শনিবার ৭ মার্চ, ২০২৬

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!

পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫

পর্ব-১২৪: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৫

একসময় বাঙালি নায়িকারা ফিগার সচেতন ছিলেন না। খাওয়া-দাওয়ার আজকের ধরাকাট তখন অত গুরুত্ব পেত না। বয়সের বাড়লেই নায়কদের ভুঁড়ি আর নায়িকারা বুড়ি! দিনকাল পাল্টে গিয়েছে। এখন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিয়ম করে উপোস করেন। ইন্টার্মিনান্ট ফাস্টিং। নিয়মিত বিরতি-সহ উপবাস। মাছেভাতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে নিদারুণ কোপ। ভাতহীন জীবন। আর তাতেই ছিপছিপে তন্বীরা বয়সের গলায় চেন বেঁধে রেখেছেন।

পর্ব-১২৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৪

পর্ব-১২৩: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৪

বারান্দায় টানা উঁচু গ্রিল দেওয়া। সেখান দিয়ে ঘরে আসার সুযোগ নেই! বাড়ির দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। দরজার লক। তার বাইরে কোলাপসেবল গেটে তালা দেওয়া। সবদিক থেকে ব্যাপারটা আত্মহত্যার দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু একটা খটকা বাবু মানে ধৃতিমান চৌধুরীকে ভাবাচ্ছে। বারান্দার উঁচু গ্রিলে নীলাঞ্জনার ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস লাগানোটা যেন ম্যাচ করছে না! অমিতাভ কী চেয়েছিল তার মৃতদেহটা রাস্তা থেকে কেউ দেখতে পাক?

পর্ব-১২২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৩

পর্ব-১২২: অমিতাভ হত্যারহস্য / ৩

বুবুকে আজকে ব্রেকফাস্টের বদলে ব্রাঞ্চ দিতে হবে। কারণ সকালে বেরিয়ে কখন ফেরার সম্ভব হবে সেটা চক্রবর্তী সাহেব নিজেও জানেন না। উল্টোডাঙার মুচিবাজারের আরিফ রোডে বাবু মানে ধৃতিমানের ভাড়া বাড়ি থেকে একটা অ্যাপক্যাব নিয়ে তাকে পৌঁছতে হবে সুদূর দক্ষিণে রিজেন্ট পার্ক পোস্ট অফিসের পাশে। অমিতাভ চক্রবর্তী একে টেলি নায়িকার স্বামী তার ওপর আবার গলায় ওড়না ঝুলিয়ে মৃত্যু। মিডিয়াতে যেন ডবল ডিমের এগ রোল। ঠাসা মাংসের পুর!

পর্ব-১২১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২

পর্ব-১২১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২

অমিতাভ নীলাঞ্জনার ছবিতে ছবিতে ছয়লাপ করা বিয়ে এবং বৌভাত। হইহই করা হনিমুন লোকে যতটা উপভোগ করেছে। অমিতাভ’র এই মৃত্যুতে তাদের অপ্রকাশিত গ্রে রিলেশনস মানে কাছে কাছে থেকে ক্রমশ দূরে দূরে যাওয়া এখানে ওখানে ছড়িয়ে পড়ল। সাতসকালে সরাসরি গোয়েন্দা কর্তা ভৈরব চক্রবর্তীর ফোন।

পর্ব-১২০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১

পর্ব-১২০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১

অমিতাভ চক্রবর্তীর দ্বিতীয় বিবাহ। প্রথমজন রুনা। রুনা দত্ত। নামী কোম্পানিতে অমিতাভ’র টিমের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যা! মার্চ মাসে কনফিডেন্সিয়াল রিপোর্ট তৈরি হয়। মাস ছয়েক রুনা কোনও ক্লায়েন্ট পায়নি। কোম্পানি বসে বসে মাইনে দিয়েছে। আইটি জগতে যাকে বেঞ্চ বলে। সামনে এপ্রিল থেকে ইনক্রিমেন্ট তো পাবেই না, চাকরিটাই বাঁচবে কিনা সেটা জিজ্ঞাসার মুখে। কাজে অতটা পোক্ত না হলেও রুনার উপস্থিত বুদ্ধি চিরকালই প্রখর।

পর্ব-১১৯: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৮

পর্ব-১১৯: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৮

শেক্সপিয়ারের গল্পে ইয়াগো ক্যাসিওর পদোন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে ক্যাসিওকে বিপদে ফেলতে গোপনে ডেসডিমোনার রুমাল চুরি করে ক্যাসিওর বাড়িতে রেখে আসে এবং পরে ওথেলোকে সেই রুমাল দেখিয়ে মিথ্যে অবিশ্বাস জাগাতে জানায় যে ডেসডিমোনা ক্যাসিওর প্রতি অনুরক্ত! ইয়াগো চেয়েছিল ক্যাসিওর সঙ্গে ওথেলোর যুদ্ধ হোক আর সে ডেসডিমোনাকে ভোগ করুক। কিন্তু অবিশ্বাসের আগুনে জ্বলতে থাকা ওথেলো ডেসডিমনাকে খুন করে বসে।

পর্ব-১১৮: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৭

পর্ব-১১৮: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৭

শ্রেয়ার জোরাজুরিতে আবার ঐশী পালকে জেরা করার জন্যে গোয়েন্দা দফতরে হাজির করা হল। একই দিনে শুভ্রাংশু মুখার্জীকে ডাকা হল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এদের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়নি সুতরাং উকিল ডেকে তার সামনে কথা বলার কোন ওজর আপত্তি টিকবে না। বলা হল পুলিশ এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছে এটা আত্মহত্যা না খুন। তাই আবার ভালো করে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

পর্ব-১১৭: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৬

পর্ব-১১৭: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৬

ধৃতিমান একদিন বাড়িতে বসে পুরনো কতগুলো টেপ বাজিয়ে বাজিয়ে দেখছিল যে তাতে কী আছে। ভাগ্য ভালো এখনও তার টেপ রেকর্ডারটা চলে, আর টেপের ফিতে জড়িয়ে যায়নি। হঠাৎই তার মধ্যে থেকে একটা বাজি ফাটার টেপ আবিষ্কার করল ধৃতিমান। কালীপূজোর আগে বুবুকে অভ্যাস করানোর জন্য বারবার টেপে বাজি পোড়ানোর শব্দ শোনানো হতো। যাতে আসল বাজি পোড়ানোর জোরালো শব্দ শুনলে বুবু ভাবে সেই আওয়াজ টেপে বাজছে। সে স্বাভাবিক থাকবে। ভয় পাবে না।

পর্ব-১১৬: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৫

পর্ব-১১৬: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৫

স্বাভাবিকভাবে অশান্তি বাড়ল। একটা পুরনো পলিসি ম্যাচিওর হতে আনন্দ’র হাতে কিছু টাকা এসেছিল। মুখার্জীদার কিছুটা ধার শোধ করতে সেদিন আনন্দ মুখার্জিদার ফ্ল্যাটে গিয়েছিল। সেদিন সে আমার ফেলে আসা রুমালটা পায়। রাতে ফিরে এসে চরম অশান্তি হল। আমার মাথার ঠিক ছিল না। আমিও বলে দিলাম ধারের টাকা যে বর শোধ করতে পারে না টাকার বদলে তার বৌকে ছেড়ে দিতে হয়! আনন্দ সে রাতে আমায় গলা টিপে মারতে এসেছিল! মেরে দিলেই ভালো হতো। বেঁচে যেতাম!

পর্ব-১১৫: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৪

পর্ব-১১৫: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৪

কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টিম পৌঁছল বেগুসরাই। বিহার পুলিশের সক্রিয় সহযোগিতায় গাছিতোলা দামড়ি নালা বেগুসরাই এলাকার বাবুন সিং আর বক্তিয়ার এই দুই দাগি অপরাধীকে নির্দিষ্ট করলেও পুলিশ পোঁছবার আগেই তারা চম্পট দিল! এত গোপনীয় তথ্য কী করে অপরাধীদের ডেরায় পৌঁছে গেল সেটা একটা বড় সন্দেহ তৈরি করল। খবরটা কলকাতা থেকে পৌঁছেছে নাকি বেগুসরাই লোকাল থানা থেকে খবর পৌঁছে গিয়েছিল তাদের কাছে? ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে হল। শ্রেয়া বেগুসরাই যায়নি। বেছে বেছে এনকাউন্টার স্পেশালিস্টদের এই ধরণের অপারেশনে পাঠানো হয়। শ্রেয়া গিয়েছিল ঘাটশিলাতে। আসলে...

পর্ব-১১৪: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৩

পর্ব-১১৪: ডেসডিমোনার রুমাল / ১৩

প্রবাদে বলে যে, অপরাধী শতচেষ্টা করেও কৃত অপরাধের রেশ বাঁচাতে পারেন না। শুভ্রাংশু মুখার্জির মোবাইলে যে যে ফোন এসেছিল সেগুলো ট্রেস করেছিল পুলিশ। সবকটি ফোনেরই হদিস পাওয়া গিয়েছে। শুধু তিনটে অজানা নম্বর থেকে ফোন এসেছিল বিহারের বেগুসরাই এলাকা থেকে করা ফোন। আর এই ফোনেই সূত্র পেয়ে গেল গোয়েন্দা দফতর।

পর্ব-১১৩: ডেসডিমোনার রুমাল / ১২

পর্ব-১১৩: ডেসডিমোনার রুমাল / ১২

সারিতার সহকর্মী এবং সারিতা, দু’জনেই বুঝতে পারলেন কোনও অপরাধ করুন বা না করুন শুভ্রাংশু মুখার্জি অত্যন্ত কঠিন এবং দৃঢ় মনের মানুষ! যেকোনও সাধারণ লোক এরকম একটা চাপের মুখে কথা হারিয়ে ফেলে ভুল বলে দেয়, নার্ভাস হয়ে পড়ে। টেলিফোনে চুপ করে সময় নেওয়া ছাড়া শুভ্রাংশু মুখার্জির আর কোনও প্রতিক্রিয়া নেই!

পর্ব-১১২: ডেসডিমোনার রুমাল / ১১

পর্ব-১১২: ডেসডিমোনার রুমাল / ১১

নীলাঞ্জনবাবুকে বুঝিয়ে সাহস দিতে সারিতা অনেক চেষ্টা করলেন। শ্রেয়া প্রায় দু-তিনবার কলকাতা থেকে ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বললেন। অনেক বোঝানোর পর আশ্বস্ত হয়ে নীলাঞ্জন ব্যানার্জি আদালতে তার দিদি শ্রীমতি নয়না মুখার্জির অস্বাভাবিক মৃত্যুর আবার তদন্ত করার আবেদন জমা দিলেন।

পর্ব-১১১: ডেসডিমোনার রুমাল/১০

পর্ব-১১১: ডেসডিমোনার রুমাল/১০

সারিতার সূত্রে জানা গেল, অনেক তথ্য শুভ্রাংশু মুখার্জির খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন তদানীন্তন শাসকদলের এক সাংসদ। এই সাংসদকে দিয়ে পুরো তদন্তকে হিমঘরে পাঠানো হয়েছিল। নিহত স্ত্রীর বিয়োগে শোকার্ত এবং দুর্ঘটনায় চোট পাওয়া শুভ্রাংশু মুখার্জিকে পুলিশ যাতে কোনভাবে বিরক্ত না করে তার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশ সেই নির্দেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করেছে। এসব তথ্য অবশ্য খাতাকলমে কোথাও লেখা নেই।

পর্ব-১১০: ডেসডিমোনার রুমাল/৯

পর্ব-১১০: ডেসডিমোনার রুমাল/৯

কেস রি-ওপেনের জন্য কোনও স্পেসিফিক টাইম লিমিট নেই! যদি নিউ এভিডেন্স পাওয়া যায় তখন সেই নতুন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পুরনো কেসকে রিভিজিট করা যায়। স্পেসিফিক্যালি যেখানে সেই সময়ের ফরেনসিক পরীক্ষা কোয়েশ্চেনেবেল? যে যে পরীক্ষা করে এগনো উচিত ছিল সেগুলো করা হয়নি। সেকেন্ডলি পুরনো কেসফাইল পড়ে যদি মনে এমন সন্দেহ হয়, যে তদন্তের মধ্যে গলদ ছিল বা ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু তথ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা একটা মৃত্যুকে নিছক দুর্ঘটনার চেহারা দেওয়া হয়েছে তাহলে কেস রি-ওপেন হতে পারে!

Skip to content