১৪ চৈত্র, ১৪৩১ শুক্রবার ২৮ মার্চ, ২০২৫

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক

পর্ব-১০৮: কে দেখেছে, কে দেখেছে…?

পর্ব-১০৮: কে দেখেছে, কে দেখেছে…?

শাক্য কাপাডিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখছিল। ভদ্রলোক মাঝেমধ্যেই থরথর করে কাঁপছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসলে সঙ্গে-সঙ্গে সে ট্রমা কাটিয়ে ওঠা কঠিন। এই কারণেই সে সময় দিচ্ছিল তঁকে। কাপাডিয়াকে এর আগেরদিন বৈশিষ্ট্যহীন একজন সাধারণ মানুষ বলে মনে হচ্ছিল। আজ ভালো করে খুঁটিয়ে দেখতে গিয়ে শাক্য দেখল, মানুষটির মুখে বহুকালের পোড়খাওয়া চিহ্ন খোদাই করা আছে।

read more
পর্ব-১০৭: লুকাবো বলি, লুকাবো কোথায়?

পর্ব-১০৭: লুকাবো বলি, লুকাবো কোথায়?

সত্যব্রত গুম হয়ে বসেছিলেন। নুনিয়া কিছুক্ষণ আগেই শেষ করেছে তার কথা। আজ যদি সময় করে সে না পালিয়ে আসত, তাহলে এতক্ষণে তার কী দশা যে হত, তা সত্যব্রত আঁচ করতে পারছেন। কেউ বা কারা নুনিয়ার পিছনে হাত ধুয়ে লেগে পড়েছে। আসলে নুনিয়া বোধহয় যা-জানার নয়, তেমন অনেক কিছু জেনে ফেলেছে, ফলে সে এখন অনেকের কাছেই শত্রু হয়ে উঠেছে।

read more
পর্ব-১০৬: নীল রাত্রি, নীল অন্ধকার

পর্ব-১০৬: নীল রাত্রি, নীল অন্ধকার

পিশাচপাহাড় নামক টিলাপাহাড়ের পিছনদিকেই পিঁধারহাটি গ্রাম। পিছনদিক এই কারণে বলা হচ্ছে, পিশাচপাহাড় নামক টিলার উপরের দিকে যেখানে কালাদেওর গুহা আছে, তার মুখটি যেদিকে, তার বিপরীত দিকে এই পিঁধারহাটি। পিশাচপাহাড়ের পূবদিকে পিশাচপাহাড় গ্রাম, পশ্চিমদিকে ধুঁন্ধুডাঙা, আর দক্ষিণে পিঁধারহাটি। উত্তরদিক অর্থাৎ যেদিকে গুহার মুখ, সেইদিকে কেবল কয়েক ক্রোশের মধ্যে কোনও গ্রাম নেই।

read more
পর্ব-১০৫: সরজমিনে

পর্ব-১০৫: সরজমিনে

কাপাডিয়া ভয়ে জড়সড় হয়ে আছেন। চোখমুখের অবস্থা ভালো নয়। একজন ডাক্তারকে কল করা হয়েছিল। তিনি এই রিসর্টের এমার্জেন্সি সার্ভিসের সঙ্গেই যুক্ত, কখন কোন বোর্ডার অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে প্রাইমারি ট্রিটমেন্টের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই জন্য অনেক রিসর্ট-হোটেলেই আজকাল এ-ধরণের ব্যবস্থা রাখা হয়। আর এক্ষেত্রে তো কোনও বোর্ডার নয়, রিসর্টের ম্যানেজার স্বয়ং আহত।

read more
পর্ব-১০৪: খরগোশ ও কচ্ছপ

পর্ব-১০৪: খরগোশ ও কচ্ছপ

সাইকেল মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। এতদিন ধরে এত গুরুত্বপূর্ণ কাজ সাফল্যের সঙ্গে করে এসে শেষে যে এই পচা শামুকে পা কাটবে, তা সে কখন স্বপ্নেও ভাবেনি। আন্ডারএস্টিমেট করেছিল নুনিয়াকে। কিন্তু হারামজাদী মেয়েটি তার চেয়েও চালাক এবং খতরনাক।

read more
পর্ব-১০৩: গ্রহের ফের

পর্ব-১০৩: গ্রহের ফের

সুদীপ্ত বলল, “আপনি কি স্মোক করেন শাক্যদা?” কিছুক্ষণ আগেই ঠিক হয়েছে, সুদীপ্ত শাক্যকে ‘স্যার, স্যার’ বলার পরিবর্তে ‘শাক্যদা’ বলে ডাকবে। সবার সামনে সে প্রোটোকল মেনটেইন করার জন্য ‘স্যার’ বলতেই পারে, কিন্তু অন্যত্র ঘাটে-বাটে-মাঠে ‘স্যার’ বলা চলবে না। বললেই শাস্তি। অন্যদিকে শাক্য সুদীপ্তকে ‘আপনি’র পরিবর্তে ‘তুমি’ করে বলবে, এটাও ঠিক হয়েছে।

read more
পর্ব-১০২: অন্ধকারে কে?

পর্ব-১০২: অন্ধকারে কে?

এই পৃথিবীতে মানুষ যেমন রাগে-ক্ষোভে-লোভে-স্বভাবে মৃত্যু, ধ্বংস, অপরাহ কিংবা পাপ করে চলে, কোনও সভ্যতা-কোনও মনীষীর বাণী তাদের সেই পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না, তেমনই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডেও একই নিয়ম। সৃষ্টি কখন চিরন্তন নয়, কিন্তু ধ্বংস চিরন্তন। কিংবা হয়তো সৃষ্টির জন্ম নেয় ধ্বংসের বীজ গর্ভে নিয়েই। আলোর গর্ভেই থাকে অন্ধকারের গোপন অঙ্কুর।

read more
পর্ব-১০১: সরষের মধ্যে ভূত

পর্ব-১০১: সরষের মধ্যে ভূত

ম্যাসিওর যুবকটির নাম উল্লাস মাহাতো। বয়স বছর আঠাশ এবং তার হাত ভারি চমৎকার। শাক্য জিজ্ঞাসা করায় সে জানিয়েছে, বছর তিন-চার সে এই প্রোফেশনে আছে। স্বাধীনভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে। তবে পিশাচ পাহাড় নয়, সে আসলে থাকে জেলাসদরে, যদিও তার আদিবাড়ি এখানেই কিন্তু এই ছোট্ট পাণ্ডববর্জিত জায়গায় ও-সব জিনিসের কদরদারের অভাব বড় বেশি।

read more
পর্ব-১০০: চোর মাচায়ে শোর

পর্ব-১০০: চোর মাচায়ে শোর

লোকটা সাইকেল মাহাতোকে একটু তফাতে ডেকে নিয়ে গেল। যদিও বাইরে সে নিজেকে নিরুত্তাপ দেখানোর চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। বুঝতেই পারছে, আজকের অভিযান বৃথা। টাকা তো পাবেই না, উপরন্তু এক বোতল বিলিতি মদ আর মাংসের চাটের এক্সট্রা উপরিটাও মায়ের ভোগে! ভয়ে বুকের ভিতরটা শুকিয়ে আসছে। অনেক বড় মুখ করে সে বলেছিল, “কাম ঠিক হয়ে যাবে, তু ভাবিস ক্যানে?”

read more
পর্ব-৯৯: কে? কে ওখানে?

পর্ব-৯৯: কে? কে ওখানে?

রাতে ডিনারের পর সামান্য পড়াশোনা করেন সত্যব্রত। এ-তাঁর অনেককালের অভ্যাস। এর আগে যে-ব্লকে ছিলেন, সেখানে পেশেন্টের চাপ খুব বেশি ছিল। দিনরাত বলে আলাদা কিছু ছিল না। লেবার রুমের বেড খালি থাকত না কখনই। তার উপর রাতবিরেতে কেউ মদ খেয়ে মাথা ফাটিয়ে এসে হাজির হতো, কেউ আবার সন্দেহজনক আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে হাজির হত। পেশেন্টপার্টির ছিল মাথা গরম। ডাক্তার যেন ভগবান।

read more
পর্ব-৯৮: কপোত-কপোতী

পর্ব-৯৮: কপোত-কপোতী

অঞ্জন সাক্সেনা যেন মনে-মনে এমন নারীকেই চেয়েছিল, যে কেবল শয্যাসঙ্গিনী হবে না, হবে আ ভেরি ট্র্যু লাইফপার্টনার—ফ্রেন্ড, ফিলোসপফার অ্যান্ড গাইড। এ-কারণেই এত দূরে বেড়াতে এসে, এক রুমে থেকেও সে নিজেকে সংযত রেখেছে। যদিও সে জানে, কলকাতায় ফিরে গেলেই তাকে কাউকে ডাকতে হবে। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী জেলা জুড়ে নামে-বেনামে ছড়িয়ে থাকা কোন ফ্ল্যাট কিংবা বাড়িতে এক-দু’রাতের উদ্দাম সেক্স না করলে সে হয়ত পাগল হয়ে যাবে এরপর।

read more
পর্ব-৯৭: ভাগ নুনিয়া, ভাগ

পর্ব-৯৭: ভাগ নুনিয়া, ভাগ

নুনিয়া দৌড়াচ্ছিল। অন্ধকারে যত জোরে দৌড়ানো যায়, সম্ভবত তার চেয়েও বেশি জোরে। এর আগে সে পালিয়েছে হোস্টেল থেকে, স্কুল থেকে, চার্চের ঘেরাটোপ থেকে, কিন্তু এত রাতে কখনও নয়। যে-পথ দিয়ে সে এর আগে বহুবার পালিয়েছে, এমনকি শাস্তি পাওয়ার পরেও পালিয়েছে, সেই পথই এত রাতে তার কাছে অজানা-অচেনা বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু উপায় নেই তাকে পালাতেই হবে।

read more
পর্ব-৯৬: যদি হই চোরকাঁটা

পর্ব-৯৬: যদি হই চোরকাঁটা

অনিলের কথায় অরণ্য হালকা-তরল মুড ছেড়ে আবার সিরিয়াস গম্ভীর হয়ে গেল। বলল, “না! অনিলকে কে মারল আর কেনই বা মারল, সেই প্রশ্ন আমাকে কুরে-কুরে খাচ্ছে আর্য! আমি যত ভাবছি, তত অবাক হয়ে যাচ্ছিস!”
আর্য বলল, “আমিও!”

read more
পর্ব-৯৫: পরবর্তী পদক্ষেপ

পর্ব-৯৫: পরবর্তী পদক্ষেপ

সত্যব্রতর কাছ থেকে ফেরার সময় গাড়িতে শাক্য বা সুদীপ্ত কেস নিয়ে কোন কথা বলছিল না। শাক্যই বারণ করেছিল। এখন সে কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। যাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগ লড়াই শুরু করেছে, তারা যে যথেষ্ট শক্রিশালী কোন গ্যাং, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে, পিশাচপাহাড় রিসর্টের মার্ডার। কালাদেও কেন যে পিশাচপাহাড় রিসর্টে ঢুকে মার্ডার করতে যাবে, এটা শাক্য বা সুদীপ্ত কারওই মাথায় আসেনি।

read more
পর্ব-৯৪: নুনিয়া কোথায়?

পর্ব-৯৪: নুনিয়া কোথায়?

সত্যব্রতর কাছ থেকে ফেরার সময় গাড়িতে শাক্য বা সুদীপ্ত কেস নিয়ে কোন কথা বলছিল না। শাক্যই বারণ করেছিল। এখন সে কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। যাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগ লড়াই শুরু করেছে, তারা যে যথেষ্ট শক্রিশালী কোন গ্যাং, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে, পিশাচপাহাড় রিসর্টের মার্ডার। কালাদেও কেন যে পিশাচপাহাড় রিসর্টে ঢুকে মার্ডার করতে যাবে, এটা শাক্য বা সুদীপ্ত কারুরই মাথায় আসেনি।

read more

Skip to content