে। কিছুক্ষণ আগে পাভেলের অপারেশন করা হয়েছে। মাথার পিছনে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। অনেকখানি রক্ত বেরিয়ে যাওয়ায় তার অবস্থা অতি সঙ্কটজনক। চার বোতল রক্ত দিতে হয়েছে তাকে।

read more
পর্ব-৮০: বুধন মাহাতো কেস

পর্ব-৮০: বুধন মাহাতো কেস

থানায় বসে থাকতে থাকতে প্রথমত সত্যব্রত ভাবছিলেন, কতক্ষণে সেকেন্ড অফিসার আসবেন আর তাঁর কথা শুনবেন। তারপর সেই অফিসার সুদীপ্তবাবু এলেন কিন্তু কথা শুরু হওয়ার মুহূর্তেই বাধা পড়ল। একটা ফোনকল, কোথাও কিছু ঘটেছে। সুদীপ্তবাবুর মুখে সামান্য বিরক্তিসূচক ভঙ্গি দেখতে পেলেন সত্যব্রত, যদিও পরক্ষণেই তা মুছে গিয়ে একজন দায়িত্বশীল অফিসারের মুখোশ পরে নিলেন তিনি।

read more

Skip to content