উলের তৈরি পোশাক সোয়েটার বা মাফলার দোকানে না দিয়ে বাড়িতে ধোওয়াই ভালো। বিশেষ লিক্যুইড ব্যবহার করতে পারেন, যাতে উলের পোশাক ভালো থাকে।

উলের তৈরি পোশাক সোয়েটার বা মাফলার দোকানে না দিয়ে বাড়িতে ধোওয়াই ভালো। বিশেষ লিক্যুইড ব্যবহার করতে পারেন, যাতে উলের পোশাক ভালো থাকে।
ভারতে বিপুল পরিমাণ বিক্রি হওয়া জনপ্রিয় সংস্থার স্যানিটারি ন্যাপকিনগুলিতে পাওয়া গিয়েছে একাধিক বিপজ্জনক কেমিক্যাল। সম্প্রতি দিল্লির একদল গবেষক এমনটাই দাবি করেছেন।
চিকিৎসকদের কথায়, সব খেয়েও সুস্থ থাকা সম্ভব। শুধু কিছু বাড়তি সুরক্ষা নিতে হবে। দেদার বাইরের খাবার খেয়েও পেট সুস্থ রাখতে চাইলে নিয়ম করে খেতে হবে কয়েকটি খাবার।
শীতকাল মানেই উৎসবের সমারোহ। বড়দিনের উচ্ছ্বাস, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। এই সময়ে জ্যাকেট আর সোয়েটারের চাপে পোশাক নিয়ে খুব বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকে না।
আপেলে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের উপস্থিতির কারণে কোষগুলি থেকে ক্ষতিকর পদার্থ সহজেই নির্গত হয়। বিটের মতো আপেল দিয়েও একই রকমের পানীয় তৈরি করে ফেলতে পারেন।
অনেকেই আজকাল অ্যালো ভেরা গাছ রাখেন। তবে গাছ না থাকলেও ক্ষতি নেই। বাজার থেকে কেনা অ্যালো ভেরা জেলও ব্যবহার করতেই পারেন। সঙ্গে চাই শুধু কয়েকটি উপাদান।
স্নানের সময়ে শুধু সাবান-শ্যাম্পু নয়, বাড়ির রোজকার ব্যবহারের কয়েকটি ভেষজ জিনিস যদি নিয়ম করে স্নানের জলে মিশিয়ে নেন, তবে মিলতে পারে বিভিন্ন রকমের উপকার।
তবে শুধু এক অভ্যাস বদলে চুল পড়া আটকানো সম্ভব নয়। আরও রোজকার অভ্যাসে কিছু কিছু বদল আনতে হবে।
লেদারের জ্যাকেট ভাঁজ না করে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন। তাতেই তা ভালো থাকবে।
অনেকেই রোজ দুধ খান। শিশু থেকে বৃদ্ধ— সকলেরই প্রতি দিন দুধ খাওয়া জরুরি বলে মনে করেন কিছু পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন-ডি শুধু হাড়ের জন্যই উপকারি নয়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে এমন অনেক প্রোটিন এবং উৎসেচক তৈরিতেও সাহায্য করে ভিটামিন-ডি।
ছটপুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তাঁরা আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের বাড়িতে যাতায়াত করেন। একসঙ্গে জড়ো হন। বিজয়া দশমীর পর যেমন হয়, অনেকটা সে রকমই। যদিও এটা প্রথা নয়।
অরিগ্যানোতে ‘ক্যালভাকরোল’ নামক একটি যৌগ প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে এবং ক্যানসার কোষের বিস্তারকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
সাউথ মর্নিং পোস্ট-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কিশোরীটি ‘পিকা’ নামক রোগে আক্রান্ত। এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা এমন কিছু জিনিস খেয়ে ফেলেন, যা আদৌ খাবার নয়।
সংক্রমণ সারাতে কখনও অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হচ্ছে। আর অ্যান্টিবায়োটিক খেলেই সারা দিন মুখে তিতকুটে ভাব, কোনও খাবারেই স্বাদ পাওয়া যায় না। এই স্বাদহীন ভাবই জ্বরের অন্যতম উপসর্গ।