হিন্দুস্তানি ক্লাসিক্যালের ক্ষেত্রে পারম্পরিক ‘খেয়াল’ গানের বিস্তার করাই রীতি কিন্তু গওহর জান সেই গানকে তিন মিনিটেরও কম সময়ে গাওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

হিন্দুস্তানি ক্লাসিক্যালের ক্ষেত্রে পারম্পরিক ‘খেয়াল’ গানের বিস্তার করাই রীতি কিন্তু গওহর জান সেই গানকে তিন মিনিটেরও কম সময়ে গাওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
যত দিন যায় সেই দাগ একটু একটু করে গাঢ় হতে থাকে। আস্তে আস্তে আমারও সেই কম কথা বলা, ব্যক্তিত্বপূর্ণ অধ্যাপিকার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোলাগার সূত্রপাত।
কবিতার সঙ্গে নাটকের যে কত নিবিড় যোগাযোগ ওদের নিবেদনে আবারও তা ফুটে উঠল। তবে, ‘বক বকম’ শুরু হতেই যেন ফুরিয়ে গেল। তারপর মঞ্চ ও মন দুই-ই জয় করে নিলেন লোপামুদ্রা মিত্র-র ‘গানমন’-য়ের শিল্পীরা।
বাবার চিকিৎসায় নিঃস্ব মা, প্রচুর ঋণের বোঝা, আত্মীয়-স্বজনের নিরন্তর গঞ্জনা থেকে বুঝলেন তাঁর বাবা-মায়ের কোনওদিন বিয়েই হয়নি। মা ও মেয়ে নিরাশ্রয় হয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়ালেন।
অনেকদিন ধরে মনের কোণে লালন করে রাখা স্বপ্নের কলমটিকে আপন করে নেওয়ার ইচ্ছেকে বাস্তবায়িত করছেন কেউ, আবার কেউ শুধুই ঘুরে-ঘুরে অচেনাকে চিনতে চাইছেন, আর বিস্ময়ে মুগ্ধতায় আপ্লুত হচ্ছেন।
এক অনন্যসাধারণ শিক্ষক ও তাঁর অন্যরকম ছাত্রেরা — সাল ১৯৩৩, অবিভক্ত বাংলার চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের পর গৈরালা গ্রামে বিভিন্ন ছদ্মবেশে থাকা তাঁর মাস্টারদাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয় চক্রান্তকারী নেত্র সেন।
‘বইমেলা’ শব্দটি আমার মতো অনেকেরই মনে বিভিন্ন অনুভূতি এবং স্মৃতির বর্ণময় কোলাজের জলছবি এঁকে দেয়। সেই ছোট্টবেলায় বাবার হাত ধরে বইমেলায় যাওয়া দিয়ে শুরু।
কেবল বাংলা চলচ্চিত্রেই নয় পঞ্চাশের দশকের গোড়াতে সলিল চৌধুরীর সুরে হিন্দি ছবি ‘বিরাজ বহু’তে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে নির্ভুল হিন্দি উচ্চারণে গেয়েছিলেন ‘তেরে ঘর আবাদ রহে’।
বাবা ছিলেন নৈহাটির বিখ্যাত ডাক্তার সাধনকুমার মিত্র। স্বয়ং বিধানচন্দ্র রায়ের ছাত্র। সেই সূত্রে তাঁকে বাড়িতে আসতেও দেখেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই বাবা চাইতেন ছেলে তাঁর মতো ডাক্তার হবে। কিন্তু ছেলের তো গান অন্ত প্রাণ।
…তাই বলি পুরুষ, ভালোবাসি তোমায়, আদর শুধু তোমারই জন্য। তুমি শুধু বুঝে চল আমায়, মুঠো বন্ধ করে রেখো না, উদার হাতে ছেড়ে দিও।
দীপাবলি নামটির মধ্যে রয়েছে ঈশ্বরীয় আবেশ, ইতিহাস ও পুরাণের অভিবন্দনা। দীপাবলি— এই সংস্কৃত শব্দ থেকেই দিওয়ালি কথাটি এসেছে। ‘দীপ’ অর্থ প্রদীপ, ‘আবালি’ অর্থ সারি।
অন্নদামঙ্গল কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী বলেছিলেন— “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”। মা দুর্গাও চান তাঁর আগমনে মর্তবাসী কেউ যেন না খেয়ে থাকেন।
তর্পণের উল্লেখ পাওয়া যায় মহাভারতেও। দাতা কর্ণের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মা স্বর্গে গমন করলে সোনা ও মূল্যবান ধাতু খাদ্য হিসেবে দেওয়া হয় তাঁকে।
নেত্র সেনের স্ত্রীর প্রত্যক্ষ সহায়তা পেয়েছিলেন তিনি। বেঁচে থাকতে কখনও স্বামীর হন্তাকে চিনিয়ে দেননি তিনি। কারণ, তিনি ছিলেন মাষ্টারদার একনিষ্ঠ ভক্ত। এমনি প্রভাব ছিল জনমানসে মাষ্টারদার।
আমরা যাঁর মৃত্যুদিবস পালন করি তাঁর জীবদ্দশায় মৃত্যু এসেছে এত অথচ তিনি রয়েছেন জীবিত বরাবর। সশরীরে বা অশরীরে। তাঁর অনুভবের প্রতিটা মৃত্যুই ছিল একের থেকে এক ভারবহ। সকলেই ছিলেন তাঁর প্রিয়তর থেকে প্রিয়তম।